ঢাকা ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শিশুর মুখ থেকে বের হলো জীবত কই মাছ!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

জীবত কই মাছ আটকেছে শ্বাসনালীতে। ছটফট করছে আট মাসের শিশু।

ভারতের মালদহ মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকরা অভয় দেন, চিন্তা করবেন না।

কালিয়াচকের সুলতানগঞ্জের বাসিন্দা রহিম শেখের স্ত্রী আমিনা বিবি জানেন জীবত কই মাছ কত মারাত্মক। আক্ষেপ করছিলেন, কেন ভুল করে বাচ্চাদের সামনে রেখেছিলেন মাছগুলো।

বুধবার বিকেলে মাছ আনেন রহিম। আমিনা যেখানে সেগুলো রেখেছিলেন, তার কাছেই খেলছিল তার চার বছরের রাহুল আর আট মাসের হামিদ। রাহুল খেলতে খেলতে ভাইয়ের মুখে জীবত কই ঢুকিয়ে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে হামিদকে গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

রাতেই মালদহ মেডিকেলে হামিদকে দেখার পরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পি কে মণ্ডলের নেতৃত্বে চারজনের দল করে ফেলা হয়। মাত্র দশ মিনিটে ল্যারিঙ্গোস্কোপি করে শিশুর শ্বাসনালীতে আটকে থাকা কই বের করে ফেলেন তারা।

কই মাছটাও তখনও বেঁচে ছিল!

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

শিশুর মুখ থেকে বের হলো জীবত কই মাছ!

আপডেট সময় ১২:৫০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

জীবত কই মাছ আটকেছে শ্বাসনালীতে। ছটফট করছে আট মাসের শিশু।

ভারতের মালদহ মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকরা অভয় দেন, চিন্তা করবেন না।

কালিয়াচকের সুলতানগঞ্জের বাসিন্দা রহিম শেখের স্ত্রী আমিনা বিবি জানেন জীবত কই মাছ কত মারাত্মক। আক্ষেপ করছিলেন, কেন ভুল করে বাচ্চাদের সামনে রেখেছিলেন মাছগুলো।

বুধবার বিকেলে মাছ আনেন রহিম। আমিনা যেখানে সেগুলো রেখেছিলেন, তার কাছেই খেলছিল তার চার বছরের রাহুল আর আট মাসের হামিদ। রাহুল খেলতে খেলতে ভাইয়ের মুখে জীবত কই ঢুকিয়ে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে হামিদকে গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

রাতেই মালদহ মেডিকেলে হামিদকে দেখার পরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পি কে মণ্ডলের নেতৃত্বে চারজনের দল করে ফেলা হয়। মাত্র দশ মিনিটে ল্যারিঙ্গোস্কোপি করে শিশুর শ্বাসনালীতে আটকে থাকা কই বের করে ফেলেন তারা।

কই মাছটাও তখনও বেঁচে ছিল!