ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি আরো বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে: ড. বদিউল আলম ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ‘ভারতে গিয়ে খেলার পরিবেশ নেই বাংলাদেশের :আসিফ নজরুল ‘ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত’: আব্বাস আরাঘচি চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্য কাইয়ুম হত্যা মামলায়, ১০ জনের যাবজ্জীবন

গুজরাটে বিজেপি’র জয়কে সাময়িক ও মুখ রক্ষার জয়: মমতা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতে গুজরাট ও হিমাচল প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হয়েছে। আজ (সোমবার) নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে দু’টি রাজ্যেই বিজেপি জয়ী হয়েছে।

গুজরাটে বিজেপি ক্ষমতায় থাকলেও হিমাচল প্রদেশে এতদিন কংগ্রেস ক্ষমতায় ছিল। সেখানে এবার কংগ্রেসকে পরাজিত করে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত বেসরকারি ফলে দেখা যাচ্ছে গুজরাটে মোট ১৮২ আসনের মধ্যে ৯৯ আসনে বিজেপি, কংগ্রেস ৮০ আসনে এবং অন্যরা ৩ আসনে এগিয়ে রয়েছে।

অন্যদিকে, হিমাচল প্রদেশে ৬৮ আসনের মধ্যে বিজেপি ৪৪, কংগ্রেস ২১ এবং অন্যরা ৩ আসনে এগিয়ে আছে। বিজেপি’র সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ ওই জয়কে গুজরাট ও হিমাচল প্রদেশের মানুষের জয় বলে অভিহিত করেছেন।

বিজেপি গুজরাটে দেড়শ’ আসনে জয়ের টার্গেট রাখলেও বেসরকারি ফল ঘোষণার পরে দেখা যাচ্ছে ওই সংখ্যার চেয়ে বিজেপি অনেক পিছিয়ে আছে। বিজপি’র জয় সম্পর্কে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেন, ‘গুজরাট ও হিমাচল প্রদেশের মানুষ রাহুল গান্ধীকে (কংগ্রেস সভাপতি) শিক্ষা দিয়েছে। আমি মনে করি, দলীয় সভাপতি হওয়ার পরে এটি রাহুল গান্ধীর প্রথম পরাজয়।’

অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেছেন, এই প্রথম বিজেপিকে তাদের নিজ রাজ্যকে দখলে রাখার জন্য মরিয়া প্রচেষ্টা চালাতে হয়েছে। গুজরাট মডেলকে সামনে রেখে মোদি ভারত দখল করলেও গুজরাটের মানুষদের কী গুজরাট মডেল পছন্দ না? দিল্লি থেকে গুজরাটে গিয়ে তিনি যেভাবে প্রচারে নেমেছিলেন, তাকে যেন মনে হচ্ছিল তিনি গুজরাটের প্রধানমন্ত্রী। যে নরেন্দ্র মোদি ২০০৪ সালে উন্নয়নের কথা বলে ভোট করলেন, তাকেই এবার উন্নয়ন নিয়ে একটি কথাও না বলে সেখানে জাতপাত, মিথ্যা প্রচার, অপবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ইত্যাদি নিয়ে অত্যন্ত নীচে নামতে হয়েছে!’

অন্যদিকে, গুজরাটের ফল প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেত্রী রেণুকা চৌধুরী বলেছেন, ‘রাহুলের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঘাম ছুটে গেছে। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনকে পিছিয়ে দিয়ে ১২/১৩ বার দেশের প্রধানমন্ত্রীকে সেখানে (গুজরাটে) ঘুরতে হয়েছে। আমরা একে পরজয় মনে করছি না। নৈতিকভাবে আমরাই জয়ী হয়েছি।’

এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী গুজরাটে বিজেপি’র জয়কে সাময়িক ও মুখ রক্ষার জয় বলে কটাক্ষ করেছেন। তিনি এই জয়কে বিজেপির নৈতিক পরাজয় বলে অভিহিত করেছেন। গুজরাটের মানুষ অত্যাচার, উদ্বেগ ও অবিচারের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে বলেও মমতা মন্তব্য করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা

গুজরাটে বিজেপি’র জয়কে সাময়িক ও মুখ রক্ষার জয়: মমতা

আপডেট সময় ০১:৩২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতে গুজরাট ও হিমাচল প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হয়েছে। আজ (সোমবার) নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে দু’টি রাজ্যেই বিজেপি জয়ী হয়েছে।

গুজরাটে বিজেপি ক্ষমতায় থাকলেও হিমাচল প্রদেশে এতদিন কংগ্রেস ক্ষমতায় ছিল। সেখানে এবার কংগ্রেসকে পরাজিত করে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত বেসরকারি ফলে দেখা যাচ্ছে গুজরাটে মোট ১৮২ আসনের মধ্যে ৯৯ আসনে বিজেপি, কংগ্রেস ৮০ আসনে এবং অন্যরা ৩ আসনে এগিয়ে রয়েছে।

অন্যদিকে, হিমাচল প্রদেশে ৬৮ আসনের মধ্যে বিজেপি ৪৪, কংগ্রেস ২১ এবং অন্যরা ৩ আসনে এগিয়ে আছে। বিজেপি’র সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ ওই জয়কে গুজরাট ও হিমাচল প্রদেশের মানুষের জয় বলে অভিহিত করেছেন।

বিজেপি গুজরাটে দেড়শ’ আসনে জয়ের টার্গেট রাখলেও বেসরকারি ফল ঘোষণার পরে দেখা যাচ্ছে ওই সংখ্যার চেয়ে বিজেপি অনেক পিছিয়ে আছে। বিজপি’র জয় সম্পর্কে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেন, ‘গুজরাট ও হিমাচল প্রদেশের মানুষ রাহুল গান্ধীকে (কংগ্রেস সভাপতি) শিক্ষা দিয়েছে। আমি মনে করি, দলীয় সভাপতি হওয়ার পরে এটি রাহুল গান্ধীর প্রথম পরাজয়।’

অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেছেন, এই প্রথম বিজেপিকে তাদের নিজ রাজ্যকে দখলে রাখার জন্য মরিয়া প্রচেষ্টা চালাতে হয়েছে। গুজরাট মডেলকে সামনে রেখে মোদি ভারত দখল করলেও গুজরাটের মানুষদের কী গুজরাট মডেল পছন্দ না? দিল্লি থেকে গুজরাটে গিয়ে তিনি যেভাবে প্রচারে নেমেছিলেন, তাকে যেন মনে হচ্ছিল তিনি গুজরাটের প্রধানমন্ত্রী। যে নরেন্দ্র মোদি ২০০৪ সালে উন্নয়নের কথা বলে ভোট করলেন, তাকেই এবার উন্নয়ন নিয়ে একটি কথাও না বলে সেখানে জাতপাত, মিথ্যা প্রচার, অপবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ইত্যাদি নিয়ে অত্যন্ত নীচে নামতে হয়েছে!’

অন্যদিকে, গুজরাটের ফল প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেত্রী রেণুকা চৌধুরী বলেছেন, ‘রাহুলের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঘাম ছুটে গেছে। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনকে পিছিয়ে দিয়ে ১২/১৩ বার দেশের প্রধানমন্ত্রীকে সেখানে (গুজরাটে) ঘুরতে হয়েছে। আমরা একে পরজয় মনে করছি না। নৈতিকভাবে আমরাই জয়ী হয়েছি।’

এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী গুজরাটে বিজেপি’র জয়কে সাময়িক ও মুখ রক্ষার জয় বলে কটাক্ষ করেছেন। তিনি এই জয়কে বিজেপির নৈতিক পরাজয় বলে অভিহিত করেছেন। গুজরাটের মানুষ অত্যাচার, উদ্বেগ ও অবিচারের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে বলেও মমতা মন্তব্য করেছেন।