ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

২০১৮ সাল নিয়ে যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন নস্ত্রাদামুস

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ভবিষ্যৎ বক্তা নস্ত্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণীর উপর বিশ্বাস রয়েছে পুরো বিশ্বের। এখনও পর্যন্ত তিনি যা কিছু আন্দাজ করেছেন, তার অনেকটাই মিলে গেছে।

রানি ডায়নার মৃত্যু থেকে ৯/১১-র ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ভেঙে পড়া, হিটলারের উত্থান থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সব ভবিষ্যদ্বণীই বাস্তবায়িত হয়েছে।
সেই ভবিষ্যৎ বক্তা নস্ত্রাদামুস ২০১৮ সালের ঘটতে চলা কিছু ঘটনাও আগে থেকে আন্দাজ করে রেখেছিলেন। ২০১৮ সাল নিয়ে ফরাসি চিকিৎসক নস্ত্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণী তুলে ধরা হল।
২০১৮ সাল নিয়ে খুব একটা সুখের কথা শোনাননি নস্ত্রাদামুস। তার ধারণা অনুযায়ী, পুরো দুনিয়া এমন একটা বড়সড় পরিবর্তেনর মধ্যে দিয়ে যাবে যাতে পৃথিবীর চেহারাই পালটে যাবে। কী এই বড়সড় ঘটনা? তার তথ্যে একাধিক বড়সড় প্রাকৃতিক বিপর্যের কথা উল্লেখ রয়েছে। শুধু তাই নয়, আগামী বছর এক বিরাট যুদ্ধের সাক্ষী থাকবে বিশ্ববাসী। যে মহাযুদ্ধ শুধু দুটি বা তার বেশি দেশের মধ্যে হবে, এমনটা নয়। হবে দুই গোলার্ধের মধ্যে। এ ধারণা বাস্তবায়িত হওয়ার যুক্তিও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ বর্তমানে বিশ্বের পূর্ব ও পশ্চিমের দেশগুলির মধ্যে সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়।
এখানেই শেষ নয়। তার সমীকরণের তালিকা বলছে, আগামী বছর মানুষের সঙ্গে মানুষের দ্বন্দ্ব আরও বাড়বে। আর লড়াইয়ের পর খুব কম সংখ্যক মানুষই শান্তির খোঁজ পাবেন। আকাশ থেকে উড়ে আসতে পারে আগুনের গোলা। যা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দেবে নিরীহ সাধারণ মানুষকে। নস্ত্রাদামুসের এই তথ্য যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে কিম জং উনের নিউক্লিয়ার মিসাইল নিয়ে লাগাতার পরীক্ষার ঘটনাকে।
পৃথিবীর পূর্ব দিকে অবস্থিত দেশগুলি ভয়ংকর ভূমিকম্প এবং বন্যায় বিধ্বস্ত হবে। আর পশ্চিমি দেশগুলি ক্ষতিগ্রস্থ হবে অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার পরিবর্তনে। আগামী বছর বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব আরও প্রকট হবে। জঙ্গলের সংখ্যা যেমন কমবে তেমনই পর্বতের বরফ গলে তার উচ্চতাও কমে যাবে। এর পরের ভবিষ্যতদ্বাণীটি শুনলে শিউরে উঠবেন। উষ্ণতা এতটাই বৃদ্ধি পাবে যে মাটির নিচ থেকে আগুন বাইরে বেরিয়ে আসবে।
তার মতে, পৃথিবীর মাথা আবার ঠান্ডা হবে আট বছর পর। ২০২৫ সালে পৃথিবী স্থিতিশীল অবস্থায় আসবে বলেও আন্দাজ করেছিলেন নস্ত্রাদামুস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২০১৮ সাল নিয়ে যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন নস্ত্রাদামুস

আপডেট সময় ১১:৩৩:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ভবিষ্যৎ বক্তা নস্ত্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণীর উপর বিশ্বাস রয়েছে পুরো বিশ্বের। এখনও পর্যন্ত তিনি যা কিছু আন্দাজ করেছেন, তার অনেকটাই মিলে গেছে।

রানি ডায়নার মৃত্যু থেকে ৯/১১-র ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ভেঙে পড়া, হিটলারের উত্থান থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সব ভবিষ্যদ্বণীই বাস্তবায়িত হয়েছে।
সেই ভবিষ্যৎ বক্তা নস্ত্রাদামুস ২০১৮ সালের ঘটতে চলা কিছু ঘটনাও আগে থেকে আন্দাজ করে রেখেছিলেন। ২০১৮ সাল নিয়ে ফরাসি চিকিৎসক নস্ত্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণী তুলে ধরা হল।
২০১৮ সাল নিয়ে খুব একটা সুখের কথা শোনাননি নস্ত্রাদামুস। তার ধারণা অনুযায়ী, পুরো দুনিয়া এমন একটা বড়সড় পরিবর্তেনর মধ্যে দিয়ে যাবে যাতে পৃথিবীর চেহারাই পালটে যাবে। কী এই বড়সড় ঘটনা? তার তথ্যে একাধিক বড়সড় প্রাকৃতিক বিপর্যের কথা উল্লেখ রয়েছে। শুধু তাই নয়, আগামী বছর এক বিরাট যুদ্ধের সাক্ষী থাকবে বিশ্ববাসী। যে মহাযুদ্ধ শুধু দুটি বা তার বেশি দেশের মধ্যে হবে, এমনটা নয়। হবে দুই গোলার্ধের মধ্যে। এ ধারণা বাস্তবায়িত হওয়ার যুক্তিও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ বর্তমানে বিশ্বের পূর্ব ও পশ্চিমের দেশগুলির মধ্যে সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়।
এখানেই শেষ নয়। তার সমীকরণের তালিকা বলছে, আগামী বছর মানুষের সঙ্গে মানুষের দ্বন্দ্ব আরও বাড়বে। আর লড়াইয়ের পর খুব কম সংখ্যক মানুষই শান্তির খোঁজ পাবেন। আকাশ থেকে উড়ে আসতে পারে আগুনের গোলা। যা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দেবে নিরীহ সাধারণ মানুষকে। নস্ত্রাদামুসের এই তথ্য যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে কিম জং উনের নিউক্লিয়ার মিসাইল নিয়ে লাগাতার পরীক্ষার ঘটনাকে।
পৃথিবীর পূর্ব দিকে অবস্থিত দেশগুলি ভয়ংকর ভূমিকম্প এবং বন্যায় বিধ্বস্ত হবে। আর পশ্চিমি দেশগুলি ক্ষতিগ্রস্থ হবে অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার পরিবর্তনে। আগামী বছর বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব আরও প্রকট হবে। জঙ্গলের সংখ্যা যেমন কমবে তেমনই পর্বতের বরফ গলে তার উচ্চতাও কমে যাবে। এর পরের ভবিষ্যতদ্বাণীটি শুনলে শিউরে উঠবেন। উষ্ণতা এতটাই বৃদ্ধি পাবে যে মাটির নিচ থেকে আগুন বাইরে বেরিয়ে আসবে।
তার মতে, পৃথিবীর মাথা আবার ঠান্ডা হবে আট বছর পর। ২০২৫ সালে পৃথিবী স্থিতিশীল অবস্থায় আসবে বলেও আন্দাজ করেছিলেন নস্ত্রাদামুস।