ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

স্ত্রীর সন্তান হওয়ায় বিচ্ছেদ ঘোষণা ৮০ বছরের বৃদ্ধের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্ত্রী একটি সন্তান জন্ম দেওয়ার পর থেকে পারিবারিক কলহের জের ধরে বিবাহ বিচ্ছেদ করলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লায় ৮০ বছরের এক বৃদ্ধ। এ ঘটনায় উপজেলায় বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ৮০ বছরের ওই বৃদ্ধের নাম দয়াল মিয়া। তার স্ত্রী শেফালী বেগমের বয়স এখন ৩২। স্ত্রীর বিরুদ্ধে তার অভিযোগ, ১৫ দিন পূর্বে জন্ম নেয়া সন্তান তার নিজের ঔরসের নয়। তবে, শেফলী বেগম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন সন্তানের পিতা দয়াল মিয়া।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মন্টু মেম্বার বলেন, আশি বছর বয়সের বৃদ্ধ দয়াল মিয়ার প্রথম স্ত্রী ১৮ বছর আগে অসুস্থ হয়ে মারা যান। ওই সংসারে দয়াল মিয়ার ৩ ছেলে ২ মেয়ে রয়েছে। তার ওই ৫জন ছেলে মেয়েকে বিয়ে দেয়া হয়েছে। তাদের সংসারেও সন্তান রয়েছে। প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর ফতুল্লা রেলস্টেশন এলাকায় শেফালী বেগম (৩২) নামে যুবতীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন দয়াল মিয়া। বিয়ের পর তাদের একটি ছেলে সন্তান জন্ম হয়।

সম্প্রতি শেফালী আরেকটি পুত্র সন্তান প্রসব করেন। এনিয়ে দুজনের মধ্যে তর্ক হয়। পরে দয়াল মিয়া ওই সন্তানকে অবৈধ দাবি করে গ্রাম্য শালিশ ডাকেন। মন্টু মেম্বার আরো জানান, শালিশে সকলের সম্মতিতে বলা হয়, যেহেতু তাদের বিয়ের কাবিন নেই। মুন্সি দিয়ে বিয়ে হয়েছিল। সেহেতু শেফালীকে দেনমোহর বাবদ ৯ হাজার টাকা দিয়ে দেবেন দয়াল মিয়া। আর তাদের প্রথম সন্তান আহাদ আলী (৮) তার ভরণপোষণ বাবদ মাসে এক হাজার টাকা করে দয়াল মিয়া দিয়ে যাবেন।

দয়াল মিয়া বলেন, বয়সের ভারে আমি এখন প্রায় সময় অসুস্থ হয়ে থাকি। নিজের সেবা যত্নের জন্যই বিয়ে করেছিলাম। শেফালী ১৫দিন পূর্বে পুত্র সন্তান প্রসব করেছে। আমি জানি না। সে কয়েক বছর হয় আমার সাথে বসবাস করে না। পিলকুনি পশ্চিপাড়া রওশন আরার বাড়িতে ভাড়া থেকে একটি টেক্সটাইল মিলে কাজ করে। তার চরিত্র নিয়ে অনেকে আমার সামনে সমালোচনা করেছিল।

স্ত্রী শেফালী বেগম বলেন, আমার সন্তান বৈধ। আমার সন্তানের বাবা আমার স্বামী দয়াল মিয়া। এক সন্তান নিয়ে কোন মতে বেঁচে আছি। এরমধ্যে স্বামীর জোড়াজুড়িতে আরেকটি সন্তান হয়েছে। ভরণপোষণ করতে পারবো না। তাই এক শিক্ষক দম্পতির কাছে সন্তানটি দত্তক দিয়েছি। আমি এ বিচ্ছেদ মানি না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

স্ত্রীর সন্তান হওয়ায় বিচ্ছেদ ঘোষণা ৮০ বছরের বৃদ্ধের

আপডেট সময় ০২:০৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্ত্রী একটি সন্তান জন্ম দেওয়ার পর থেকে পারিবারিক কলহের জের ধরে বিবাহ বিচ্ছেদ করলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লায় ৮০ বছরের এক বৃদ্ধ। এ ঘটনায় উপজেলায় বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ৮০ বছরের ওই বৃদ্ধের নাম দয়াল মিয়া। তার স্ত্রী শেফালী বেগমের বয়স এখন ৩২। স্ত্রীর বিরুদ্ধে তার অভিযোগ, ১৫ দিন পূর্বে জন্ম নেয়া সন্তান তার নিজের ঔরসের নয়। তবে, শেফলী বেগম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন সন্তানের পিতা দয়াল মিয়া।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মন্টু মেম্বার বলেন, আশি বছর বয়সের বৃদ্ধ দয়াল মিয়ার প্রথম স্ত্রী ১৮ বছর আগে অসুস্থ হয়ে মারা যান। ওই সংসারে দয়াল মিয়ার ৩ ছেলে ২ মেয়ে রয়েছে। তার ওই ৫জন ছেলে মেয়েকে বিয়ে দেয়া হয়েছে। তাদের সংসারেও সন্তান রয়েছে। প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর ফতুল্লা রেলস্টেশন এলাকায় শেফালী বেগম (৩২) নামে যুবতীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন দয়াল মিয়া। বিয়ের পর তাদের একটি ছেলে সন্তান জন্ম হয়।

সম্প্রতি শেফালী আরেকটি পুত্র সন্তান প্রসব করেন। এনিয়ে দুজনের মধ্যে তর্ক হয়। পরে দয়াল মিয়া ওই সন্তানকে অবৈধ দাবি করে গ্রাম্য শালিশ ডাকেন। মন্টু মেম্বার আরো জানান, শালিশে সকলের সম্মতিতে বলা হয়, যেহেতু তাদের বিয়ের কাবিন নেই। মুন্সি দিয়ে বিয়ে হয়েছিল। সেহেতু শেফালীকে দেনমোহর বাবদ ৯ হাজার টাকা দিয়ে দেবেন দয়াল মিয়া। আর তাদের প্রথম সন্তান আহাদ আলী (৮) তার ভরণপোষণ বাবদ মাসে এক হাজার টাকা করে দয়াল মিয়া দিয়ে যাবেন।

দয়াল মিয়া বলেন, বয়সের ভারে আমি এখন প্রায় সময় অসুস্থ হয়ে থাকি। নিজের সেবা যত্নের জন্যই বিয়ে করেছিলাম। শেফালী ১৫দিন পূর্বে পুত্র সন্তান প্রসব করেছে। আমি জানি না। সে কয়েক বছর হয় আমার সাথে বসবাস করে না। পিলকুনি পশ্চিপাড়া রওশন আরার বাড়িতে ভাড়া থেকে একটি টেক্সটাইল মিলে কাজ করে। তার চরিত্র নিয়ে অনেকে আমার সামনে সমালোচনা করেছিল।

স্ত্রী শেফালী বেগম বলেন, আমার সন্তান বৈধ। আমার সন্তানের বাবা আমার স্বামী দয়াল মিয়া। এক সন্তান নিয়ে কোন মতে বেঁচে আছি। এরমধ্যে স্বামীর জোড়াজুড়িতে আরেকটি সন্তান হয়েছে। ভরণপোষণ করতে পারবো না। তাই এক শিক্ষক দম্পতির কাছে সন্তানটি দত্তক দিয়েছি। আমি এ বিচ্ছেদ মানি না।