ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস রাজনৈতিক পরিবর্তনে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে : ড্যান মজিনা জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে বিএনপি : সালাহউদ্দিন ‘অনিবার্য কারণে’ জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার সংবাদ সম্মেলন স্থগিত যে দল ইসরাইলের টাকায় চলে সেই দলে আমি থাকতে পারি না: রেজা কিবরিয়া নির্বাচনে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারবে না, সবাই সহযোগিতা করলে শান্তিপূর্ণভাবে হয়ে যাবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ‘সবাইকেই তো দেখলাম, এবার জামায়াতকে দেখব’,বক্তব্যের অন্তর্নিহিত গোমর ফাঁস করলেন হামিম গোপালগঞ্জে মা-বাবাকে জীবন্ত কবর দেওয়ার চেষ্টা, দুই ছেলে গ্রেফতার আইসিসির রিপোর্টই ভাবতে বাধ্য করেছে, যে ভারতে ঝুঁকি আছে: আসিফ নজরুল বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু

মশা মারার অভিনব কৌশল!

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

এবার মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয় মশা মারার অভিনব কৌশাল তৈরি করেছে। আলোগুলো যখন জ্বলে, তখন তা থেকে নির্গত হয় কম ঘনত্বের কার্বন ডাই-অক্সাইড। আর সেটাই ওই আলো-ফাঁদের দিকে টেনে আনে মশাদের। আলোর নীচে রাখা জালে মশা টপাটপ পড়বে আর মরবে।

মালয়েশিয়ার মালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই প্রযুক্তি এতদিন পরীক্ষামূলক স্তরে ছিল। কিন্তু পরীক্ষায় তা পাশ করার পরে এখন সেই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করছে তারা।

মানুষের নিঃশ্বাসের সঙ্গে নির্গত হাল্কা কার্বন ডাই অক্সাই়ড এবং ঘামের সঙ্গে বেরিয়ে আসা ল্যাকটিক অ্যাসিড মশাদের আকর্ষণ করে। ওই গন্ধই মশাদের টেনে আনে মানুষের দিকে। মশার সেই চরিত্রকে কাজে লাগিয়েই মালয়েশিয়ায় তৈরি হয়েছে এই নতুন ধরনের সৌর আলো।

কী ভাবে তৈরি হয় ওই হাল্কা ঘনত্বের কার্বন ডাই-অক্সাইড?  মালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা দেখেছেন, আলোর অতিবেগুনি রশ্মির সঙ্গে টাইটেনিয়াম ডাই-অক্সাইডের বিক্রিয়ায় মৃদু (কম ঘনত্বের) কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হচ্ছে। তাই আলো জ্বলার কিছু ক্ষণের মধ্যেই মশারা ওই আলোর দিকে ছুটে আসছে। ’’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভয়ংকর অবস্থায় ফ্রান্সের অর্থনীতি

মশা মারার অভিনব কৌশল!

আপডেট সময় ১১:৫৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

এবার মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয় মশা মারার অভিনব কৌশাল তৈরি করেছে। আলোগুলো যখন জ্বলে, তখন তা থেকে নির্গত হয় কম ঘনত্বের কার্বন ডাই-অক্সাইড। আর সেটাই ওই আলো-ফাঁদের দিকে টেনে আনে মশাদের। আলোর নীচে রাখা জালে মশা টপাটপ পড়বে আর মরবে।

মালয়েশিয়ার মালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই প্রযুক্তি এতদিন পরীক্ষামূলক স্তরে ছিল। কিন্তু পরীক্ষায় তা পাশ করার পরে এখন সেই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করছে তারা।

মানুষের নিঃশ্বাসের সঙ্গে নির্গত হাল্কা কার্বন ডাই অক্সাই়ড এবং ঘামের সঙ্গে বেরিয়ে আসা ল্যাকটিক অ্যাসিড মশাদের আকর্ষণ করে। ওই গন্ধই মশাদের টেনে আনে মানুষের দিকে। মশার সেই চরিত্রকে কাজে লাগিয়েই মালয়েশিয়ায় তৈরি হয়েছে এই নতুন ধরনের সৌর আলো।

কী ভাবে তৈরি হয় ওই হাল্কা ঘনত্বের কার্বন ডাই-অক্সাইড?  মালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা দেখেছেন, আলোর অতিবেগুনি রশ্মির সঙ্গে টাইটেনিয়াম ডাই-অক্সাইডের বিক্রিয়ায় মৃদু (কম ঘনত্বের) কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হচ্ছে। তাই আলো জ্বলার কিছু ক্ষণের মধ্যেই মশারা ওই আলোর দিকে ছুটে আসছে। ’’