ঢাকা ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, হটলাইন চালু করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র কারচুপির অভিযোগ,ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির আরও ৪ প্রার্থী বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত মার্কিন এফ-১৫ ফাইটার জেট, দাবি ইরানের

শিশুর মুখ থেকে বের হলো জীবত কই মাছ!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

জীবত কই মাছ আটকেছে শ্বাসনালীতে। ছটফট করছে আট মাসের শিশু।

ভারতের মালদহ মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকরা অভয় দেন, চিন্তা করবেন না।

কালিয়াচকের সুলতানগঞ্জের বাসিন্দা রহিম শেখের স্ত্রী আমিনা বিবি জানেন জীবত কই মাছ কত মারাত্মক। আক্ষেপ করছিলেন, কেন ভুল করে বাচ্চাদের সামনে রেখেছিলেন মাছগুলো।

বুধবার বিকেলে মাছ আনেন রহিম। আমিনা যেখানে সেগুলো রেখেছিলেন, তার কাছেই খেলছিল তার চার বছরের রাহুল আর আট মাসের হামিদ। রাহুল খেলতে খেলতে ভাইয়ের মুখে জীবত কই ঢুকিয়ে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে হামিদকে গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

রাতেই মালদহ মেডিকেলে হামিদকে দেখার পরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পি কে মণ্ডলের নেতৃত্বে চারজনের দল করে ফেলা হয়। মাত্র দশ মিনিটে ল্যারিঙ্গোস্কোপি করে শিশুর শ্বাসনালীতে আটকে থাকা কই বের করে ফেলেন তারা।

কই মাছটাও তখনও বেঁচে ছিল!

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের

শিশুর মুখ থেকে বের হলো জীবত কই মাছ!

আপডেট সময় ১২:৫০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

জীবত কই মাছ আটকেছে শ্বাসনালীতে। ছটফট করছে আট মাসের শিশু।

ভারতের মালদহ মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকরা অভয় দেন, চিন্তা করবেন না।

কালিয়াচকের সুলতানগঞ্জের বাসিন্দা রহিম শেখের স্ত্রী আমিনা বিবি জানেন জীবত কই মাছ কত মারাত্মক। আক্ষেপ করছিলেন, কেন ভুল করে বাচ্চাদের সামনে রেখেছিলেন মাছগুলো।

বুধবার বিকেলে মাছ আনেন রহিম। আমিনা যেখানে সেগুলো রেখেছিলেন, তার কাছেই খেলছিল তার চার বছরের রাহুল আর আট মাসের হামিদ। রাহুল খেলতে খেলতে ভাইয়ের মুখে জীবত কই ঢুকিয়ে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে হামিদকে গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

রাতেই মালদহ মেডিকেলে হামিদকে দেখার পরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পি কে মণ্ডলের নেতৃত্বে চারজনের দল করে ফেলা হয়। মাত্র দশ মিনিটে ল্যারিঙ্গোস্কোপি করে শিশুর শ্বাসনালীতে আটকে থাকা কই বের করে ফেলেন তারা।

কই মাছটাও তখনও বেঁচে ছিল!