অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় কৃষকদের জন্য শস্যবিমা চালুর কোনো পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় শস্যবিমা চালুর ক্ষেত্রে কৃষকদের প্রদেয় প্রিমিয়ামের সাকুল্য কিংবা অংশ বিশেষ সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া হলে এবং পরবর্তী সময়ে কোনো কারণে বিমা সুবিধা সংকুচিত করা হলে মাঠ পর্যায়ে এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আবদুল মতিনের এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষির একটি নিজস্বতা তৈরি হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল রক্ষা করতে কৃষক যতটা উদ্যোগী হয়, বিমা ব্যবস্থা চালু হলে কৃষক ততটা উদ্যোগী নাও হতে পারে।’ এই বিমার ফলে ফসল উৎপাদন কমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ হুমকিতে পড়তে পারে বলে মনে করেন তিনি।
সরকারি দলের সংসদ সদস্য শামসুল হক চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের কৃষি অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে ভরণ-পোষণ পর্যায় থেকে বাণিজ্যিক পর্যায়ে রূপান্তরের দ্বারপ্রান্তে। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখার জন্য সরকার সারে ভর্তুকি দিয়ে থাকে। এছাড়া খামার যান্ত্রিকীকরণকে উৎসাহ দিতে সরকার একটি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়ের সময় ভর্তুকি দেয়। সরকার নির্ধারিত মূল্যে ডিলারদের কাছ থেকে কৃষকরা সার ক্রয় করে থাকেন।’
সরকারি দলের আরেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের প্রশ্নের জবাবে মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কৃষকের দুয়ারে সার প্রাপ্তি নিশ্চিত করেছে। সারের ক্রয়মূল্য চার দফায় কমিয়ে সুষম সার ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া বিএডিসির মাধ্যমে বিভিন্ন ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাতের মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন করে ন্যায্যমূল্যে কৃষক পর্যায়ে সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।’
আকাশ নিউজ ডেস্ক 




















