ঢাকা ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

দেশের থানাগুলো নারী ও শিশুবান্ধব করে গড়ে তোলা হচ্ছে: আইজিপি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, দেশের থানাগুলোকে পর্যায়ক্রমে নারী ও শিশুবান্ধব করে গড়ে তোলা হচ্ছে। তিনি বলেন,নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে পুলিশ অত্যন্ত আন্তরিক। নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা তদন্তের ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা ও সক্ষমতা অনেকাংশে বেড়েছে বলেও আইজিপি উল্লেখ করেন।

আইজিপি আজ সোমবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ‘জেন্ডার ভিত্তিক ভায়োলেন্স থেকে শিশু ও নারীদের সুরক্ষায় টেকসই উদ্যোগ’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি স্পেশাল ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট ড. এ এফ এম মাসুম রব্বানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পোও এবং বাংলাদেশে ইউএনএফপিএ’র প্রতিনিধি লরি কাটো। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন ও অপারেশনস্) মো. মোখলেসুর রহমান।

আইজিপি বলেন, পুলিশ বা অন্য কোন একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এ জন্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, দেশি-বিদেশি এনজিও এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মিয়া সেপ্পোও জেন্ডার সহিংসতা নির্মূলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার মধ্যে দিয়ে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে পুলিশী কর্মকান্ডের সাফল্য কামনা করেন। লরি কাটো বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা বিশেষ করে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ অর্জনে সক্ষম হবে।

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা তদন্তে পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা বাড়ানো এবং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জনসচেতনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশ জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। আগামী ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রকল্পটি চলবে। ঢাকা মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানাসহ দেশের ৪টি জেলার ৫১টি থানায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের আওতায় ১২টি উইমেন হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। বগুড়া জেলায় আরো ৩টি হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হবে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে রাঙ্গামাটি জেলাসহ দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার নির্যাতিত নারী ও শিশুকে আইনি সহায়তা ও সুরক্ষা দিয়ে আসছে। অনুষ্ঠানে উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারগণ এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

দেশের থানাগুলো নারী ও শিশুবান্ধব করে গড়ে তোলা হচ্ছে: আইজিপি

আপডেট সময় ০৭:১৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, দেশের থানাগুলোকে পর্যায়ক্রমে নারী ও শিশুবান্ধব করে গড়ে তোলা হচ্ছে। তিনি বলেন,নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে পুলিশ অত্যন্ত আন্তরিক। নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা তদন্তের ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা ও সক্ষমতা অনেকাংশে বেড়েছে বলেও আইজিপি উল্লেখ করেন।

আইজিপি আজ সোমবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ‘জেন্ডার ভিত্তিক ভায়োলেন্স থেকে শিশু ও নারীদের সুরক্ষায় টেকসই উদ্যোগ’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি স্পেশাল ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট ড. এ এফ এম মাসুম রব্বানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পোও এবং বাংলাদেশে ইউএনএফপিএ’র প্রতিনিধি লরি কাটো। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন ও অপারেশনস্) মো. মোখলেসুর রহমান।

আইজিপি বলেন, পুলিশ বা অন্য কোন একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এ জন্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, দেশি-বিদেশি এনজিও এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মিয়া সেপ্পোও জেন্ডার সহিংসতা নির্মূলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার মধ্যে দিয়ে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে পুলিশী কর্মকান্ডের সাফল্য কামনা করেন। লরি কাটো বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা বিশেষ করে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ অর্জনে সক্ষম হবে।

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা তদন্তে পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা বাড়ানো এবং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জনসচেতনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশ জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। আগামী ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রকল্পটি চলবে। ঢাকা মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানাসহ দেশের ৪টি জেলার ৫১টি থানায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের আওতায় ১২টি উইমেন হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। বগুড়া জেলায় আরো ৩টি হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হবে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে রাঙ্গামাটি জেলাসহ দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার নির্যাতিত নারী ও শিশুকে আইনি সহায়তা ও সুরক্ষা দিয়ে আসছে। অনুষ্ঠানে উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারগণ এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।