অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
পুলিশ দাবি করেছে রংপুরে ‘ধর্ম অবমাননার’ অভিযোগে হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ‘চার ইন্ধনদাতাকে চিহ্নিত’ করা হয়েছে। শনিবার বিকালে রংপুরের এসপি মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ইতিমধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে।
এসপি জনান, “হামলার আগে শলেয়াশাহ এলাকায় মানববন্ধন চলাকালে জাতীয়তাবাদী ওলামাদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর জেলা সভাপতি ইনামুল হক মাজেদি, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য মাসুদ রানা, সদরের খলেয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও শলেয়াশাহ জামে মসজিদের ইমাম সিরাজুল ইসলাম এবং খলেয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সদস্য মোস্তাইন বিল্লাহ উস্কানিমূলক বক্তব্য দেন।
“পরে তাদের নেতৃত্বে জামায়াত-শিবির এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তারাই হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটের ইন্ধনদাতা।” তিনি বলেন, ইন্ধনদাতাদের মধ্যে জামায়াত নেতা সিরাজুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের বাড়িতে অভিযান চালালেও কাউকে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আটক ৫৩ জন ও আহতরা সকলেই স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে এসপি বলেন, “একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষ্যেই তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।” হামলাকারীরা ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ওঠা টিটু রায় নামের সেই যুবকের বাড়িঘরও জ্বালিয়ে দিয়েছে হামলাকারীরা। টিটু রায় দশ বছর ধরে এলাকায় থাকেন না। তিনি লেখাপড়াও জানেন না। ফেইসবুকে তার দেওয়া ধর্ম অবমাননার স্ট্যাটাস খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় এসআই রেজাউল করিম (গঙ্গাচড়া থানা) ও এসআই রফিকুল ইসলাম (কোতোয়ালি থানা) বাদী হয়ে দুটি মামলা করেছেন। এসব মামলায় দুই হাজারের বেশি লোককে আসামি করা।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















