ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এ বাজেট বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন ও জনতুষ্টিমূলক: জিএম কাদের দলীয় প্রভাবমুক্ত ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের নির্দেশ অর্থমন্ত্রীর মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী অর্থনীতি স্থিতিশীল হয়ে গেলে আমরা সমৃদ্ধির পথে যাব: অর্থমন্ত্রী ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে পিরোজপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ রাজধানীর ৪ বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশের জনগণ আধিপত্যবাদের কাছে মাথানত করেনি, করবে না: গোলাম পরওয়ার ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল

সরকারকে অচল করে দেয়ার ষড়যন্ত্র রুখে দেখা হয়েছে: জয়

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারকে অচল করে দেয়ার একটি ষড়যন্ত্র রুখে দেখা গেছে বলে আওয়ামী লীগ নেতাদের জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। পদত্যাগকারী প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে ঘিরে এই চক্রান্ত ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। সোমবার ধানমন্ডিতে বিকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলী ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে জয় এ কথা বলেছেন বলে অংশগ্রহহণকারী একাধিক নেতা নিশ্চিত করেন।

বৈঠকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন জয়। তুলে ধরেন সাম্প্রতিক এক জরিপের কথা। জয়ের দাবি, তার করা জরিপ বলছে, ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যত ব্যবধানে জিতেছে, এখন নির্বাচন হলে জয়ের ব্যবধান হবে আরও বেশি।

রুদ্ধদ্বার এই বৈঠকে আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার বিষয়টি তুলে ধরেন। এ সময় জয় বলেন, ‘বড় ধরনের একটা ষড়যন্ত্র ছিল, সরকার অচল করে দেয়ার জন্য। আপনাদের সাহসী পদক্ষেপে এ ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে পারায় আপনাদের ধন্যবাদ।’

গত ১০ নভেম্বর বিদেশ থেকে পদত্যাগ করা সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিষয়টি নিয়ে তার আগের কয়েক মাস ধরে দেশ ছিল সরগরম। সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার পূর্ণাঙ্গ রায়ে তার লেখা বিভিন্ন মন্তব্য ক্ষুব্ধ করে সরকারি দলকে। এমনকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান নানা মন্তব্যে।

এর মধ্যে ২ অক্টোবর এক মাসের ছুটি চান সিনহা। ছুটি অনুমোদন করেন রাষ্ট্রপতি। আর ১৩ অক্টোবর এক মাসের সফরে দেশের বাইরে যান সিনহা। তার আগেই ছুটির মেয়াদ ১০ দিন বাড়ান হয়। যাওয়ার সময় সিনহা বলে যান, ‘পালিয়ে যাচ্ছি না, আবার ফিরে আসব।’ তবে ছুটি শেষে ১০ নভেম্বর তিনি সিঙ্গাপুর দূতাবাসের মাধ্যমে পদত্যাগের চিঠি পাঠিয়ে দেন।

সিনহা দেশের বাইরে যাওয়ার পর দিন সুপ্রিম কোর্ট থেকে এক বিবৃতিতে তার বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, আর্থিক অনিয়ম, নৈতিক স্খলনসহ ১১টি গুরুতর অভিযোগ থাকার কথা জানানো হয়। এসব অভিযোগ উঠায় আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতি সিনহার সঙ্গে বসে বিচার কাজ না করার কথা তাকে জানিয়েছেন বলেও জানানো হয় ওই বিবৃতিতে। জয় সিনহাকে ঘিরে চক্রান্ত চললেও সেটি কী ধরনের ছিল সে বিষয়ে নেতারা কিছু জানাতে চাননি।

ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগকে কে নেতৃত্ব দেবে, সেটা দেখতে দলের নেতাদেরকে ভবিষ্যতের জন্য অপেক্ষায় থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এ বাজেট বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন ও জনতুষ্টিমূলক: জিএম কাদের

সরকারকে অচল করে দেয়ার ষড়যন্ত্র রুখে দেখা হয়েছে: জয়

আপডেট সময় ১১:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারকে অচল করে দেয়ার একটি ষড়যন্ত্র রুখে দেখা গেছে বলে আওয়ামী লীগ নেতাদের জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। পদত্যাগকারী প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে ঘিরে এই চক্রান্ত ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। সোমবার ধানমন্ডিতে বিকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলী ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে জয় এ কথা বলেছেন বলে অংশগ্রহহণকারী একাধিক নেতা নিশ্চিত করেন।

বৈঠকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন জয়। তুলে ধরেন সাম্প্রতিক এক জরিপের কথা। জয়ের দাবি, তার করা জরিপ বলছে, ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যত ব্যবধানে জিতেছে, এখন নির্বাচন হলে জয়ের ব্যবধান হবে আরও বেশি।

রুদ্ধদ্বার এই বৈঠকে আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার বিষয়টি তুলে ধরেন। এ সময় জয় বলেন, ‘বড় ধরনের একটা ষড়যন্ত্র ছিল, সরকার অচল করে দেয়ার জন্য। আপনাদের সাহসী পদক্ষেপে এ ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে পারায় আপনাদের ধন্যবাদ।’

গত ১০ নভেম্বর বিদেশ থেকে পদত্যাগ করা সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিষয়টি নিয়ে তার আগের কয়েক মাস ধরে দেশ ছিল সরগরম। সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার পূর্ণাঙ্গ রায়ে তার লেখা বিভিন্ন মন্তব্য ক্ষুব্ধ করে সরকারি দলকে। এমনকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান নানা মন্তব্যে।

এর মধ্যে ২ অক্টোবর এক মাসের ছুটি চান সিনহা। ছুটি অনুমোদন করেন রাষ্ট্রপতি। আর ১৩ অক্টোবর এক মাসের সফরে দেশের বাইরে যান সিনহা। তার আগেই ছুটির মেয়াদ ১০ দিন বাড়ান হয়। যাওয়ার সময় সিনহা বলে যান, ‘পালিয়ে যাচ্ছি না, আবার ফিরে আসব।’ তবে ছুটি শেষে ১০ নভেম্বর তিনি সিঙ্গাপুর দূতাবাসের মাধ্যমে পদত্যাগের চিঠি পাঠিয়ে দেন।

সিনহা দেশের বাইরে যাওয়ার পর দিন সুপ্রিম কোর্ট থেকে এক বিবৃতিতে তার বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, আর্থিক অনিয়ম, নৈতিক স্খলনসহ ১১টি গুরুতর অভিযোগ থাকার কথা জানানো হয়। এসব অভিযোগ উঠায় আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতি সিনহার সঙ্গে বসে বিচার কাজ না করার কথা তাকে জানিয়েছেন বলেও জানানো হয় ওই বিবৃতিতে। জয় সিনহাকে ঘিরে চক্রান্ত চললেও সেটি কী ধরনের ছিল সে বিষয়ে নেতারা কিছু জানাতে চাননি।

ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগকে কে নেতৃত্ব দেবে, সেটা দেখতে দলের নেতাদেরকে ভবিষ্যতের জন্য অপেক্ষায় থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়।