ঢাকা ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

ইতিহাসের এই দিনে, ৩০ জানুয়ারি

অাকাশ ইতিহাস ডেস্ক:

আজ (মঙ্গলবার) ৩০ জানুয়ারি ২০১৮ সাল

ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেসব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়, যা কিছু ভাল, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ।

তাই ইতিহাসের দিনপঞ্জি মানুষের কাছে সবসময় গুরুত্ব বহন করে। এই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে দৈনিক আকাশের পাঠকদের জন্য নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে’।

৩০ জানুয়ারি, ২০১৮, মঙ্গলবার। ১৭ই মাঘ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ। একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

জহির রায়হানের অন্তর্ধান দিবস

কথাশিল্পী ও চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হানের আজ অন্তর্ধান দিবস। ১৯৭২ সালের এই দিনে নিখোঁজ হওয়ার পর আর তার কোনো খোঁজ মেলেনি। তাকে কারা-কেনো নিখোঁজ বা হত্যা করেছে এ নিয়ে বিতর্ক আছে। জহির রায়হানের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট ফেনীতে। বাল্যে ও কৈশোরে কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউট ও আলিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষা গ্রহণ করেন। দেশ বিভাগের পর ১৯৪৭এ দেশে ফেরেন। স্থানীয় আমিরাদ হাই স্কুল থেকে ১৯৫০ সালে ম্যাট্রিক এবং আইএসসি পাস করেন জগন্নাথ কলেজ থেকে ১৯৫৩ সালে। সাহিত্যের প্রতি বিশেষ ঝোকের কারণে বিজ্ঞান ছেড়ে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তি হন বাংলা বিভাগে । ৫৮ তে বিএ অনার্স পাস। সেইসঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে যান কমিউনিষ্ট আন্দোলনে । ৫২’র ভাষা আন্দোলনে কারাবরণের পর ফটোগ্রাফি শিখতে চলে যান কলকাতায় । চলচ্চিত্র জগতে সিরিয়াস হন ৫৬’র শেষদিকে । ৬১ তে চিত্রনায়িকা সুমিতা দেবী ও ৬৮ তে চিত্রনায়িকা সুচন্দার সঙ্গে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। ৬১ তে মুক্তি পায় তার পরিচালিত প্রথম ছবি কখনো আসেনি। এর পর সোনার কাজল,কাচেঁর দেয়াল, বেহুলা, আনোয়ারা, সঙ্গম, জীবন থেকে নেয়া ইত্যাদি । ৭১-এ ভারতে গিয়ে নির্মাণ করেন বাংলাদেশে পাক বাহিনীর গণহত্যার প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ঝঃড়ঢ় এবহড়পরফব । তার উর্দু ছবি বাহানা তৎকালীন পাকিস্তানের প্রথম সিনেমাস্কোপ ছবি। হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী তার সাড়া জাগানো উপন্যাস। অনেক সরস ছোট গল্পও লিখেছেন তিনি। উপন্যাসের জন্যে ১৯৭২ সালে তিনি বাংলা একাডেমীর মরণোত্তর পুরস্কারে ভূষিত হন। স্বাধীনতার পর দেশে ফিরে অগ্রজ শহীদুল্লাহ কায়সারকে খুঁজতে গিয়ে ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি মিরপুর থেকে তিনি নিখোঁজ হয়ে আর ফিরে আসেননি।

জার্মান একনায়ক এডলফ চ্যান্সেলর নির্বাচিত

১৯৩৩ খৃষ্টাব্দের এ দিনে জার্মান একনায়ক এডলফ হিটলার সেদেশের ঐক্যমত্যের সরকারের চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন। হিটলার ১৮৮৯ খৃষ্টাব্দের ২০ শে এপ্রিল অষ্ট্রিয়া জার্মান সীমান্তে জন্ম গ্রহণ করেন। কোন সার্টিফিকেট অর্জন ছাড়াই ১৬ বছর বয়সে স্কুল ত্যাগ করেন এবং ভিয়েনায় গিয়ে চিত্রশিল্পী হিসেবে নিজেকে তৈরী করার সংগ্রামে লিপ্ত হন। ১৯১৩ খৃষ্টাব্দে হিটলার মিউনিখে আসেন এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯১৯ সালে হিটলার ফ্যাসিস্ট জার্মান ওয়াকার্স পার্টি বা ড্যাপে যোগ দেন। নিজ যোগ্যতা বলে এর মাত্র ২ বছর পর অর্থাৎ ১৯২১ সালে বর্তমান ন্যাশনালিস্ট সোসালিস্ট জার্মান ওয়ার্কাস পার্টি বা ন্যাৎসী পার্টির নেতা হিসেবে বিবেচিত হন। ১৯২৩ সালে হিটলার মিউনিখে সশস্ত্র অভ্যুত্থানের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন। এ সময় তাকে অভ্যুত্থ্যানের অভিযোগে গ্রেফতার করে ৯ মাস কারাবন্দী রাখা হয়। কারামুক্ত হয়ে পুনরায় তিনি ন্যাৎসী দলকে পুনর্গঠিত করেন এবং ১৯৩২ সালের নির্বাচনে তার ন্যাৎসী দল সংখ্যাগরিষ্ট দল হিসেবে আবির্ভূত হয় এবং চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সে তার বর্ণবাদী লক্ষ্য অর্জনের জন্যে এস এস বাহিনীর দ্বারা বিরোধীদের জোর করে গোপন নির্যাতন ক্যাম্পে প্রেরণ করত এবং এভাবে লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করে। ১৯৩৯ খৃষ্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি পোল্যান্ডে হামলা চালিয়ে দখল করে নেন। তার আগে হিটলার ডেনমার্ক, নরওয়ে এবং পশ্চিম ইউরোপে আগ্রাসন চালিয়ে দখল করেন। এরপর ১৯৪১ সালের ডিসেম্বর মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। সেই যুদ্ধে জার্মানী ও মিত্রদের পরাজয় হয়। আর সেই পরাজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৫ সালের ৩০ শে এপ্রিল হিটলার আত্মহত্যা করেন ।

মোহন দাশ করমচাঁদ গান্ধী মৃত্যু

১৯৪৮ সালের এই দিনে ভারতের স্বাধীনতার প্রতিষ্ঠাতা ও জাতীয় নেতা মোহন দাশ করমচাঁদ গান্ধী এক গোড়া হিন্দুর হাতে নিহত হন। তিনি ১৮৬৯ খৃষ্টাব্দের ২ রা অক্টোবর গুজরাটে জন্মগ্রহণ করেন। মোহন দাশ করম চাঁদ গান্ধী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যায়ন শেষে ব্রিটেনে আইন বিষয়ে পড়াশুনা করেন। এরপর তিনি চাকুরী নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় যান এবং সেখানে অভিবাসী ভারতীয়দের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। তিনি সেখানে বেশ কয়েকবার কারাবরণ করেন। ব্রিটিশ উপনিবেশের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মোহন দাশ করমচাঁদ গান্ধী। ব্রিটিশ উপনিবেশবাদী সরকার বিরোধী সংগ্রামে ভারতীয় বঞ্চিত মানুষের নেতৃত্ব দানের জন্যে তিনি মহাত্মা উপাধিতে ভূষিত হন। তার অসহযোগ আন্দোলন তৎকালীন হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে মতভেদ দূর করার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে এবং ব্রিটিশ উপনিবেশবাদীদের স্বার্থে আঘাত হানে। অবশেষে ১৯৪৭ সালে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর নেতৃত্বে ভারত স্বাধীনতা লাভ করে ।

বিখ্যাত ফকীহ আয়াতুল্লাহ মির্জা মোহাম্মাদ আলী শাহ আবাদী মৃত্যু

১৩৬৩ হিজরীর এ দিনে বিখ্যাত ফকীহ আয়াতুল্লাহ মির্জা মোহাম্মাদ আলী শাহ আবাদী ৭৭ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দর্শন এবং সুফী তত্ত্বের উপর কোমের ধর্মতত্ত্ব শিক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষা দিতেন। এ দুটি বিষয়ে তিনি খুব বড় শিক্ষক ছিলেন। তার ছাত্রদের মধ্যে একজন ছিলেন ইরানের ইসলামী বিপ্লবের রূপকার ইমাম খোমেনী (রহঃ)।

  • মালাবির মালাক্কা ছেড়ে দিতে ডাচদের কাছে পর্তুগিজদের আত্মসমর্পণ (১৬৪১)
  • মুয়েন্সতারে স্পেন ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর (১৬৪৮)
  • ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম চার্লসের শিরোচ্ছেদ (১৬৪৯)
  • রোমে ব্রিটিশ রাজত্বের তরুণ উত্তরাধিকারী চার্লস এডওয়ার্ড স্টুয়ার্নের মৃত্যুবরণ (১৭৮৮)
  • চীনের সঙ্গে ব্রিটেনের সবরকমের বাণিজ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা (১৮৪০)
  • ভিয়েনার যুবরাজ রুডলফ ও তার ১৮ বছরের প্রেয়সীর আত্মহত্যা (১৮৮৯)
  • চীন ও কোরিয়ার স্বাধীনতার জন্য জাপানের সাথে ব্রিটেনের চুক্তি স্বাক্ষর (১৯০২)
  • জার্মানির চ্যান্সেলর হিসেবে এডলফ হিটলারের নাম ঘোষণা (১৯৩৩)
  • নয়া দিল্লীতে আততায়ীর হাতে মহাত্মা গান্ধী নিহত (১৯৪৮)
  • দ: ভিয়েতনামের জেনারেল নগুয়েন খানের সাইগনে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল (১৯৬৪)
  • পাকিস্তানের ব্রিটিশ কমনওয়েলথ ত্যাগ (১৯৭২)
  • ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টি ও ছাত্র ইউনিয়নের সম্মিলিত গেরিলা বাহিনীর অস্ত্র সমর্পণ (১৯৭২)
  • চেকোশ্লোভাকিয়ার পার্লামেন্টে ৪ দশক পর কমিউনিস্ট পাটি তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় (১৯৯০)
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

ইতিহাসের এই দিনে, ৩০ জানুয়ারি

আপডেট সময় ০১:৪২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ ইতিহাস ডেস্ক:

আজ (মঙ্গলবার) ৩০ জানুয়ারি ২০১৮ সাল

ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেসব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়, যা কিছু ভাল, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ।

তাই ইতিহাসের দিনপঞ্জি মানুষের কাছে সবসময় গুরুত্ব বহন করে। এই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে দৈনিক আকাশের পাঠকদের জন্য নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে’।

৩০ জানুয়ারি, ২০১৮, মঙ্গলবার। ১৭ই মাঘ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ। একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

জহির রায়হানের অন্তর্ধান দিবস

কথাশিল্পী ও চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হানের আজ অন্তর্ধান দিবস। ১৯৭২ সালের এই দিনে নিখোঁজ হওয়ার পর আর তার কোনো খোঁজ মেলেনি। তাকে কারা-কেনো নিখোঁজ বা হত্যা করেছে এ নিয়ে বিতর্ক আছে। জহির রায়হানের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট ফেনীতে। বাল্যে ও কৈশোরে কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউট ও আলিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষা গ্রহণ করেন। দেশ বিভাগের পর ১৯৪৭এ দেশে ফেরেন। স্থানীয় আমিরাদ হাই স্কুল থেকে ১৯৫০ সালে ম্যাট্রিক এবং আইএসসি পাস করেন জগন্নাথ কলেজ থেকে ১৯৫৩ সালে। সাহিত্যের প্রতি বিশেষ ঝোকের কারণে বিজ্ঞান ছেড়ে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তি হন বাংলা বিভাগে । ৫৮ তে বিএ অনার্স পাস। সেইসঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে যান কমিউনিষ্ট আন্দোলনে । ৫২’র ভাষা আন্দোলনে কারাবরণের পর ফটোগ্রাফি শিখতে চলে যান কলকাতায় । চলচ্চিত্র জগতে সিরিয়াস হন ৫৬’র শেষদিকে । ৬১ তে চিত্রনায়িকা সুমিতা দেবী ও ৬৮ তে চিত্রনায়িকা সুচন্দার সঙ্গে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। ৬১ তে মুক্তি পায় তার পরিচালিত প্রথম ছবি কখনো আসেনি। এর পর সোনার কাজল,কাচেঁর দেয়াল, বেহুলা, আনোয়ারা, সঙ্গম, জীবন থেকে নেয়া ইত্যাদি । ৭১-এ ভারতে গিয়ে নির্মাণ করেন বাংলাদেশে পাক বাহিনীর গণহত্যার প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ঝঃড়ঢ় এবহড়পরফব । তার উর্দু ছবি বাহানা তৎকালীন পাকিস্তানের প্রথম সিনেমাস্কোপ ছবি। হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী তার সাড়া জাগানো উপন্যাস। অনেক সরস ছোট গল্পও লিখেছেন তিনি। উপন্যাসের জন্যে ১৯৭২ সালে তিনি বাংলা একাডেমীর মরণোত্তর পুরস্কারে ভূষিত হন। স্বাধীনতার পর দেশে ফিরে অগ্রজ শহীদুল্লাহ কায়সারকে খুঁজতে গিয়ে ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি মিরপুর থেকে তিনি নিখোঁজ হয়ে আর ফিরে আসেননি।

জার্মান একনায়ক এডলফ চ্যান্সেলর নির্বাচিত

১৯৩৩ খৃষ্টাব্দের এ দিনে জার্মান একনায়ক এডলফ হিটলার সেদেশের ঐক্যমত্যের সরকারের চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন। হিটলার ১৮৮৯ খৃষ্টাব্দের ২০ শে এপ্রিল অষ্ট্রিয়া জার্মান সীমান্তে জন্ম গ্রহণ করেন। কোন সার্টিফিকেট অর্জন ছাড়াই ১৬ বছর বয়সে স্কুল ত্যাগ করেন এবং ভিয়েনায় গিয়ে চিত্রশিল্পী হিসেবে নিজেকে তৈরী করার সংগ্রামে লিপ্ত হন। ১৯১৩ খৃষ্টাব্দে হিটলার মিউনিখে আসেন এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯১৯ সালে হিটলার ফ্যাসিস্ট জার্মান ওয়াকার্স পার্টি বা ড্যাপে যোগ দেন। নিজ যোগ্যতা বলে এর মাত্র ২ বছর পর অর্থাৎ ১৯২১ সালে বর্তমান ন্যাশনালিস্ট সোসালিস্ট জার্মান ওয়ার্কাস পার্টি বা ন্যাৎসী পার্টির নেতা হিসেবে বিবেচিত হন। ১৯২৩ সালে হিটলার মিউনিখে সশস্ত্র অভ্যুত্থানের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন। এ সময় তাকে অভ্যুত্থ্যানের অভিযোগে গ্রেফতার করে ৯ মাস কারাবন্দী রাখা হয়। কারামুক্ত হয়ে পুনরায় তিনি ন্যাৎসী দলকে পুনর্গঠিত করেন এবং ১৯৩২ সালের নির্বাচনে তার ন্যাৎসী দল সংখ্যাগরিষ্ট দল হিসেবে আবির্ভূত হয় এবং চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সে তার বর্ণবাদী লক্ষ্য অর্জনের জন্যে এস এস বাহিনীর দ্বারা বিরোধীদের জোর করে গোপন নির্যাতন ক্যাম্পে প্রেরণ করত এবং এভাবে লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করে। ১৯৩৯ খৃষ্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি পোল্যান্ডে হামলা চালিয়ে দখল করে নেন। তার আগে হিটলার ডেনমার্ক, নরওয়ে এবং পশ্চিম ইউরোপে আগ্রাসন চালিয়ে দখল করেন। এরপর ১৯৪১ সালের ডিসেম্বর মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। সেই যুদ্ধে জার্মানী ও মিত্রদের পরাজয় হয়। আর সেই পরাজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৫ সালের ৩০ শে এপ্রিল হিটলার আত্মহত্যা করেন ।

মোহন দাশ করমচাঁদ গান্ধী মৃত্যু

১৯৪৮ সালের এই দিনে ভারতের স্বাধীনতার প্রতিষ্ঠাতা ও জাতীয় নেতা মোহন দাশ করমচাঁদ গান্ধী এক গোড়া হিন্দুর হাতে নিহত হন। তিনি ১৮৬৯ খৃষ্টাব্দের ২ রা অক্টোবর গুজরাটে জন্মগ্রহণ করেন। মোহন দাশ করম চাঁদ গান্ধী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যায়ন শেষে ব্রিটেনে আইন বিষয়ে পড়াশুনা করেন। এরপর তিনি চাকুরী নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় যান এবং সেখানে অভিবাসী ভারতীয়দের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। তিনি সেখানে বেশ কয়েকবার কারাবরণ করেন। ব্রিটিশ উপনিবেশের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মোহন দাশ করমচাঁদ গান্ধী। ব্রিটিশ উপনিবেশবাদী সরকার বিরোধী সংগ্রামে ভারতীয় বঞ্চিত মানুষের নেতৃত্ব দানের জন্যে তিনি মহাত্মা উপাধিতে ভূষিত হন। তার অসহযোগ আন্দোলন তৎকালীন হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে মতভেদ দূর করার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে এবং ব্রিটিশ উপনিবেশবাদীদের স্বার্থে আঘাত হানে। অবশেষে ১৯৪৭ সালে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর নেতৃত্বে ভারত স্বাধীনতা লাভ করে ।

বিখ্যাত ফকীহ আয়াতুল্লাহ মির্জা মোহাম্মাদ আলী শাহ আবাদী মৃত্যু

১৩৬৩ হিজরীর এ দিনে বিখ্যাত ফকীহ আয়াতুল্লাহ মির্জা মোহাম্মাদ আলী শাহ আবাদী ৭৭ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দর্শন এবং সুফী তত্ত্বের উপর কোমের ধর্মতত্ত্ব শিক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষা দিতেন। এ দুটি বিষয়ে তিনি খুব বড় শিক্ষক ছিলেন। তার ছাত্রদের মধ্যে একজন ছিলেন ইরানের ইসলামী বিপ্লবের রূপকার ইমাম খোমেনী (রহঃ)।

  • মালাবির মালাক্কা ছেড়ে দিতে ডাচদের কাছে পর্তুগিজদের আত্মসমর্পণ (১৬৪১)
  • মুয়েন্সতারে স্পেন ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর (১৬৪৮)
  • ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম চার্লসের শিরোচ্ছেদ (১৬৪৯)
  • রোমে ব্রিটিশ রাজত্বের তরুণ উত্তরাধিকারী চার্লস এডওয়ার্ড স্টুয়ার্নের মৃত্যুবরণ (১৭৮৮)
  • চীনের সঙ্গে ব্রিটেনের সবরকমের বাণিজ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা (১৮৪০)
  • ভিয়েনার যুবরাজ রুডলফ ও তার ১৮ বছরের প্রেয়সীর আত্মহত্যা (১৮৮৯)
  • চীন ও কোরিয়ার স্বাধীনতার জন্য জাপানের সাথে ব্রিটেনের চুক্তি স্বাক্ষর (১৯০২)
  • জার্মানির চ্যান্সেলর হিসেবে এডলফ হিটলারের নাম ঘোষণা (১৯৩৩)
  • নয়া দিল্লীতে আততায়ীর হাতে মহাত্মা গান্ধী নিহত (১৯৪৮)
  • দ: ভিয়েতনামের জেনারেল নগুয়েন খানের সাইগনে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল (১৯৬৪)
  • পাকিস্তানের ব্রিটিশ কমনওয়েলথ ত্যাগ (১৯৭২)
  • ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টি ও ছাত্র ইউনিয়নের সম্মিলিত গেরিলা বাহিনীর অস্ত্র সমর্পণ (১৯৭২)
  • চেকোশ্লোভাকিয়ার পার্লামেন্টে ৪ দশক পর কমিউনিস্ট পাটি তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় (১৯৯০)