ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, হটলাইন চালু করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র কারচুপির অভিযোগ,ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির আরও ৪ প্রার্থী বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত মার্কিন এফ-১৫ ফাইটার জেট, দাবি ইরানের

২০১৮ সাল নিয়ে যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন নস্ত্রাদামুস

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ভবিষ্যৎ বক্তা নস্ত্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণীর উপর বিশ্বাস রয়েছে পুরো বিশ্বের। এখনও পর্যন্ত তিনি যা কিছু আন্দাজ করেছেন, তার অনেকটাই মিলে গেছে।

রানি ডায়নার মৃত্যু থেকে ৯/১১-র ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ভেঙে পড়া, হিটলারের উত্থান থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সব ভবিষ্যদ্বণীই বাস্তবায়িত হয়েছে।
সেই ভবিষ্যৎ বক্তা নস্ত্রাদামুস ২০১৮ সালের ঘটতে চলা কিছু ঘটনাও আগে থেকে আন্দাজ করে রেখেছিলেন। ২০১৮ সাল নিয়ে ফরাসি চিকিৎসক নস্ত্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণী তুলে ধরা হল।
২০১৮ সাল নিয়ে খুব একটা সুখের কথা শোনাননি নস্ত্রাদামুস। তার ধারণা অনুযায়ী, পুরো দুনিয়া এমন একটা বড়সড় পরিবর্তেনর মধ্যে দিয়ে যাবে যাতে পৃথিবীর চেহারাই পালটে যাবে। কী এই বড়সড় ঘটনা? তার তথ্যে একাধিক বড়সড় প্রাকৃতিক বিপর্যের কথা উল্লেখ রয়েছে। শুধু তাই নয়, আগামী বছর এক বিরাট যুদ্ধের সাক্ষী থাকবে বিশ্ববাসী। যে মহাযুদ্ধ শুধু দুটি বা তার বেশি দেশের মধ্যে হবে, এমনটা নয়। হবে দুই গোলার্ধের মধ্যে। এ ধারণা বাস্তবায়িত হওয়ার যুক্তিও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ বর্তমানে বিশ্বের পূর্ব ও পশ্চিমের দেশগুলির মধ্যে সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়।
এখানেই শেষ নয়। তার সমীকরণের তালিকা বলছে, আগামী বছর মানুষের সঙ্গে মানুষের দ্বন্দ্ব আরও বাড়বে। আর লড়াইয়ের পর খুব কম সংখ্যক মানুষই শান্তির খোঁজ পাবেন। আকাশ থেকে উড়ে আসতে পারে আগুনের গোলা। যা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দেবে নিরীহ সাধারণ মানুষকে। নস্ত্রাদামুসের এই তথ্য যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে কিম জং উনের নিউক্লিয়ার মিসাইল নিয়ে লাগাতার পরীক্ষার ঘটনাকে।
পৃথিবীর পূর্ব দিকে অবস্থিত দেশগুলি ভয়ংকর ভূমিকম্প এবং বন্যায় বিধ্বস্ত হবে। আর পশ্চিমি দেশগুলি ক্ষতিগ্রস্থ হবে অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার পরিবর্তনে। আগামী বছর বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব আরও প্রকট হবে। জঙ্গলের সংখ্যা যেমন কমবে তেমনই পর্বতের বরফ গলে তার উচ্চতাও কমে যাবে। এর পরের ভবিষ্যতদ্বাণীটি শুনলে শিউরে উঠবেন। উষ্ণতা এতটাই বৃদ্ধি পাবে যে মাটির নিচ থেকে আগুন বাইরে বেরিয়ে আসবে।
তার মতে, পৃথিবীর মাথা আবার ঠান্ডা হবে আট বছর পর। ২০২৫ সালে পৃথিবী স্থিতিশীল অবস্থায় আসবে বলেও আন্দাজ করেছিলেন নস্ত্রাদামুস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের

২০১৮ সাল নিয়ে যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন নস্ত্রাদামুস

আপডেট সময় ১১:৩৩:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ভবিষ্যৎ বক্তা নস্ত্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণীর উপর বিশ্বাস রয়েছে পুরো বিশ্বের। এখনও পর্যন্ত তিনি যা কিছু আন্দাজ করেছেন, তার অনেকটাই মিলে গেছে।

রানি ডায়নার মৃত্যু থেকে ৯/১১-র ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ভেঙে পড়া, হিটলারের উত্থান থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সব ভবিষ্যদ্বণীই বাস্তবায়িত হয়েছে।
সেই ভবিষ্যৎ বক্তা নস্ত্রাদামুস ২০১৮ সালের ঘটতে চলা কিছু ঘটনাও আগে থেকে আন্দাজ করে রেখেছিলেন। ২০১৮ সাল নিয়ে ফরাসি চিকিৎসক নস্ত্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণী তুলে ধরা হল।
২০১৮ সাল নিয়ে খুব একটা সুখের কথা শোনাননি নস্ত্রাদামুস। তার ধারণা অনুযায়ী, পুরো দুনিয়া এমন একটা বড়সড় পরিবর্তেনর মধ্যে দিয়ে যাবে যাতে পৃথিবীর চেহারাই পালটে যাবে। কী এই বড়সড় ঘটনা? তার তথ্যে একাধিক বড়সড় প্রাকৃতিক বিপর্যের কথা উল্লেখ রয়েছে। শুধু তাই নয়, আগামী বছর এক বিরাট যুদ্ধের সাক্ষী থাকবে বিশ্ববাসী। যে মহাযুদ্ধ শুধু দুটি বা তার বেশি দেশের মধ্যে হবে, এমনটা নয়। হবে দুই গোলার্ধের মধ্যে। এ ধারণা বাস্তবায়িত হওয়ার যুক্তিও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ বর্তমানে বিশ্বের পূর্ব ও পশ্চিমের দেশগুলির মধ্যে সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়।
এখানেই শেষ নয়। তার সমীকরণের তালিকা বলছে, আগামী বছর মানুষের সঙ্গে মানুষের দ্বন্দ্ব আরও বাড়বে। আর লড়াইয়ের পর খুব কম সংখ্যক মানুষই শান্তির খোঁজ পাবেন। আকাশ থেকে উড়ে আসতে পারে আগুনের গোলা। যা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দেবে নিরীহ সাধারণ মানুষকে। নস্ত্রাদামুসের এই তথ্য যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে কিম জং উনের নিউক্লিয়ার মিসাইল নিয়ে লাগাতার পরীক্ষার ঘটনাকে।
পৃথিবীর পূর্ব দিকে অবস্থিত দেশগুলি ভয়ংকর ভূমিকম্প এবং বন্যায় বিধ্বস্ত হবে। আর পশ্চিমি দেশগুলি ক্ষতিগ্রস্থ হবে অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার পরিবর্তনে। আগামী বছর বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব আরও প্রকট হবে। জঙ্গলের সংখ্যা যেমন কমবে তেমনই পর্বতের বরফ গলে তার উচ্চতাও কমে যাবে। এর পরের ভবিষ্যতদ্বাণীটি শুনলে শিউরে উঠবেন। উষ্ণতা এতটাই বৃদ্ধি পাবে যে মাটির নিচ থেকে আগুন বাইরে বেরিয়ে আসবে।
তার মতে, পৃথিবীর মাথা আবার ঠান্ডা হবে আট বছর পর। ২০২৫ সালে পৃথিবী স্থিতিশীল অবস্থায় আসবে বলেও আন্দাজ করেছিলেন নস্ত্রাদামুস।