ঢাকা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা থানা স্থাপনের সুপারিশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর গণহত্যা ও নির্যাতনের মুখে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কুতুপালংসহ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো নিয়ে আলাদা থানা স্থাপনের সুপারিশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে কুতুপালং ক্যাম্পসহ কক্সবাজারে অবস্থিত সব রোহিঙ্গা শরণার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ‘ফেন্সিং’ কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার সুপারিশ করেছে কমিটি। একইসঙ্গে কমিটি ওই এলাকায় বেষ্টনী দেওয়ারও সুপারিশ করেছে।

সংসদীয় কমিটির সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, ‘বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। আর্মড পুলিশ সেখানে কাজ করছে। কিন্তু এত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা খুবই কঠিন ব্যাপার। তাই আমরা রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় জন্য পুলিশের একটি আলাদা থানা স্থাপন করার সুপারিশ করেছি।’

এছাড়া বৈঠকে কক্সবাজারের বনাঞ্চল যাতে হুমকির মুখে না পড়ে, সেজন্য কমিটি রোহিঙ্গাদের রান্নার জন্য জ্বালানির ব্যবস্থা করার সুপারিশও করেছে।

সংসদীয় কমিটির সভাপতি টিপু মুনশির সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন, মো. ফরিদুল হক খান, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, ফখরুল ইমাম এবং কামরুন নাহার চৌধুরী অংশ নেন।

গত বছরের ২৫ আগস্ট রাখাইন নতুন করে সেনা অভিযান শুরুর পর এ পর্যন্ত সাড়ে ছয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমারে নিপীড়নের মুখে গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে আরও প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা থানা স্থাপনের সুপারিশ

আপডেট সময় ১১:০২:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর গণহত্যা ও নির্যাতনের মুখে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কুতুপালংসহ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো নিয়ে আলাদা থানা স্থাপনের সুপারিশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে কুতুপালং ক্যাম্পসহ কক্সবাজারে অবস্থিত সব রোহিঙ্গা শরণার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ‘ফেন্সিং’ কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার সুপারিশ করেছে কমিটি। একইসঙ্গে কমিটি ওই এলাকায় বেষ্টনী দেওয়ারও সুপারিশ করেছে।

সংসদীয় কমিটির সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, ‘বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। আর্মড পুলিশ সেখানে কাজ করছে। কিন্তু এত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা খুবই কঠিন ব্যাপার। তাই আমরা রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় জন্য পুলিশের একটি আলাদা থানা স্থাপন করার সুপারিশ করেছি।’

এছাড়া বৈঠকে কক্সবাজারের বনাঞ্চল যাতে হুমকির মুখে না পড়ে, সেজন্য কমিটি রোহিঙ্গাদের রান্নার জন্য জ্বালানির ব্যবস্থা করার সুপারিশও করেছে।

সংসদীয় কমিটির সভাপতি টিপু মুনশির সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন, মো. ফরিদুল হক খান, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, ফখরুল ইমাম এবং কামরুন নাহার চৌধুরী অংশ নেন।

গত বছরের ২৫ আগস্ট রাখাইন নতুন করে সেনা অভিযান শুরুর পর এ পর্যন্ত সাড়ে ছয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমারে নিপীড়নের মুখে গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে আরও প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা।