ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

সিভিল সার্ভেন্টদের কাছে মানুষ সুশাসন ও সেবা আশা করে: রাষ্ট্রপতি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সুশাসন নিশ্চিত করে নাগরিক সেবা সহজ, সুলভ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করতে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার জন্য প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রশাসন এখন উন্নয়নমুখী ও জনকল্যাণমুখী। এখন আর নিজেদেরকে জনগণের শাসক ভাবার কোনো অবকাশ নেই। মানুষ সিভিল সার্ভেন্টদের কাছে সুশাসন ও সেবা আশা করে।

আগামীকাল রোববার জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার এক বাণীতে তিনি এ আহবান জানান। দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রজাতন্ত্রের সব কর্মচারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।দিবসটি উপলক্ষে জনপ্রশাসনে উদ্ভাবনী ধারণাকে কাজে লাগিয়ে নাগরিক সেবা সহজীকরণের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জনপ্রশাসন পদক-২০১৭’ প্রদান করা হচ্ছে জেনে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করে পদকপ্রাপ্তদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত সিভিল সার্ভেন্টগণ সরকারি কার্যসম্পাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। সংবিধানের আলোকে সিভিল সার্ভিস মূলত বিবিধ আইন-কানুন, বিধি-বিধান, পরিপত্র, আদেশ-নিষেধ দ্বারা পরিচালিত। ব্রিটিশ আমলের উত্তরাধিকার বর্তমান সিভিল সার্ভিসে যুগের চাহিদা অনুযায়ী গুণগত অনেক পরিবর্তন এসেছে।

তিনি বলেন, সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে নাগরিক সেবা সহজ, সুলভ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করতে হবে। যার কাছে যেটুকু সেবা প্রদানের সুযোগ রয়েছে সেটুকু সঠিক ও সর্বোত্তমভাবে নাগরিকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রদান করাই সিভিল সার্ভেন্টদের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ।

আবদুল হামিদ বলেন, সরকার সিভিল সার্ভিসকে জনবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী করতে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন, দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি, যথাসময়ে পদোন্নতি, আন্তঃক্যাডার বৈষম্য দূরীকরণ, বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগ জনপ্রশাসনে গতিশীলতা বৃদ্ধিসহ জনমুখী প্রশাসন সৃষ্টিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি দৃঢ় আশা ব্যক্ত করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ায় ২৬৫ বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ২০ জন আটক

সিভিল সার্ভেন্টদের কাছে মানুষ সুশাসন ও সেবা আশা করে: রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ১২:০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সুশাসন নিশ্চিত করে নাগরিক সেবা সহজ, সুলভ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করতে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার জন্য প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রশাসন এখন উন্নয়নমুখী ও জনকল্যাণমুখী। এখন আর নিজেদেরকে জনগণের শাসক ভাবার কোনো অবকাশ নেই। মানুষ সিভিল সার্ভেন্টদের কাছে সুশাসন ও সেবা আশা করে।

আগামীকাল রোববার জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার এক বাণীতে তিনি এ আহবান জানান। দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রজাতন্ত্রের সব কর্মচারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।দিবসটি উপলক্ষে জনপ্রশাসনে উদ্ভাবনী ধারণাকে কাজে লাগিয়ে নাগরিক সেবা সহজীকরণের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জনপ্রশাসন পদক-২০১৭’ প্রদান করা হচ্ছে জেনে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করে পদকপ্রাপ্তদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত সিভিল সার্ভেন্টগণ সরকারি কার্যসম্পাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। সংবিধানের আলোকে সিভিল সার্ভিস মূলত বিবিধ আইন-কানুন, বিধি-বিধান, পরিপত্র, আদেশ-নিষেধ দ্বারা পরিচালিত। ব্রিটিশ আমলের উত্তরাধিকার বর্তমান সিভিল সার্ভিসে যুগের চাহিদা অনুযায়ী গুণগত অনেক পরিবর্তন এসেছে।

তিনি বলেন, সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে নাগরিক সেবা সহজ, সুলভ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করতে হবে। যার কাছে যেটুকু সেবা প্রদানের সুযোগ রয়েছে সেটুকু সঠিক ও সর্বোত্তমভাবে নাগরিকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রদান করাই সিভিল সার্ভেন্টদের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ।

আবদুল হামিদ বলেন, সরকার সিভিল সার্ভিসকে জনবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী করতে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন, দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি, যথাসময়ে পদোন্নতি, আন্তঃক্যাডার বৈষম্য দূরীকরণ, বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগ জনপ্রশাসনে গতিশীলতা বৃদ্ধিসহ জনমুখী প্রশাসন সৃষ্টিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি দৃঢ় আশা ব্যক্ত করেন।