অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনাকে নতুন বছরের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে গণতন্ত্রকে মুক্ত করবে নতুন বছরে।
সোমবার বিকালে শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। দলটির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে তিনি জিয়ার সমাধিতে ফুল দিতে গিয়েছিলেন।
নতুন বছরে বিএনপির চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জানতে চাইলে ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ বছরের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।’
আরেক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমরা বলেছি ২০১৮ সাল জনগণের বছর, গণতন্ত্রের বছর, বিজয়ের বছর। জনগণই সেটা প্রতিষ্ঠিত করবে।’
তারা সব সময় সংলাপ চেয়েছেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা মনে করি, সংলাপ ছাড়া কোনো সমস্যার সমাধান হবে না। কিন্তু সরকার একদলীয় শাসনব্যবস্থা পাকাপোক্ত করতে কোনো আলোচনা ছাড়াই তথাকথিক সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন করতে চায়।’ তিনি বলেন, ‘মানুষ এটা মেনে নেবে না। এ দেশের মানুষ মনে করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ছাড়া নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।’
৫ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের জন্য বিএনপি অনুমতি চেয়েছে। এরই মধ্যে একটি ইসলামি দলকে সেখানে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ফখরুল বলেন, ‘পত্রিকায় এসেছে একটা অপরিচিত নাম-গোত্রহীন ইসলামি পার্টিকে সেদিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এতেই প্রমাণিত হয় এই সরকার আসলে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। ভবিষ্যতে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করার সব উদ্যোগকে বাধা দিচ্ছে।’
ছাত্রদলের পক্ষ থেকে সারা দেশের মানুষকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব প্রত্যাশা করেন, নতুন বছরে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে ছাত্রদল গণতন্ত্রকে মুক্ত করবে। ছাত্রদের আরও সুসংগঠিত করে তাদের সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হবে তারা।
এ সময় তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে পুলিশি হামলার অভিযোগ করে এর নিন্দা জানান।
ফখরুলের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ছাত্রদলের সভাপতি রাজীব আহসান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন, সহ-সভাপতি আজমল হোসেন পাইলট, নাজমুল হাসান, আবু আতিক আল হাসান মিন্টু, যুগ্ম সম্পাদক কাজী মোকতার হোসেন, দফতর সম্পাদক আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী, মিনহাজুল ইসলাম ভুইয়াসহ কেন্দ্রীয় ছাত্রদল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, উত্তর, পূর্ব, পশ্চিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, বাঙলা কলেজসহ রাজধানীর বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















