ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা সেই জামায়াত নেতাকে অব্যাহতি পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন রাষ্ট্রপতি জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহ্বান সালাহউদ্দিন আহমদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নতুন মোড়, ডাক পেতে পারে বাংলাদেশ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ ভোট চুরি ও কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে হাসিনার পরিণতি হবে, হুঁশিয়ারি হাসনাত আবদুল্লাহর পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না অন্তর্বর্তী সরকার : জ্বালানি উপদেষ্টা বাড়ি এসে তো দেখবে ছেলে-বউয়ের কবর, এই জামিন দিয়ে কী হবে: সাদ্দামের মা কারাবন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তারেক রহমানের জনসভাস্থলে নিরাপত্তা জোরদার

সুযোগ পেলেই জনগণ খালেদাকে ক্ষমতায় বসাবে: মোশাররফ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কোনো চক্রান্ত করলে তাদেরকে প্রতিহত করা হবে এমন হুঁশিয়ারি দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশারফ হোসেন বলেছেন, ‘বিএনপিকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু বিএনপিকে মুছে ফেলা যায় না। সুযোগ পেলে সাধারণ মানুষ বেগম খালেদা জিয়াকে ক্ষমতায় বসাবে। এবারও সুষ্ঠু নিবার্চন হলে তারা জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ভোট দেবে।’

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে জিয়া পরিষদ নামের একটি সংগঠন।

মোশাররফ বলেন, ‘আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে আওয়ামী লীগ ৩০-৪০ টার বেশি সিট পাবে না। এটা তাদের গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট, তাদের রিপোর্টে আরও আছে আওয়ামী লীগের সময় যতদিন যাবে ততদিন আরও আসনের পরিমাণ কমতে থাকবে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সাধারণ মানুষও জানে তাদের (আওয়ামী লীগ) জনপ্রিয়তা এখন শূন্যের কোটায় নেমে আসছে। এজন্যই তো সাধারণ সম্পাদক বলে বেড়াচ্ছেন ক্ষমতায় না এলে কোনো নেতার পিঠের চামড়া থাকবে না।’

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে এই সরকার ভয় পায়। কারণ সব ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ ব্যর্থ, সে জায়গায় বিএনপি প্রতিটি ক্ষেত্রে সফল হয়েছে। এজন্য ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসনসহ নেতাকর্মীদের মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।’

খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনোভাবেই এই গণতন্ত্র হত্যাকারী অবৈধ সরকারের অধীনে হবে না, হতে দেয়া যাবে না। একটি সুষ্ঠু অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের সব শর্ত পূরণ করেই দেশে নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিতে হবে, তাহলে দেশে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরাপক্ষ নির্বাচন সম্ভব।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘জিয়াউর রহমান স্বৈরাচারকে ধ্বংস করে এদেশের মাটিতে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আওয়ামী লীগের ধর্ম হলো গণতন্ত্রকে হত্যা করা, এর আগে আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে ততবার তারা স্বৈরাচারী ও জোরপূর্বক ক্ষমতা ধরে রাখতে চেয়েছে।’

আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামছুজ্জামান দুদু বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সংবিধানের অধীনে নির্বাচন চায়। কিন্তু আওয়ামী লীগ তো সংবিধানই মানে না, কীভাবে সংবিধান মতো নির্বাচন হবে। খালেদা জিয়া কোর্টে যাবেন, তিনি একজন দেশের জনপ্রিয় নেত্রী, তার পেছনে হাজার হাজার নেতাকর্মী থাকবে। সেখান থেকে শাবকের মতো তুলে নিয়ে যাচ্ছেন, সভা সমাবেশ করতে দিচ্ছেন না। তাহলে সংবিধান মানলেন কীভাবে? ৯১ সালে তো সংবিধান মতো নির্বাচন হয়নি। নির্বাচন করে সেটাকে সাংবিধানিক বৈধতা দেয়া হয়েছিল।’

দুদু বলেন, ‘এরশাদ বলেন বেগম জিয়াকে নির্বাচন করতেই হবে। গ্রামে একটা কথা আছে, ঠেলার নাম বাবাজি। দেশে ইলেকশন হবে, কিন্তু সেই নির্বাচনে শেখ হাসিনা থাকবেন না। সাজানো কোনো ইলেকশনে বিএনপি অংশ নেবে না। বিএনপি বাঘের বাচ্চা, জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল। সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি আদায় করেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা সেই জামায়াত নেতাকে অব্যাহতি

সুযোগ পেলেই জনগণ খালেদাকে ক্ষমতায় বসাবে: মোশাররফ

আপডেট সময় ১১:০০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কোনো চক্রান্ত করলে তাদেরকে প্রতিহত করা হবে এমন হুঁশিয়ারি দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশারফ হোসেন বলেছেন, ‘বিএনপিকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু বিএনপিকে মুছে ফেলা যায় না। সুযোগ পেলে সাধারণ মানুষ বেগম খালেদা জিয়াকে ক্ষমতায় বসাবে। এবারও সুষ্ঠু নিবার্চন হলে তারা জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ভোট দেবে।’

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে জিয়া পরিষদ নামের একটি সংগঠন।

মোশাররফ বলেন, ‘আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে আওয়ামী লীগ ৩০-৪০ টার বেশি সিট পাবে না। এটা তাদের গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট, তাদের রিপোর্টে আরও আছে আওয়ামী লীগের সময় যতদিন যাবে ততদিন আরও আসনের পরিমাণ কমতে থাকবে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সাধারণ মানুষও জানে তাদের (আওয়ামী লীগ) জনপ্রিয়তা এখন শূন্যের কোটায় নেমে আসছে। এজন্যই তো সাধারণ সম্পাদক বলে বেড়াচ্ছেন ক্ষমতায় না এলে কোনো নেতার পিঠের চামড়া থাকবে না।’

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে এই সরকার ভয় পায়। কারণ সব ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ ব্যর্থ, সে জায়গায় বিএনপি প্রতিটি ক্ষেত্রে সফল হয়েছে। এজন্য ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসনসহ নেতাকর্মীদের মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।’

খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনোভাবেই এই গণতন্ত্র হত্যাকারী অবৈধ সরকারের অধীনে হবে না, হতে দেয়া যাবে না। একটি সুষ্ঠু অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের সব শর্ত পূরণ করেই দেশে নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিতে হবে, তাহলে দেশে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরাপক্ষ নির্বাচন সম্ভব।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘জিয়াউর রহমান স্বৈরাচারকে ধ্বংস করে এদেশের মাটিতে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আওয়ামী লীগের ধর্ম হলো গণতন্ত্রকে হত্যা করা, এর আগে আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে ততবার তারা স্বৈরাচারী ও জোরপূর্বক ক্ষমতা ধরে রাখতে চেয়েছে।’

আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামছুজ্জামান দুদু বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সংবিধানের অধীনে নির্বাচন চায়। কিন্তু আওয়ামী লীগ তো সংবিধানই মানে না, কীভাবে সংবিধান মতো নির্বাচন হবে। খালেদা জিয়া কোর্টে যাবেন, তিনি একজন দেশের জনপ্রিয় নেত্রী, তার পেছনে হাজার হাজার নেতাকর্মী থাকবে। সেখান থেকে শাবকের মতো তুলে নিয়ে যাচ্ছেন, সভা সমাবেশ করতে দিচ্ছেন না। তাহলে সংবিধান মানলেন কীভাবে? ৯১ সালে তো সংবিধান মতো নির্বাচন হয়নি। নির্বাচন করে সেটাকে সাংবিধানিক বৈধতা দেয়া হয়েছিল।’

দুদু বলেন, ‘এরশাদ বলেন বেগম জিয়াকে নির্বাচন করতেই হবে। গ্রামে একটা কথা আছে, ঠেলার নাম বাবাজি। দেশে ইলেকশন হবে, কিন্তু সেই নির্বাচনে শেখ হাসিনা থাকবেন না। সাজানো কোনো ইলেকশনে বিএনপি অংশ নেবে না। বিএনপি বাঘের বাচ্চা, জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল। সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি আদায় করেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’