ঢাকা ০৫:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মোবাইল প্রেমে সাড়া দিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে ধর্ষণের শিকার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মোবাইল প্রেমে সাড়া দিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে কিশোরী শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় ওই কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া থানায় রোববার রাতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ এ ঘটনার মূল অভিযুক্ত দেবাশীষ বাড়ৈ দেবুকে (৩২) গ্রেফতার করেছে।

ডাক্তারী পরীক্ষা শেষে মেয়েটিকে তার বাবার কাছে বুঝে দেয়া হয়েছে। গত শনিবার (১৮ নভেম্বর) রাতে কোটালীপাড়া উপজেলার লাটেঙ্গা গ্রামের মনির পাগলের আশ্রমে এ ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার কুশলা আদর্শ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাড়ি ওই উপজেলার কুশলা গ্রামে।

মামলার বিবরনে জানাগেছে, কোটালীপাড়া উপজেলার কোনের ভিটা গ্রামের দ্বীপ চাঁন বাড়ৈর ছেলে এক সন্তানের জনক দেবাশীষ বাড়ৈর সঙ্গে মোবাইলে প্রায় ১ মাস আগে ওই ছাত্রীর পরিচয় ঘটে। দফায় দফায় ফোনালাপের মাধ্যমে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

শনিবার সকাল ১০ টায় ওই ছাত্রী স্কুলে যাওয়ার কথা বলে জেলার তেরখাদা উপজেলার কুশলা গ্রামের বাড়ি থেকে বের হয়। পরে মোবাইলে প্রেমিকের আহবানে সাড়া দিয়ে ওই ছাত্রী গোপালগঞ্জ শহরে আসে। প্রেমিক দোবাশীষ বাড়ৈর সঙ্গে তার গোপালগঞ্জ শহরে দেখা হয়। তারপর তারা দু’ জনে এক সঙ্গে কোটালীপাড়া উপজেলা সদরে যায়।

সেখানে ঘুরা ফেরার পর তারা সন্ধ্যায় লাটেঙ্গা গ্রামে পৌঁছায়। রাতে লাটেঙ্গা গ্রামের মনির পাগলের আশ্রমে নিয়ে দেবাশীষ ও তার সহযোগিরা ওই ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ওই ছাত্রীর আত্নচিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেবাশীষকে আটক করে। স্থানীয়রা ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। শনিবার রাতেই গ্রামবাসী দেবাশীষ বাড়ৈকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

স্থানীয়রা জানান, ঘটনাস্থল থেকে দেবাশীষকে হাতে-নাতে আটক করে তারা। দেবাশীষের আরো দু’ সহযোগি এ সময় পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে এলাকাবাসী তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

কোটালীপাড়া থানার ওসি (তদন্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় ওই স্কুল ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দেবাশীষ ওই ছাত্রীকে পর্যায়ক্রমে ২ জনে মিলে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আলি আকবর জানান, গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে মেয়েটির ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (কোটালীপাড়া আদালত) কোর্টে ২২ ধারায় জবানবন্দী শেষে তার বাবার কাছে বুঝে দেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মোবাইল প্রেমে সাড়া দিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে ধর্ষণের শিকার

আপডেট সময় ১১:১৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মোবাইল প্রেমে সাড়া দিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে কিশোরী শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় ওই কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া থানায় রোববার রাতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ এ ঘটনার মূল অভিযুক্ত দেবাশীষ বাড়ৈ দেবুকে (৩২) গ্রেফতার করেছে।

ডাক্তারী পরীক্ষা শেষে মেয়েটিকে তার বাবার কাছে বুঝে দেয়া হয়েছে। গত শনিবার (১৮ নভেম্বর) রাতে কোটালীপাড়া উপজেলার লাটেঙ্গা গ্রামের মনির পাগলের আশ্রমে এ ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার কুশলা আদর্শ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাড়ি ওই উপজেলার কুশলা গ্রামে।

মামলার বিবরনে জানাগেছে, কোটালীপাড়া উপজেলার কোনের ভিটা গ্রামের দ্বীপ চাঁন বাড়ৈর ছেলে এক সন্তানের জনক দেবাশীষ বাড়ৈর সঙ্গে মোবাইলে প্রায় ১ মাস আগে ওই ছাত্রীর পরিচয় ঘটে। দফায় দফায় ফোনালাপের মাধ্যমে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

শনিবার সকাল ১০ টায় ওই ছাত্রী স্কুলে যাওয়ার কথা বলে জেলার তেরখাদা উপজেলার কুশলা গ্রামের বাড়ি থেকে বের হয়। পরে মোবাইলে প্রেমিকের আহবানে সাড়া দিয়ে ওই ছাত্রী গোপালগঞ্জ শহরে আসে। প্রেমিক দোবাশীষ বাড়ৈর সঙ্গে তার গোপালগঞ্জ শহরে দেখা হয়। তারপর তারা দু’ জনে এক সঙ্গে কোটালীপাড়া উপজেলা সদরে যায়।

সেখানে ঘুরা ফেরার পর তারা সন্ধ্যায় লাটেঙ্গা গ্রামে পৌঁছায়। রাতে লাটেঙ্গা গ্রামের মনির পাগলের আশ্রমে নিয়ে দেবাশীষ ও তার সহযোগিরা ওই ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ওই ছাত্রীর আত্নচিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেবাশীষকে আটক করে। স্থানীয়রা ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। শনিবার রাতেই গ্রামবাসী দেবাশীষ বাড়ৈকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

স্থানীয়রা জানান, ঘটনাস্থল থেকে দেবাশীষকে হাতে-নাতে আটক করে তারা। দেবাশীষের আরো দু’ সহযোগি এ সময় পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে এলাকাবাসী তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

কোটালীপাড়া থানার ওসি (তদন্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় ওই স্কুল ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। অন্য আসামীদেরকে গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দেবাশীষ ওই ছাত্রীকে পর্যায়ক্রমে ২ জনে মিলে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আলি আকবর জানান, গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে মেয়েটির ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (কোটালীপাড়া আদালত) কোর্টে ২২ ধারায় জবানবন্দী শেষে তার বাবার কাছে বুঝে দেয়া হবে।