ঢাকা ০৩:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইনজেকশনের ভয়ে পাঁচতলা থেকে লাফ নারীর!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ইনজেকশন দিতে গেলে এমন অনেকেই আছেন যারা খুব ভয় পান। কিন্তু তাই বলে ইনজেকশন দেওয়ার ভয়ে পাঁচতলা ভবন থেকে লাফ দেওয়ার ঘটনা বোধহয় এই প্রথম ঘটলো।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ঘটেছে এমন ঘটনা।  রবিবার দুপুর তিনটার এক নারীকে দিকে নার্স ইনজেকশন দিতে গেলে কলকাতার আরজিকর হাসপাতালের পাঁচতলার জানালা দিয়ে ঝাঁপ দেন পিংকি মজুমদার নামের এক নারী রোগী। গুরুতর আহত হয়ে তিনি বর্তমানে আরজিকর হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

শোনা যাচ্ছে, ইনজেকশনের ভয়ে এই কাজ করেছেন পিংকি। পিংকি মজুমদারের (৩০) বাড়ি হাওড়ায়। কয়েকদিন আগে আরজিকরের নারী ওয়ার্ডে ভর্তি হন সন্তানসম্ভবা পিংকি।  শুক্রবার একটি পুত্র সন্তান প্রসব করেন তিনি। এরপর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়।  রবিবার সকালে আইসিইউ থেকে তাকে আবারও নারী ওয়ার্ডে আনা হয়।

তার পাশের বেডে থাকা অন্য এক রোগী জানান, রবিবার দুপুর তিনটার দিকে নার্স তাকে ইনজেকশন দিতে আসেন। এটা দেখেই বিছানা থেকে নেমে পড়েন পিংকি। নার্স তাকে ছুটে গিয়ে ধরার আগেই জানালা দিয়ে লাফিয়ে নিচে পড়েন তিনি। ওই জানালায় কোনো শিক ছিল না। মাটিতে পড়ে উঠে পালাতে যান পিংকি। কিন্তু মাথায় ও হাতে আঘাত গুরুতর হওয়ায় দৌড়ে পালাতে পারেননি তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইনজেকশনের ভয়ে পাঁচতলা থেকে লাফ নারীর!

আপডেট সময় ১১:২৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ইনজেকশন দিতে গেলে এমন অনেকেই আছেন যারা খুব ভয় পান। কিন্তু তাই বলে ইনজেকশন দেওয়ার ভয়ে পাঁচতলা ভবন থেকে লাফ দেওয়ার ঘটনা বোধহয় এই প্রথম ঘটলো।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ঘটেছে এমন ঘটনা।  রবিবার দুপুর তিনটার এক নারীকে দিকে নার্স ইনজেকশন দিতে গেলে কলকাতার আরজিকর হাসপাতালের পাঁচতলার জানালা দিয়ে ঝাঁপ দেন পিংকি মজুমদার নামের এক নারী রোগী। গুরুতর আহত হয়ে তিনি বর্তমানে আরজিকর হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

শোনা যাচ্ছে, ইনজেকশনের ভয়ে এই কাজ করেছেন পিংকি। পিংকি মজুমদারের (৩০) বাড়ি হাওড়ায়। কয়েকদিন আগে আরজিকরের নারী ওয়ার্ডে ভর্তি হন সন্তানসম্ভবা পিংকি।  শুক্রবার একটি পুত্র সন্তান প্রসব করেন তিনি। এরপর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়।  রবিবার সকালে আইসিইউ থেকে তাকে আবারও নারী ওয়ার্ডে আনা হয়।

তার পাশের বেডে থাকা অন্য এক রোগী জানান, রবিবার দুপুর তিনটার দিকে নার্স তাকে ইনজেকশন দিতে আসেন। এটা দেখেই বিছানা থেকে নেমে পড়েন পিংকি। নার্স তাকে ছুটে গিয়ে ধরার আগেই জানালা দিয়ে লাফিয়ে নিচে পড়েন তিনি। ওই জানালায় কোনো শিক ছিল না। মাটিতে পড়ে উঠে পালাতে যান পিংকি। কিন্তু মাথায় ও হাতে আঘাত গুরুতর হওয়ায় দৌড়ে পালাতে পারেননি তিনি।