ঢাকা ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

ইসি ও সরকার নীল নকশার নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে : রিজভী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ইসি ও সরকার যৌথভাবে একতরফা ও নীলনকশার নির্বাচনের দিকে ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। তাদের কার্যক্রমে এটি স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদেরের এক বক্তব্যের জবাবে এ কথা বলেন।

‘বিএনপি নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে’ ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্যের উল্লেখ করে রিজভী বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জনগণের কাছে আগে থেকেই একজন বিতর্কিত ব্যক্তি। তিনি কুমিল্লার ডিসি থাকতে সরকারি আইন ভেঙে ‘জনতার মঞ্চে’ নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। বিগত সংসদ নির্বাচনে তাঁর নিজ এলাকা পটুয়াখালী-বাউফলে আওয়ামী লীগের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। সিইসি হিসেবে যোগদানের পর তিনি বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠতে পারেননি।

রিজভী অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে মন্ত্রী-এমপি ও আওয়ামী নেতারা সরকারি ব্যয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন, যা নির্বাচনী আইন পরিপন্থী। অন্যদিকে বিএনপিসহ বিরোধী দলের স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও বাধা দিচ্ছে সরকার। বিএনপির ঘরোয়া সভাতেও পুলিশ ও সরকারের দলীয় সন্ত্রাসীরা আক্রমণ চালাচ্ছে।

ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে রিজভী বলেন, ‘আপনাদের অধীনে নির্বাচন কখনোই সুষ্ঠু ও অবাধ হয়নি। সুতরাং আগামী সংসদ নির্বাচন দলনিরপেক্ষ ব্যক্তির অধীনে করতে এগিয়ে আসুন।’

রিজভী অভিযোগ করেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের ৫৭ ধারায় সরকার সাংবাদিকদের নির্যাতন করছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৫০জন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলা দেওয়া হয়েছে। গতকালও হেলাল উদ্দিন নামে একজন সিনিয়র সাংবাদিককে ৫৭ ধারায় আটক করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা স্বাধীন মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অন্তরায়। তিনি দলের পক্ষ থেকে এ ধরনের নিয়ন্ত্রণমূলক বিধানসহ সব কালাকানুন বাতিলের দাবি জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসি ও সরকার নীল নকশার নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে : রিজভী

আপডেট সময় ০৯:২৬:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ইসি ও সরকার যৌথভাবে একতরফা ও নীলনকশার নির্বাচনের দিকে ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। তাদের কার্যক্রমে এটি স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদেরের এক বক্তব্যের জবাবে এ কথা বলেন।

‘বিএনপি নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে’ ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্যের উল্লেখ করে রিজভী বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জনগণের কাছে আগে থেকেই একজন বিতর্কিত ব্যক্তি। তিনি কুমিল্লার ডিসি থাকতে সরকারি আইন ভেঙে ‘জনতার মঞ্চে’ নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। বিগত সংসদ নির্বাচনে তাঁর নিজ এলাকা পটুয়াখালী-বাউফলে আওয়ামী লীগের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। সিইসি হিসেবে যোগদানের পর তিনি বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠতে পারেননি।

রিজভী অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে মন্ত্রী-এমপি ও আওয়ামী নেতারা সরকারি ব্যয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন, যা নির্বাচনী আইন পরিপন্থী। অন্যদিকে বিএনপিসহ বিরোধী দলের স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও বাধা দিচ্ছে সরকার। বিএনপির ঘরোয়া সভাতেও পুলিশ ও সরকারের দলীয় সন্ত্রাসীরা আক্রমণ চালাচ্ছে।

ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে রিজভী বলেন, ‘আপনাদের অধীনে নির্বাচন কখনোই সুষ্ঠু ও অবাধ হয়নি। সুতরাং আগামী সংসদ নির্বাচন দলনিরপেক্ষ ব্যক্তির অধীনে করতে এগিয়ে আসুন।’

রিজভী অভিযোগ করেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের ৫৭ ধারায় সরকার সাংবাদিকদের নির্যাতন করছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৫০জন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলা দেওয়া হয়েছে। গতকালও হেলাল উদ্দিন নামে একজন সিনিয়র সাংবাদিককে ৫৭ ধারায় আটক করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা স্বাধীন মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অন্তরায়। তিনি দলের পক্ষ থেকে এ ধরনের নিয়ন্ত্রণমূলক বিধানসহ সব কালাকানুন বাতিলের দাবি জানান।