ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে আ.লীগ ছাড়লেন চেয়ারম্যানসহ ৯ ইউপি সদস্য ১৬ জুলাই ঘিরে গোপালগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন মালয়েশিয়ায় ইসরাইলি নাগরিক শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গেই বহিষ্কার আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার:প্রধানমন্ত্রী অহংকারী মনোভাব বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকারের বসা উচিত:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ২৬ কার্যদিবসের বাজেট অধিবেশন সমাপ্ত, ১০ সরকারি বিল পাস এমপিরা পৃষ্ঠপোষক না হলে দুর্নীতি কানে ধরে বিদায় নেবে:সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা

এক দশকের মহাসচিবকে স্মরণ করল না বিএনপি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বামপন্থী রাজনীতি থেকে বিএনপির ডাকসাইটে নেতা। কিন্তু জীবনের শেষভাবে রাজনীতির চালের ভুলে নিজ দলে অপাংক্তেয় হয়ে গেলেন মান্নান ভুঁইয়া। সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ১১ বছরের মহাসচিবকে স্মরণই করল না বিএনপি।২০১০ সালের ২৮ জুলাই ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান মান্নান ভুঁইয়া। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বিএনপিতে সংস্কারের আওয়াজ তুলে ব্যর্থ হওয়ার পর তাকে ছুড়ে ফেলে দেয় ৩০ বছরের দল। আর এরপর থেকে মান্নান ভুঁইয়াকে স্মরণের চেষ্টাও করেনি তারা। সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতেও প্রয়াত নেতার কোনো মূল্যায়ন করেনি বিএনপি।মান্নান ভুঁইয়ার মৃত্যুবার্ষিকী পারিবারিকভাবে এবং আঞ্চলিকভাবে মান্নান ভূইয়া স্মৃতি পরিষদের ব্যানারে নরসিংদীদে পালিত হয়েছে।

বিএনপিতে প্রয়াত এই নেতার দিন শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তার অনুসারীর সংখ্যা নেহায়েত কম না। এমনকি তার সঙ্গে সংস্কারপন্থি তকমা পাওয়া বহু নেতাও এখন ভিড়ে গেছেন মূল ধারায়। বিএনপি থেকে দূরে সরে যাওয়া সংস্কারপন্থিদেরকে দলে ফিরিয়ে আনতে তৎপর হয়েছেন খোদ চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তবু অনাকাঙ্ক্ষিত নেতা হিসেবেই রয়ে গেলেন মান্নান ভুঁইয়া।বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শীর্ষ নেতৃত্বের রোষাণলে পড়ার ভয়ে মান্নান ভুইয়ার মৃত্যুবার্ষিকী নিয়ে তাঁর এক সময়ের ঘনিষ্ঠজনরাও কথা বলছেন না। কারণ, সংস্কারের সঙ্গে জড়িত থাকায় মৃত্যুর পর বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া তার লাশও দেখতে যাননি। তাই এরপর থেকে বিএনপি নেতারা এখন মান্নান ভূঁইয়ার পরিবারের সঙ্গেও প্রকাশ্যে যোগাযোগ রাখেন না।

প্রয়াত নেতাকে স্মরণের কোনো আনুষ্ঠানিকতা না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশররফ হোসেন দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘বিএনপি কেন কর্মসূচি দেয়নি সে বিষয়ে আমি বলতে পারব না। তবে আজকে যে মান্নান ভুঁইয়ারর মৃত্যুবার্ষিকী ছিল সেটা আমার খেয়াল ছিল না।’ ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন মান্নান ভূঁইয়া। ছাত্র ইউনিয়ন দিয়ে তার ছাত্র রাজনীতির যাত্রা শুরু। ১৯৬৪ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের (মেনন) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।

ছাত্রজীবন শেষে মান্নান ভূঁইয়া মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ এ যোগ দেন। তিনি মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তান কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন দীর্ঘদিন। ন্যাপ থেকে মান্নান ভূঁইয়া ১৯৭৮ সালে ইউনাটেড পিপলস পার্টির (ইউপিপি) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে ১৯৮০ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৮৮ সালে মান্নান ভূঁইয়া বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হন। ১৯৯৬ সালের ২৬ জুন খালেদা জিয়া তাকে দলের মহাসচিব মনোনীত করেন। টানা ১১ বছর তিনি এই পদে ছিলেন।সবশেষ ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ছিলেন। তিনি নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা নেয়ার পর আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া দলে সংস্কারের ডাক দেন। এ সময় বিএনপির একটি বড় অংশ তার সঙ্গে ছিল। তিনি তার অনুসারীদের নিয়ে ২০০৭ সালের ২৫ জুন তুলেন সংস্কার প্রস্তাব, যাতে এক নেতা টানা দুই বারের বেশি চেয়ারপারসন থাকতে পারবেন না বলে বলা হয়। কার্যত খালেদা জিয়ার যুগ শেষ হয়ে যেত এই প্রস্তাব কার্যকর হলে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, সম্পাদকসহ ১০৪ জন সংসদ সদস্য তার এই প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নেন। তাদের মধ্যে এম সাইফুর রহমান, সাবেক সেনা প্রধান মাহবুবুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, ওসমান ফারুক, সাদেক হোসেন খোকা, সেলিমা রহমান, ইনাম আহম্মেদ চৌধুরী, মোফাজ্জল করিম, আশরাফ হোসেন, জেড এ খান, জিয়াউল হক মোল্লা, রেজাউল বারী ডিনা, কামরুল ইসলাম, মফিকুল হাসান তৃপ্তি, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, জহির উদ্দিন স্বপন ও আব্দুস সালাম, মাসুদ অরুণ ছিলেন অন্যতম।২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের পর এসব নেতাদের মধ্যে অধিকাংশ নেতা আবার মান্নান ভূঁইয়াকে ছেড়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব স্বীকার করে নেন।

সংস্কারপন্থীরা খালেদা জিয়ার নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে সংস্কারপন্থী বিএনপি নামে একটি কমিটিও করেছিলেন। ওই কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান এবং মহাসচিব ছিলেন হাফিজউদ্দিন আহমেদ। এসব নেতারা খালেদা জিয়ার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় পর্যন্ত দখল করেছিলেন।

২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বরে খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার সময় মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া ও যুগ্ম মহাসচিব আশরাফ হোসেনকে দল থেকে বহিষ্কার করেন।মান্নান ভূঁইয়া ১৯৪৩ সালের ১ মার্চ নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার মাছিমপুর গ্রামে জন্ম নেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

এক দশকের মহাসচিবকে স্মরণ করল না বিএনপি

আপডেট সময় ০৫:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বামপন্থী রাজনীতি থেকে বিএনপির ডাকসাইটে নেতা। কিন্তু জীবনের শেষভাবে রাজনীতির চালের ভুলে নিজ দলে অপাংক্তেয় হয়ে গেলেন মান্নান ভুঁইয়া। সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ১১ বছরের মহাসচিবকে স্মরণই করল না বিএনপি।২০১০ সালের ২৮ জুলাই ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান মান্নান ভুঁইয়া। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বিএনপিতে সংস্কারের আওয়াজ তুলে ব্যর্থ হওয়ার পর তাকে ছুড়ে ফেলে দেয় ৩০ বছরের দল। আর এরপর থেকে মান্নান ভুঁইয়াকে স্মরণের চেষ্টাও করেনি তারা। সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতেও প্রয়াত নেতার কোনো মূল্যায়ন করেনি বিএনপি।মান্নান ভুঁইয়ার মৃত্যুবার্ষিকী পারিবারিকভাবে এবং আঞ্চলিকভাবে মান্নান ভূইয়া স্মৃতি পরিষদের ব্যানারে নরসিংদীদে পালিত হয়েছে।

বিএনপিতে প্রয়াত এই নেতার দিন শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তার অনুসারীর সংখ্যা নেহায়েত কম না। এমনকি তার সঙ্গে সংস্কারপন্থি তকমা পাওয়া বহু নেতাও এখন ভিড়ে গেছেন মূল ধারায়। বিএনপি থেকে দূরে সরে যাওয়া সংস্কারপন্থিদেরকে দলে ফিরিয়ে আনতে তৎপর হয়েছেন খোদ চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তবু অনাকাঙ্ক্ষিত নেতা হিসেবেই রয়ে গেলেন মান্নান ভুঁইয়া।বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শীর্ষ নেতৃত্বের রোষাণলে পড়ার ভয়ে মান্নান ভুইয়ার মৃত্যুবার্ষিকী নিয়ে তাঁর এক সময়ের ঘনিষ্ঠজনরাও কথা বলছেন না। কারণ, সংস্কারের সঙ্গে জড়িত থাকায় মৃত্যুর পর বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া তার লাশও দেখতে যাননি। তাই এরপর থেকে বিএনপি নেতারা এখন মান্নান ভূঁইয়ার পরিবারের সঙ্গেও প্রকাশ্যে যোগাযোগ রাখেন না।

প্রয়াত নেতাকে স্মরণের কোনো আনুষ্ঠানিকতা না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশররফ হোসেন দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘বিএনপি কেন কর্মসূচি দেয়নি সে বিষয়ে আমি বলতে পারব না। তবে আজকে যে মান্নান ভুঁইয়ারর মৃত্যুবার্ষিকী ছিল সেটা আমার খেয়াল ছিল না।’ ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন মান্নান ভূঁইয়া। ছাত্র ইউনিয়ন দিয়ে তার ছাত্র রাজনীতির যাত্রা শুরু। ১৯৬৪ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের (মেনন) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।

ছাত্রজীবন শেষে মান্নান ভূঁইয়া মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ এ যোগ দেন। তিনি মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তান কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন দীর্ঘদিন। ন্যাপ থেকে মান্নান ভূঁইয়া ১৯৭৮ সালে ইউনাটেড পিপলস পার্টির (ইউপিপি) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে ১৯৮০ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৮৮ সালে মান্নান ভূঁইয়া বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হন। ১৯৯৬ সালের ২৬ জুন খালেদা জিয়া তাকে দলের মহাসচিব মনোনীত করেন। টানা ১১ বছর তিনি এই পদে ছিলেন।সবশেষ ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ছিলেন। তিনি নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা নেয়ার পর আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া দলে সংস্কারের ডাক দেন। এ সময় বিএনপির একটি বড় অংশ তার সঙ্গে ছিল। তিনি তার অনুসারীদের নিয়ে ২০০৭ সালের ২৫ জুন তুলেন সংস্কার প্রস্তাব, যাতে এক নেতা টানা দুই বারের বেশি চেয়ারপারসন থাকতে পারবেন না বলে বলা হয়। কার্যত খালেদা জিয়ার যুগ শেষ হয়ে যেত এই প্রস্তাব কার্যকর হলে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, সম্পাদকসহ ১০৪ জন সংসদ সদস্য তার এই প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নেন। তাদের মধ্যে এম সাইফুর রহমান, সাবেক সেনা প্রধান মাহবুবুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, ওসমান ফারুক, সাদেক হোসেন খোকা, সেলিমা রহমান, ইনাম আহম্মেদ চৌধুরী, মোফাজ্জল করিম, আশরাফ হোসেন, জেড এ খান, জিয়াউল হক মোল্লা, রেজাউল বারী ডিনা, কামরুল ইসলাম, মফিকুল হাসান তৃপ্তি, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, জহির উদ্দিন স্বপন ও আব্দুস সালাম, মাসুদ অরুণ ছিলেন অন্যতম।২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের পর এসব নেতাদের মধ্যে অধিকাংশ নেতা আবার মান্নান ভূঁইয়াকে ছেড়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব স্বীকার করে নেন।

সংস্কারপন্থীরা খালেদা জিয়ার নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে সংস্কারপন্থী বিএনপি নামে একটি কমিটিও করেছিলেন। ওই কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান এবং মহাসচিব ছিলেন হাফিজউদ্দিন আহমেদ। এসব নেতারা খালেদা জিয়ার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় পর্যন্ত দখল করেছিলেন।

২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বরে খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার সময় মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া ও যুগ্ম মহাসচিব আশরাফ হোসেনকে দল থেকে বহিষ্কার করেন।মান্নান ভূঁইয়া ১৯৪৩ সালের ১ মার্চ নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার মাছিমপুর গ্রামে জন্ম নেন।