ঢাকা ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চীন ও মালয়েশিয়া ঐকমত্য পোষণ করেছে: মাহদী আমিন ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা ফ্যামিলি কার্ড আপনাকে খুঁজতে হবে না, পৌঁছে যাবে আপনার দোরগোড়ায়’ মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর চট্টগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের বাংলাদেশ একদিন বিশ্বকাপে খেলবে: আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেশবাসীকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের শুভেচ্ছা টাঙ্গাইলে ‘জনতার সংযোগ’ কার্যক্রমের উদ্বোধন বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে সরকার: আমান উল্লাহ আমান

তুলে নিয়ে বিয়ে: সেই ডিআইজি মিজান প্রত্যাহার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে এক নারীকে বিয়ে করার অভিযোগ ওঠার পর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনারের (ক্রাইম অ্যান্ড অবস্) পদ থেকে মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে একটি অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখন পুলিশ সপ্তাহ চলছে। এটা শেষ হলে ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এক নারী এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তুলে নিয়ে বিয়ে করার অভিযোগ তুলেন। ওই নারী একটি সংবাদপত্রকে বলেন, পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালের কাছে তার বাসা। সেখান থেকে কৌশলে গত বছরের জুলাই মাসে তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা মিজান। পরে বেইলি রোডের মিজানের বাসায় নিয়ে তিনদিন আটকে রাখা হয়েছিল তাকে।

ওই নারী দাবি করেছেন, আটকে রাখার পর বগুড়া থেকে তার মা’কে ১৭ জুলাই ডেকে আনা হয় এবং ৫০ লাখ টাকা কাবিননামায় মিজানকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। পরে লালমাটিয়ার একটি ভাড়া বাড়িতে তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে রাখেন ইতোপূর্বে বিবাহিত মিজান।

এই নারীর অভিযোগ, কয়েক মাস কোনো সমস্যা না হলেও ফেসবুকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে একটি ছবি তোলার পর ক্ষিপ্ত হন মিজান। ভাঙচুর একটি মামলা দিয়ে তাকে গত ১২ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়। সেই মামলায় জামিন পাওয়ার পর মিথ্যা কাবিননামা তৈরির অভিযোগে আরেকটি মামলা করানো হয়। দুটি মামলায় জামিনে বেরিয়ে আসার পর পুলিশ কর্মকর্তা মিজানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলেন ওই নারী।

তবে ডিআইজি মিজানুর রহমান দাবি করেছেন তার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি ওই নারীকে প্রতারক হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চীন ও মালয়েশিয়া ঐকমত্য পোষণ করেছে: মাহদী আমিন

তুলে নিয়ে বিয়ে: সেই ডিআইজি মিজান প্রত্যাহার

আপডেট সময় ১১:২২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে এক নারীকে বিয়ে করার অভিযোগ ওঠার পর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনারের (ক্রাইম অ্যান্ড অবস্) পদ থেকে মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে একটি অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখন পুলিশ সপ্তাহ চলছে। এটা শেষ হলে ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এক নারী এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তুলে নিয়ে বিয়ে করার অভিযোগ তুলেন। ওই নারী একটি সংবাদপত্রকে বলেন, পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালের কাছে তার বাসা। সেখান থেকে কৌশলে গত বছরের জুলাই মাসে তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা মিজান। পরে বেইলি রোডের মিজানের বাসায় নিয়ে তিনদিন আটকে রাখা হয়েছিল তাকে।

ওই নারী দাবি করেছেন, আটকে রাখার পর বগুড়া থেকে তার মা’কে ১৭ জুলাই ডেকে আনা হয় এবং ৫০ লাখ টাকা কাবিননামায় মিজানকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। পরে লালমাটিয়ার একটি ভাড়া বাড়িতে তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে রাখেন ইতোপূর্বে বিবাহিত মিজান।

এই নারীর অভিযোগ, কয়েক মাস কোনো সমস্যা না হলেও ফেসবুকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে একটি ছবি তোলার পর ক্ষিপ্ত হন মিজান। ভাঙচুর একটি মামলা দিয়ে তাকে গত ১২ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়। সেই মামলায় জামিন পাওয়ার পর মিথ্যা কাবিননামা তৈরির অভিযোগে আরেকটি মামলা করানো হয়। দুটি মামলায় জামিনে বেরিয়ে আসার পর পুলিশ কর্মকর্তা মিজানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলেন ওই নারী।

তবে ডিআইজি মিজানুর রহমান দাবি করেছেন তার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি ওই নারীকে প্রতারক হিসেবে আখ্যায়িত করেন।