ঢাকা ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাগালের মধ্যে থাকলে সু চি গায়ে হাত তুলতো: রিচার্ডসন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গা বিষয়ে মিয়ানমারের সরকারের আন্তর্জাতিক প্যানেল থেকে পদত্যাগের পর, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সিনেটর এবং কূটনীতিক বিল রিচার্ডসন বলেছেন, গত সোমবার কথা কাটাকাটির সময় রাগে ফেটে পড়ছিলেন অং সান সু চি। খবর বিবিসির। যে আন্তর্জাতিক প্যানেল থেকে বিল রিচার্ডসন পদত্যাগ করেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সেটি গঠন করেছিলেন অং সান সু চি নিজেই। সোমবার এক বৈঠকে চরম ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন রিচার্ডসন এবং সু চি।

রিচার্ডসন নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, সম্প্রতি বার্তা সংস্থার রয়টার্সের দুই সাংবাদিক আটক ও বিচারের প্রসঙ্গ তুলতেই সু চি ‘রাগে ফেটে পড়েন’। ‘তার (সু চির) মুখ রাগে কাঁপছিল, আমি যদি তার হাতের নাগালে থাকতাম তিনি হয়তো আমাকে মেরেই বসতেন, এতটাই রেগে গিয়েছিলেন তিনি।’

রিচার্ডসন বলেন, মিডিয়া, মানবাধিকার বিভিন্ন সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সু চি যে ভাষায় আক্রমণ করছিলেন তাতে তিনি ‘হতভম্ব’ হয়ে পড়েছিলেন। ‘আমি তাকে পছন্দ করি, তাকে সম্মান করি। কিন্তু রাখাইন ইস্যুতে তিনি নেতৃত্বে দেয়ার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন।’

রিচার্ডসন বলেছেন, রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার দেয়ার মত মৌলিক ইস্যুতে তিনি মিয়ানমার সরকারের মধ্যে কোনো সততা দেখতে পাচ্ছিলেন না। রিচার্ডসনের বিরুদ্ধে অবশ্য পাল্টা অভিযোগ করেছে মিয়ানমার সরকার। সরকারের একজন মুখপাত্র বলেছেন, সু চির বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ চালিয়েছেন রিচার্ডসন।

আন্তর্জাতিক প্যানেলের একজন সদস্য খিন নিও বিবিসিকে বলেছেন, রয়টার্সের সাংবাদিকদের প্রসঙ্গটি সু চির সামনে না তোলার জন্য আগে থেকেই রিচার্ডসনকে সাবধান করা হয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাগালের মধ্যে থাকলে সু চি গায়ে হাত তুলতো: রিচার্ডসন

আপডেট সময় ১১:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গা বিষয়ে মিয়ানমারের সরকারের আন্তর্জাতিক প্যানেল থেকে পদত্যাগের পর, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সিনেটর এবং কূটনীতিক বিল রিচার্ডসন বলেছেন, গত সোমবার কথা কাটাকাটির সময় রাগে ফেটে পড়ছিলেন অং সান সু চি। খবর বিবিসির। যে আন্তর্জাতিক প্যানেল থেকে বিল রিচার্ডসন পদত্যাগ করেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সেটি গঠন করেছিলেন অং সান সু চি নিজেই। সোমবার এক বৈঠকে চরম ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন রিচার্ডসন এবং সু চি।

রিচার্ডসন নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, সম্প্রতি বার্তা সংস্থার রয়টার্সের দুই সাংবাদিক আটক ও বিচারের প্রসঙ্গ তুলতেই সু চি ‘রাগে ফেটে পড়েন’। ‘তার (সু চির) মুখ রাগে কাঁপছিল, আমি যদি তার হাতের নাগালে থাকতাম তিনি হয়তো আমাকে মেরেই বসতেন, এতটাই রেগে গিয়েছিলেন তিনি।’

রিচার্ডসন বলেন, মিডিয়া, মানবাধিকার বিভিন্ন সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সু চি যে ভাষায় আক্রমণ করছিলেন তাতে তিনি ‘হতভম্ব’ হয়ে পড়েছিলেন। ‘আমি তাকে পছন্দ করি, তাকে সম্মান করি। কিন্তু রাখাইন ইস্যুতে তিনি নেতৃত্বে দেয়ার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন।’

রিচার্ডসন বলেছেন, রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার দেয়ার মত মৌলিক ইস্যুতে তিনি মিয়ানমার সরকারের মধ্যে কোনো সততা দেখতে পাচ্ছিলেন না। রিচার্ডসনের বিরুদ্ধে অবশ্য পাল্টা অভিযোগ করেছে মিয়ানমার সরকার। সরকারের একজন মুখপাত্র বলেছেন, সু চির বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ চালিয়েছেন রিচার্ডসন।

আন্তর্জাতিক প্যানেলের একজন সদস্য খিন নিও বিবিসিকে বলেছেন, রয়টার্সের সাংবাদিকদের প্রসঙ্গটি সু চির সামনে না তোলার জন্য আগে থেকেই রিচার্ডসনকে সাবধান করা হয়েছিল।