ঢাকা ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন শিশুদের সঠিক শিক্ষা প্রদানের জন্য আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি: তারেক রহমান ‘অতীতেও পাশে ছিলাম, এখনো আছি এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকব’:মির্জা ফখরুল দ.আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন

বিজ্ঞানসম্মত জরিপে আ’লীগকে হারানোর মতো দল বাংলাদেশে নেই: জয়

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে বেশি ব্যবধানে আওয়ামী লীগের জয়ের প্রত্যাশা করছেন প্রধানমন্ত্রী পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ‘বিজ্ঞানসম্মত’ জরিপে এই বিষয়টি উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রবিবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের দলের সম্পাদকমণ্ডলী এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর পুত্র এবং সরকার প্রধানের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা। সংবাদ সম্মেলনের আগে জয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বিকাল তিনটা থেকে দেড় ঘণ্টা বৈঠক করেন। এরপর সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধানমন্ত্রী পুত্র।

জয় বলেন, ‘আরেকটা সুখবর জানাতে আমি এসেছি। আগামী নির্বাচন নিয়ে আমি জরিপ করেছি। দলকে জানাতে যে, আমার জরিপের রেজাল্ট এত ভালো আসছে যে, আজকে যদি নির্বাচন হয়, তাহলে বুঝা যাবে আগের চেয়েও বেশি ভোট পাবে আওয়ামী লীগ। ২০০৮ সালের চেয়েও ল্যান্ড স্লাইড (ভূমিধস) জয় পাবে আওয়ামী লীগ এবং এটা সায়েন্টিফিকেলি জরিপ করে আমরা পেয়েছি। এখানে আওয়ামী লীগের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এ কথাটা জানাতে আমি এসেছি।’

কোন প্রতিষ্ঠান এই জরিপ করেছে-এমন প্রশ্নে জয় বলেন, ‘জরিপটা আমরা প্রত্যেক বছরই করি। সেটা আমাদের একটা কোম্পানি আছে, সেটা থেকেই করি। এটা আমার বিষয়, এটা নিয়ে আমি স্টাডি করেছি, কাজ করেছি। তো আমার বিশ্বাস হচ্ছে আমার জরিপ হচ্ছে মোস্ট একুরেট (সবচেয়ে সঠিক) জরিপ।’

১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতনের পর সব দলের অংশগ্রহণে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে তার মধ্যে বিজয়ী ও বিজিত দলের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধান হয়েছিল ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৩০ আসনে বিজয়ী হয়। তার আগের ক্ষমতাসীন বিএনপি ৩০টি আসন পায়। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শরিক জাতীয় পার্টির চেয়ে মাত্র তিনটি আসন বেশি পায় বিএনপি।

ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এককভাবে পায় প্রায় ৪৯ শতাংশ ভোট। তখন তারা ভোট পায় তিন কোটি ৩৬ লাখ ৩৪ হাজার ৬২৯টি। আর বিএনপির পক্ষে পড়ে ৩৩.২ শতাংশ ভোট।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম সংসদ নির্বাচনে ২৩৪ টি আসন পায়। তবে শতাধিক আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন দলের প্রার্থীরা। যেসব আসনে ভোট হয়েছে সেই ১৪৭ আসনে দলটি ভোট পায় এক কোটি ২৩ লাখ ৫৭ হাজার ৩৭৪টি, যা মোট ভোটের ৭২ দশমিক ১৪ শতাংশ। ২০১৮ সালের শেষ দিকে একাদশ সংসদ নির্বাচন হবে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি পূরণ না হওয়য় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি-জামায়াত জোট এবং সমমনা দলগুলো। তাদের দাবি, নির্দলীয় সরকারের অধীনে ভোট হলে বিপুল ভোটে জিতবে তারা। তবে হয় বলেন, ‘ভোটের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগকে হারানোর মতো কোনো দল বাংলাদেশে নেই।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার চাইলে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান: নাকভি

বিজ্ঞানসম্মত জরিপে আ’লীগকে হারানোর মতো দল বাংলাদেশে নেই: জয়

আপডেট সময় ১১:১৭:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে বেশি ব্যবধানে আওয়ামী লীগের জয়ের প্রত্যাশা করছেন প্রধানমন্ত্রী পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ‘বিজ্ঞানসম্মত’ জরিপে এই বিষয়টি উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রবিবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের দলের সম্পাদকমণ্ডলী এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর পুত্র এবং সরকার প্রধানের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা। সংবাদ সম্মেলনের আগে জয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বিকাল তিনটা থেকে দেড় ঘণ্টা বৈঠক করেন। এরপর সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধানমন্ত্রী পুত্র।

জয় বলেন, ‘আরেকটা সুখবর জানাতে আমি এসেছি। আগামী নির্বাচন নিয়ে আমি জরিপ করেছি। দলকে জানাতে যে, আমার জরিপের রেজাল্ট এত ভালো আসছে যে, আজকে যদি নির্বাচন হয়, তাহলে বুঝা যাবে আগের চেয়েও বেশি ভোট পাবে আওয়ামী লীগ। ২০০৮ সালের চেয়েও ল্যান্ড স্লাইড (ভূমিধস) জয় পাবে আওয়ামী লীগ এবং এটা সায়েন্টিফিকেলি জরিপ করে আমরা পেয়েছি। এখানে আওয়ামী লীগের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এ কথাটা জানাতে আমি এসেছি।’

কোন প্রতিষ্ঠান এই জরিপ করেছে-এমন প্রশ্নে জয় বলেন, ‘জরিপটা আমরা প্রত্যেক বছরই করি। সেটা আমাদের একটা কোম্পানি আছে, সেটা থেকেই করি। এটা আমার বিষয়, এটা নিয়ে আমি স্টাডি করেছি, কাজ করেছি। তো আমার বিশ্বাস হচ্ছে আমার জরিপ হচ্ছে মোস্ট একুরেট (সবচেয়ে সঠিক) জরিপ।’

১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতনের পর সব দলের অংশগ্রহণে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে তার মধ্যে বিজয়ী ও বিজিত দলের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধান হয়েছিল ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৩০ আসনে বিজয়ী হয়। তার আগের ক্ষমতাসীন বিএনপি ৩০টি আসন পায়। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শরিক জাতীয় পার্টির চেয়ে মাত্র তিনটি আসন বেশি পায় বিএনপি।

ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এককভাবে পায় প্রায় ৪৯ শতাংশ ভোট। তখন তারা ভোট পায় তিন কোটি ৩৬ লাখ ৩৪ হাজার ৬২৯টি। আর বিএনপির পক্ষে পড়ে ৩৩.২ শতাংশ ভোট।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম সংসদ নির্বাচনে ২৩৪ টি আসন পায়। তবে শতাধিক আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন দলের প্রার্থীরা। যেসব আসনে ভোট হয়েছে সেই ১৪৭ আসনে দলটি ভোট পায় এক কোটি ২৩ লাখ ৫৭ হাজার ৩৭৪টি, যা মোট ভোটের ৭২ দশমিক ১৪ শতাংশ। ২০১৮ সালের শেষ দিকে একাদশ সংসদ নির্বাচন হবে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি পূরণ না হওয়য় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি-জামায়াত জোট এবং সমমনা দলগুলো। তাদের দাবি, নির্দলীয় সরকারের অধীনে ভোট হলে বিপুল ভোটে জিতবে তারা। তবে হয় বলেন, ‘ভোটের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগকে হারানোর মতো কোনো দল বাংলাদেশে নেই।’