ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘আবরার ফাহাদ’ নামে হল নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব: শিক্ষামন্ত্রী সীমান্তে বিজিবি এখন সাহস ফিরে পেয়েছে: রাশেদ খান জনবান্ধব নয় গরিবের ওপর চাপানো বাজেট:সংসদে রফিকুল ইসলাম খান বুয়েটকে বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: মাহদী আমিন সাবেক এমপি নুর মোহাম্মদ আটক যেপথে গেছেন শেখ হাসিনা, সেপথে যাবেন তারেক রহমান: মামুনুল হক চাঁদাবাজির সাজা এখন মুচলেকা: সংসদে জামায়াতের টিপ্পনি কক্সবাজার যাওয়ার পথে রেস্টুরেন্টে ফেলে যাওয়া শিশু ফিরে পেল পাকিস্তানি পরিবার ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায় বদির অনুপস্থিতিতে মাদকের ‘দায়িত্বে’ কে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাইলেন গয়েশ্বর

আমাদের নতুন প্রজন্ম মেধায় দরিদ্র নয়: শিক্ষামন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বের কাছে অন্যান্য দিক দিয়ে গরিব হলেও মেধার দিক দিয়ে আমাদের নতুন প্রজন্ম কোনো অংশে গরিব নয়। বিশ্বমানের মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।’ সোমবার রাজধানীর আজিমপুর গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজিত পাঠ্যপুস্তক উৎসব ২০১৮ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

এই বছর প্রায় সাড়ে ৩৫ কোটি বই শিক্ষার্থীদের মাঝে পৌঁছানো হয়েছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ২০০৯ সাল থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে বই তুলে দিয়ে আসছি। ২০০৯ সালে আমাদের বিনামূল্যে বই দেয়ার লক্ষ্য নস্যাৎ করতে বই পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। এরপরও আমরা দমে যাইনি। ২০১০ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত আমরা সর্বমোট ২৬০ কোটি ৮৫ লাখ ৯১ হাজার ২৯০টি বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দিয়েছি। আমরা বিশ্বের অনেক দিকে পিছিয়ে থাকলেও শিক্ষার দিকে দুনিয়ার অন্যান্য সব দেশ থেকে এগিয়ে গিয়েছি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এই বছর প্রায় সাড়ে ৩৫ কোটি বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দিয়েছি। সারাদেশের প্রায় সাড়ে চার কোটি শিক্ষার্থী এই বই হাতে পেয়েছে। আমরা দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য উপযোগী করে বই করেছি। এছাড়াও আমরা বইয়ের লেখাগুলো কানে শোনার জন্য ছোট যন্ত্র তৈরি করে তাদের হাতে পৌঁছে দিয়েছি। এবছর আমরা ৯৬৩ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর জন্য আট হাজার ৪৬৫টি বই তাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। সারাদেশে এই বই পৌঁছে দেয়ার জন্য আমরা ১৬ হাজার ৪১৬টি ট্রাক পাঠিয়েছি।’

নাহিদ বলেন, ‘আমরা আমাদের দেশের চারটি নৃ-গোষ্ঠীদের জন্য গতবারের মতো এবারও তাদের হাতে বই পৌঁছে দিয়েছি। আমরা এবার তাদের নিজস্ব ভাষায় বই তৈরি করে তাদের হাতে পৌঁছে দিয়েছি। এই বছর দেশের সেরা শিক্ষাবিদদের নিয়ে মাধ্যমিকের জন্য নতুন ১২টি বই তৈরি করেছি। এছাড়াও আমরা আধুনিক পদ্ধতিতে ভালো চার রঙের কাগজে বই ছাপিয়েছি। এই বই ছাপানোর কাজে ৯৮ হাজার ২২৪ জন শ্রমিক কাজ করেছেন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আবরার ফাহাদ’ নামে হল নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব: শিক্ষামন্ত্রী

আমাদের নতুন প্রজন্ম মেধায় দরিদ্র নয়: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:১৭:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বের কাছে অন্যান্য দিক দিয়ে গরিব হলেও মেধার দিক দিয়ে আমাদের নতুন প্রজন্ম কোনো অংশে গরিব নয়। বিশ্বমানের মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।’ সোমবার রাজধানীর আজিমপুর গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজিত পাঠ্যপুস্তক উৎসব ২০১৮ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

এই বছর প্রায় সাড়ে ৩৫ কোটি বই শিক্ষার্থীদের মাঝে পৌঁছানো হয়েছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ২০০৯ সাল থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে বই তুলে দিয়ে আসছি। ২০০৯ সালে আমাদের বিনামূল্যে বই দেয়ার লক্ষ্য নস্যাৎ করতে বই পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। এরপরও আমরা দমে যাইনি। ২০১০ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত আমরা সর্বমোট ২৬০ কোটি ৮৫ লাখ ৯১ হাজার ২৯০টি বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দিয়েছি। আমরা বিশ্বের অনেক দিকে পিছিয়ে থাকলেও শিক্ষার দিকে দুনিয়ার অন্যান্য সব দেশ থেকে এগিয়ে গিয়েছি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এই বছর প্রায় সাড়ে ৩৫ কোটি বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দিয়েছি। সারাদেশের প্রায় সাড়ে চার কোটি শিক্ষার্থী এই বই হাতে পেয়েছে। আমরা দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য উপযোগী করে বই করেছি। এছাড়াও আমরা বইয়ের লেখাগুলো কানে শোনার জন্য ছোট যন্ত্র তৈরি করে তাদের হাতে পৌঁছে দিয়েছি। এবছর আমরা ৯৬৩ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর জন্য আট হাজার ৪৬৫টি বই তাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। সারাদেশে এই বই পৌঁছে দেয়ার জন্য আমরা ১৬ হাজার ৪১৬টি ট্রাক পাঠিয়েছি।’

নাহিদ বলেন, ‘আমরা আমাদের দেশের চারটি নৃ-গোষ্ঠীদের জন্য গতবারের মতো এবারও তাদের হাতে বই পৌঁছে দিয়েছি। আমরা এবার তাদের নিজস্ব ভাষায় বই তৈরি করে তাদের হাতে পৌঁছে দিয়েছি। এই বছর দেশের সেরা শিক্ষাবিদদের নিয়ে মাধ্যমিকের জন্য নতুন ১২টি বই তৈরি করেছি। এছাড়াও আমরা আধুনিক পদ্ধতিতে ভালো চার রঙের কাগজে বই ছাপিয়েছি। এই বই ছাপানোর কাজে ৯৮ হাজার ২২৪ জন শ্রমিক কাজ করেছেন।’