অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শিগগিরই মিয়ানমারসহ পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশ সফরে যাচ্ছেন। মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে যখন দেশটির সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালাচ্ছে তখন এই সফরের পরিকল্পনা করেছেন ট্রাম্প।
রোহিঙ্গা মুসলমাদের বিরুদ্ধে জাতিগত শুদ্ধি অভিযান ও লাখ লাখ রোহিঙ্গার বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় যখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিন্দার ঝড় বয়ে গেছে তখন ওয়াশিংটন এ ব্যাপারে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। মার্কিন সরকার নিজেকে মানবাধিকারের রক্ষক বলে দাবি করলেও রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর ভয়াবহ গণহত্যার ব্যাপারে নীরবতা পালন করছে।
এ ব্যাপারে ওয়াশিংটনের ওপর ব্যাপক আন্তর্জাতিক চাপের পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন গত সপ্তাহে অনেকটা নিস্ক্রিয়ভাবে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নিন্দা জানান। কিন্তু তিনি হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলমানকে হত্যার বিষয়টিকে জাতিগত শুদ্ধি অভিযান বা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বলতে অস্বীকৃতি জানান।
মিয়ানমারে জাতিগত শুদ্ধি অভিযানের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার সময় নৌকাডুবিতে নিহত শিশুসন্তানের লাশ কোলে নিয়ে একজন রোহিঙ্গা বাবার আহাজারি (ফাইল ছবি)
সম্প্রতি মার্কিন দৈনিক ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’ মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জাতিগত শুদ্ধি অভিযান প্রসঙ্গে লিখেছে, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জাতিগত শুদ্ধি অভিযান শুরুর তিন মাস পার হলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোহিঙ্গা নির্যাতন সম্পর্কে নীরব রয়েছেন এবং তার সরকার এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপই নেয়নি। জাতিসংঘের পরিদর্শকরা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছেন, মিয়ানমারে যা ঘটছে তা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।
গত ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর সেদেশের সেনাবাহিনী জাতিগত শুদ্ধি অভিযান শুরু করে। এ পর্যন্ত এই পাশবিক হামলায় প্রায় ছয় হাজার মুসলমান নিহত ও অপর অন্তত আট হাজার লোক আহত হয়েছে। এ ছাড়া, নির্যাতন থেকে রক্ষা পেতে পাঁচ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মুসলমান প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















