ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোনালদোর পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ইতিহাস কঙ্গোর জি৭ সম্মেলনে লেবাননে যুদ্ধবিরতির আহ্বান নেতাদের শিল্পকলায় সার্কাস ও যাত্রাপালা কর্মশালার সমাপ্তি: সুস্থ সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় পশ্চিমবঙ্গে ভোটের পর ৩৬ পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী সাবেক এমপি খালেদা রব্বানীর বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ হজের ব্যয় কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার : মীর হেলাল চট্টগ্রামে ৫ বছরের শিশু অপহরণ, বিছানায় মিলল ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের চিঠি

দাঁড় কাউয়া মুক্ত মোহাম্মপুর থানা আ.লীগ চাই

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের একাংশের পক্ষ থেকে টানানো একটি ব্যানার আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে। সেই ব্যানারে ‘দাঁড় কাউয়ামুক্ত মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগ’ এর দাবি জানানো হয়েছে।

এই ব্যানারটি কারা টানিয়েছে সেটা জানা যায়নি। তবে মোহাম্মদপুর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জানান, দলে অনুপ্রবেশকারী ঠেকাতে আওয়ামী লীগের শীর্ষনেতাদের দীর্ঘদিনের ঘোষণা ছিল। এবার মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও এ দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। তাঁরা ব্যানার ফেস্টুন করে অনুপ্রবেশকারীদের দলে না নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

রাজধানীর ধানমন্ডির ২৭ সড়কের শংকর আবাসিক এলাকার বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের সামনে ৩০ ফুটেরও বেশি দৈর্ঘ্যের বিলবোর্ডটি সাঁটানো হয়েছে। ‘দাঁড় কাউয়া মুক্ত মোহাম্মপুর থানা আওয়ামী লীগ চাই’ লেখাটির ডানপাশেই বিশাল একটি দাঁড় কাকের ছবি দেয়া হয়েছে।

শনিবার সকাল বেলাই ধানমন্ডির ওই সড়কে বিলবোর্ডটি দেখতে পায় স্থানীয়রা। এরপর ছবিটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়ে যায়।

এটি কে টানিয়েছে, জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সাত্তার দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘বিষয়টি আমি জানি না। আমি এখনই এ বিষয়ে খোঁজ নেব।’

আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ‘কাউয়া’ শব্দটি জনপ্রিয় করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গত বছরের মার্চে সিলেটে বিভাগীয় তৃণমূল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন যে, সংগঠনে, ‘কাউয়া’ (কাক) ঢুকছে। তিনি বলেন, ‘প্রচার লীগ, তরুণ লীগ, কর্মজীবী লীগ, ডিজিটাল লীগ, হাইব্রিড লীগ আছে। কথা হাছা, সংগঠনে কাউয়া ঢুকছে। জায়গায় জায়গায় কাউয়া আছে। পেশাহীন পেশাজীবী দরকার নেই। ঘরের ভেতর ঘর বানানো চলবে না। মশারির ভেতর মশারি টানানো চলবে না।’

মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের কমিটি নিয়ে বিরোধ আছে। গত ২৭ ডিসেম্বর মহানগর উত্তরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে ২৬টি থানা, ৪৯টি ওয়ার্ড ও ৯টি ইউনিয়নের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়। এরপর বিভিন্ন এলাকায় কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তরের কাজ শুরুও করেছিলেন তারা। কমিটি দেয়ার পর নানা বিতর্ক উঠে। ত্যাগী ও প্রকৃত রাজনীতিকদের বাদ দিয়ে পকেটের লোক কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠে।

এরপর গত ২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ক্ষুব্ধ নেতারা। নেতাদের অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই দিন কমিটি স্থগিত করেন তিনি।

মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সাত্তার বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তো কমিটি স্থগিত করেছেন। এখনতো এ নিয়ে কথা বিতর্ক উঠার কথা না।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দাঁড় কাউয়া মুক্ত মোহাম্মপুর থানা আ.লীগ চাই

আপডেট সময় ১১:২৩:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের একাংশের পক্ষ থেকে টানানো একটি ব্যানার আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে। সেই ব্যানারে ‘দাঁড় কাউয়ামুক্ত মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগ’ এর দাবি জানানো হয়েছে।

এই ব্যানারটি কারা টানিয়েছে সেটা জানা যায়নি। তবে মোহাম্মদপুর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জানান, দলে অনুপ্রবেশকারী ঠেকাতে আওয়ামী লীগের শীর্ষনেতাদের দীর্ঘদিনের ঘোষণা ছিল। এবার মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও এ দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। তাঁরা ব্যানার ফেস্টুন করে অনুপ্রবেশকারীদের দলে না নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

রাজধানীর ধানমন্ডির ২৭ সড়কের শংকর আবাসিক এলাকার বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের সামনে ৩০ ফুটেরও বেশি দৈর্ঘ্যের বিলবোর্ডটি সাঁটানো হয়েছে। ‘দাঁড় কাউয়া মুক্ত মোহাম্মপুর থানা আওয়ামী লীগ চাই’ লেখাটির ডানপাশেই বিশাল একটি দাঁড় কাকের ছবি দেয়া হয়েছে।

শনিবার সকাল বেলাই ধানমন্ডির ওই সড়কে বিলবোর্ডটি দেখতে পায় স্থানীয়রা। এরপর ছবিটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়ে যায়।

এটি কে টানিয়েছে, জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সাত্তার দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘বিষয়টি আমি জানি না। আমি এখনই এ বিষয়ে খোঁজ নেব।’

আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ‘কাউয়া’ শব্দটি জনপ্রিয় করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গত বছরের মার্চে সিলেটে বিভাগীয় তৃণমূল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন যে, সংগঠনে, ‘কাউয়া’ (কাক) ঢুকছে। তিনি বলেন, ‘প্রচার লীগ, তরুণ লীগ, কর্মজীবী লীগ, ডিজিটাল লীগ, হাইব্রিড লীগ আছে। কথা হাছা, সংগঠনে কাউয়া ঢুকছে। জায়গায় জায়গায় কাউয়া আছে। পেশাহীন পেশাজীবী দরকার নেই। ঘরের ভেতর ঘর বানানো চলবে না। মশারির ভেতর মশারি টানানো চলবে না।’

মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের কমিটি নিয়ে বিরোধ আছে। গত ২৭ ডিসেম্বর মহানগর উত্তরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে ২৬টি থানা, ৪৯টি ওয়ার্ড ও ৯টি ইউনিয়নের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়। এরপর বিভিন্ন এলাকায় কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তরের কাজ শুরুও করেছিলেন তারা। কমিটি দেয়ার পর নানা বিতর্ক উঠে। ত্যাগী ও প্রকৃত রাজনীতিকদের বাদ দিয়ে পকেটের লোক কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠে।

এরপর গত ২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ক্ষুব্ধ নেতারা। নেতাদের অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই দিন কমিটি স্থগিত করেন তিনি।

মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সাত্তার বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তো কমিটি স্থগিত করেছেন। এখনতো এ নিয়ে কথা বিতর্ক উঠার কথা না।’