ঢাকা ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে দুই শিশু ও মায়ের মরদেহ উদ্ধার মায়ের প্রতি অবহেলা: শাস্তি পাবেন সেই যুগ্ম সচিব বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এমপিদের সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির জ্ঞান থাকা আবশ্যক : স্পিকার ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান ট্রাম্প ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, দাবি ট্রাম্পের

বাংলাদেশ-ভারতের নতুন নৌপথ হবে ব্রহ্মপুত্রে: ভারতীয় মন্ত্রী

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নতুন একটি নদীপথ তৈরির জন্য উচ্চাভিলাষী এক প্রকল্প হাতে নিয়েছে প্রতিবেশী দু’দেশ। দু’দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তিও হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদে এ পথ তৈরি হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মানশুক মানদাভিয়া শনিবার আগরতলায় এক অনুষ্ঠানে একথা জানান। সড়ক পরিবহন, মহাসড়ক ও নৌপরিবহনমন্ত্রী মানশুক বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদ ব্যবহার করে দু’দেশের মধ্যে নতুন নৌপথ তৈরির জন্য চুক্তি সই করেছে ভারত ও বাংলাদেশ। খবর পিটিআইর।

চুক্তি অনুযায়ী, ভারত সরকার ব্রহ্মপুত্রে তাদের অংশে নদী খনন করবে এবং বাংলাদেশ সরকার তাদের অংশে খনন করবে। মানশুক বলেন, ‘আগামী ১ বছরের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে আমরা আশা করছি। নতুন এ নদীপথের মাধ্যমে দু’দেশের বাণিজ্য বাড়বে। একই সঙ্গে যোগাযোগ ও চলাচলের পথ সুগম হবে।’ নৌপথসহ বিভিন্ন মাধ্যমে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সংযোগ বাড়ানোকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করছে ভারত। এরই মধ্যে অঞ্চলটির জন্য ১৬টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে, যার মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশের সঙ্গে সংযোগ বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ২,৯৭৯ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থলসীমা এবং ১,১১৬ কিলোমিটার নৌসীমা রয়েছে। দু’দেশের মধ্যে ব্রহ্মপুত্রসহ ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে।

ত্রিপুরার পরিবহন সচিব সমরজিৎ ভৌমিক জানান, ত্রিপুরার গোমতী ও হাওড়া এবং বাংলাদেশি নদীগুলোর সঙ্গে নদীপথে যোগাযোগের উন্নয়ন ঘটাতে রাজ্য সরকারের তরফে একটি প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, ত্রিপুরার গোমতী এবং বাংলাদেশের মেঘনা নদীর মধ্যে পানিপথের উন্নয়নে বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন জমা দিয়েছে ভারতের নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে ১২ কোটি রুপি বরাদ্দ ঘোষণা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চারটি নৌপথ কার্যকর রয়েছে। সেগুলো হলÑ বাংলাদেশ হয়ে দক্ষিণাঞ্চলীয় আসামের কলকাতা-আসামের পান্ডু, কলকাতা-আসামের করিমগঞ্জ, বাংলাদেশের রাজশাহী থেকে দক্ষিণাঞ্চলীয় আসামের ধুলিয়ান এবং বাংলাদেশ হয়ে করিমগঞ্জ-পান্ডু-করিমগঞ্জ। এ নৌপথগুলো ১৯৭২ সাল থেকে কার্যকর রয়েছে এবং দু’দেশের মধ্যকার ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রানজিট অ্যান্ড ট্রেড প্রটোকলের আওতায় সেগুলো নবায়ন করা হয়ে থাকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-ভারতের নতুন নৌপথ হবে ব্রহ্মপুত্রে: ভারতীয় মন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:১৪:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নতুন একটি নদীপথ তৈরির জন্য উচ্চাভিলাষী এক প্রকল্প হাতে নিয়েছে প্রতিবেশী দু’দেশ। দু’দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তিও হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদে এ পথ তৈরি হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মানশুক মানদাভিয়া শনিবার আগরতলায় এক অনুষ্ঠানে একথা জানান। সড়ক পরিবহন, মহাসড়ক ও নৌপরিবহনমন্ত্রী মানশুক বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদ ব্যবহার করে দু’দেশের মধ্যে নতুন নৌপথ তৈরির জন্য চুক্তি সই করেছে ভারত ও বাংলাদেশ। খবর পিটিআইর।

চুক্তি অনুযায়ী, ভারত সরকার ব্রহ্মপুত্রে তাদের অংশে নদী খনন করবে এবং বাংলাদেশ সরকার তাদের অংশে খনন করবে। মানশুক বলেন, ‘আগামী ১ বছরের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে আমরা আশা করছি। নতুন এ নদীপথের মাধ্যমে দু’দেশের বাণিজ্য বাড়বে। একই সঙ্গে যোগাযোগ ও চলাচলের পথ সুগম হবে।’ নৌপথসহ বিভিন্ন মাধ্যমে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সংযোগ বাড়ানোকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করছে ভারত। এরই মধ্যে অঞ্চলটির জন্য ১৬টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে, যার মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশের সঙ্গে সংযোগ বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ২,৯৭৯ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থলসীমা এবং ১,১১৬ কিলোমিটার নৌসীমা রয়েছে। দু’দেশের মধ্যে ব্রহ্মপুত্রসহ ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে।

ত্রিপুরার পরিবহন সচিব সমরজিৎ ভৌমিক জানান, ত্রিপুরার গোমতী ও হাওড়া এবং বাংলাদেশি নদীগুলোর সঙ্গে নদীপথে যোগাযোগের উন্নয়ন ঘটাতে রাজ্য সরকারের তরফে একটি প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, ত্রিপুরার গোমতী এবং বাংলাদেশের মেঘনা নদীর মধ্যে পানিপথের উন্নয়নে বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন জমা দিয়েছে ভারতের নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে ১২ কোটি রুপি বরাদ্দ ঘোষণা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চারটি নৌপথ কার্যকর রয়েছে। সেগুলো হলÑ বাংলাদেশ হয়ে দক্ষিণাঞ্চলীয় আসামের কলকাতা-আসামের পান্ডু, কলকাতা-আসামের করিমগঞ্জ, বাংলাদেশের রাজশাহী থেকে দক্ষিণাঞ্চলীয় আসামের ধুলিয়ান এবং বাংলাদেশ হয়ে করিমগঞ্জ-পান্ডু-করিমগঞ্জ। এ নৌপথগুলো ১৯৭২ সাল থেকে কার্যকর রয়েছে এবং দু’দেশের মধ্যকার ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রানজিট অ্যান্ড ট্রেড প্রটোকলের আওতায় সেগুলো নবায়ন করা হয়ে থাকে।