ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

খুলনায় ধর্ষণ মামলায় পুলিশ কনস্টেবল কারাগারে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা নগরীর খালিশপুর মুজগুন্নী পার্কে ঘুরতে আসা এক গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার পুলিশ কনস্টেবল মিরাজ উদ্দিনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে মহানগর হাকিম মো. আমিরুল ইসলাম আসামিকে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।

ধর্ষণের শিকার সাতক্ষীরার দেবহাটা সখিপুরের ওই গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তবে ধর্ষণের স্থান নগরীর গল্লামারীস্থ চৌধুরী আবাসিক হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন উঠছে। তবে কনস্টেবল মিরাজের পরিবার দাবি, খালিশপুর থানা পুলিশের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে মিরাজকে ফাঁসানো হয়েছে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী থেকে জানা গেছে, গত ২০ ডিসেম্বর সাতক্ষীরার পাঁচ বছরের শিশু মেয়েকে নিয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে খুলনায় হাসপাতাল পাড়ার মামার বাড়িতে বেড়াতে আসেন ওই গৃহবধূ। ২৬ডিসেম্বর বিকালে তার স্বামীর বন্ধু সেলিমের সঙ্গে নগরীর মুজগুন্নী পার্কে বেড়াতে যান।

পার্ক থেকে সন্ধ্যার দিকে বের হয়ে ইজিবাইকে ওঠার সময় মোটরসাইকেল যোগে পুলিশ কনস্টেবল মিরাজ উদ্দিন এসে তাদের পথ রোধ করে। এরপর মোবাইল ফোনে ওই গৃহবধূ ও সেলিমের ছবি ধারণ করে তার স্বামীর কাছে পাঠানোর ভয় দেখান।

এসময় সেলিমের কাছে থাকা দুই হাজার দুইশ টাকা মিরাজকে দেয়া হয়। কিন্তু মিরাজ ওই গৃহবধূকে তার মোটরসাইকেলে নিয়ে গল্লামারীর চৌধুরী আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসিম খান জানান, মামলার তদন্ত চলছে। তদন্তকালে জড়িত আরও যদি কারও নাম উঠে আসে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

খুলনায় ধর্ষণ মামলায় পুলিশ কনস্টেবল কারাগারে

আপডেট সময় ১২:০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা নগরীর খালিশপুর মুজগুন্নী পার্কে ঘুরতে আসা এক গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার পুলিশ কনস্টেবল মিরাজ উদ্দিনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে মহানগর হাকিম মো. আমিরুল ইসলাম আসামিকে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।

ধর্ষণের শিকার সাতক্ষীরার দেবহাটা সখিপুরের ওই গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তবে ধর্ষণের স্থান নগরীর গল্লামারীস্থ চৌধুরী আবাসিক হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন উঠছে। তবে কনস্টেবল মিরাজের পরিবার দাবি, খালিশপুর থানা পুলিশের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে মিরাজকে ফাঁসানো হয়েছে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী থেকে জানা গেছে, গত ২০ ডিসেম্বর সাতক্ষীরার পাঁচ বছরের শিশু মেয়েকে নিয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে খুলনায় হাসপাতাল পাড়ার মামার বাড়িতে বেড়াতে আসেন ওই গৃহবধূ। ২৬ডিসেম্বর বিকালে তার স্বামীর বন্ধু সেলিমের সঙ্গে নগরীর মুজগুন্নী পার্কে বেড়াতে যান।

পার্ক থেকে সন্ধ্যার দিকে বের হয়ে ইজিবাইকে ওঠার সময় মোটরসাইকেল যোগে পুলিশ কনস্টেবল মিরাজ উদ্দিন এসে তাদের পথ রোধ করে। এরপর মোবাইল ফোনে ওই গৃহবধূ ও সেলিমের ছবি ধারণ করে তার স্বামীর কাছে পাঠানোর ভয় দেখান।

এসময় সেলিমের কাছে থাকা দুই হাজার দুইশ টাকা মিরাজকে দেয়া হয়। কিন্তু মিরাজ ওই গৃহবধূকে তার মোটরসাইকেলে নিয়ে গল্লামারীর চৌধুরী আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসিম খান জানান, মামলার তদন্ত চলছে। তদন্তকালে জড়িত আরও যদি কারও নাম উঠে আসে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।