ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস রাজনৈতিক পরিবর্তনে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে : ড্যান মজিনা জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে বিএনপি : সালাহউদ্দিন ‘অনিবার্য কারণে’ জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার সংবাদ সম্মেলন স্থগিত যে দল ইসরাইলের টাকায় চলে সেই দলে আমি থাকতে পারি না: রেজা কিবরিয়া নির্বাচনে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারবে না, সবাই সহযোগিতা করলে শান্তিপূর্ণভাবে হয়ে যাবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ‘সবাইকেই তো দেখলাম, এবার জামায়াতকে দেখব’,বক্তব্যের অন্তর্নিহিত গোমর ফাঁস করলেন হামিম গোপালগঞ্জে মা-বাবাকে জীবন্ত কবর দেওয়ার চেষ্টা, দুই ছেলে গ্রেফতার

ওয়ানডেতেও হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্টের পর ওয়ানডে সিরিজেও হোয়াইওয়াশ হলো বাংলাদেশ। ইস্ট লন্ডনে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে স্বাগতিকরা জিতেছে ২০০ রানে। দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ৩৬৯ রানের জবাবে ১৬৯ রানেই অলআউট হয় সফরকারীরা। এর আগে টেস্ট সিরিজেও ২-০ ব্যবধানে হেরেছিল লাল-সবুজের দল।

ইস্ট লন্ডনে প্রথমে ব্যাটিং করে ৩৬৯ রানের বিশাল লক্ষ্য দাঁড় করায় দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে সাকিব আল হাসানের হাফ সেঞ্চুরি সত্বেও ১৬৯ রানর বেশি করতে পারেনি মাশরাফির দল।

আজ বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারিয়ে বসেছে বাংলাদেশ। প্যাটারসনের বলে সাজঘরে ফিরে যান ইমরুল কায়েস। এরপর চতুর্থ ওভারে প্যাটারসনই লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন লিটন দাসকে। টাইগারদের স্কোর তখন ১৫ রান। এরপর দলীয় ২০ রানে টাইগারদের বিপদ বাড়িয়ে ফিরে যান সৌম্য সরকার। রাবাদার বলে স্লিপে ক্যাচ নেন মার্করাম। এর পর সাজ ঘরে ফিরেছেন মুশফিকুর রহিম এবং মাহমুদউল্লাহও।

আগের দুই ম্যাচে দারুণ ব্যাটিং করা মুশফিক আউট হন ৮ রান করে। আগের দুটি ম্যাচের মতো আজো বাজে ব্যাটিং করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দলের যখন তাঁকে খুব বেশি প্রয়োজন ঠিক সেই সময় মুল্ডারের বলে লেগ বিফোর হন তিনি। পাঁচ উইকেট পরার পর অবশ্য সাকিব আল হাসান ও সাব্বির রহমান ইনিংসটাকে মেরামতের বেশ চেষ্টা করেন। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ৬৭ রান যোগ করেন তাঁরা। হাফ সেঞ্চুরির পর বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন সাকিব। সেটার খেসারতও দেন তিনি। ৬৩ রান করার পর মার্করামের বলে ডুমিনিকে ক্যাচ দিয়ে বসেন এই অলরাউন্ডার।

সাব্বিরও বেশিক্ষণ টিকেননি। ৩৯ রান কবরে মার্করামের দ্বিতীয় শিকার হন তিনি। এরপর অধিনায়ক মাশরাফি, তাসকিন ও মিরাজরা মিলেও পরাজয়ের ব্যবধানটা খুব বেশি কমাতে পারেননি।

টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে আগের দুটি ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও শুরুটা ভালো করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। উদ্বোধনী জুটিতে ১১৯ রান তুলে নেন কুইন্টন ডি কক ও টিম্বা বাভুমা। জোড়া আঘাত করে টাইগারদের মনে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৪৭ বলে ৪৮ রান করেন বাভুমা। ৬৮ বলে ৭৩ রান করেন ডি কক। এরপর তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১৫১ রান যোগ করেন অধিনায়ক ফাফ দু প্লেসি ও এইডেন মার্করাম। ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়েন দু প্লেসি। ৬৭ বলে ৯১ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হন প্রোটিয়া দলনেতা।

খানিকবাদে দারুণ এক থ্রোয়ে মার্করামকে ফেরান ইমরুল কায়েস। ৬৬ রান করেন এই ব্যাটসম্যান। শেষ পর্যন্ত ফারহান বেহারডিন ও কাগিসো রাবাদার দারুণ কিছু শটে ৩৬৯ রানের বিশাল স্কোর সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়ানডেতেও হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০১:০১:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্টের পর ওয়ানডে সিরিজেও হোয়াইওয়াশ হলো বাংলাদেশ। ইস্ট লন্ডনে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে স্বাগতিকরা জিতেছে ২০০ রানে। দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ৩৬৯ রানের জবাবে ১৬৯ রানেই অলআউট হয় সফরকারীরা। এর আগে টেস্ট সিরিজেও ২-০ ব্যবধানে হেরেছিল লাল-সবুজের দল।

ইস্ট লন্ডনে প্রথমে ব্যাটিং করে ৩৬৯ রানের বিশাল লক্ষ্য দাঁড় করায় দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে সাকিব আল হাসানের হাফ সেঞ্চুরি সত্বেও ১৬৯ রানর বেশি করতে পারেনি মাশরাফির দল।

আজ বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারিয়ে বসেছে বাংলাদেশ। প্যাটারসনের বলে সাজঘরে ফিরে যান ইমরুল কায়েস। এরপর চতুর্থ ওভারে প্যাটারসনই লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন লিটন দাসকে। টাইগারদের স্কোর তখন ১৫ রান। এরপর দলীয় ২০ রানে টাইগারদের বিপদ বাড়িয়ে ফিরে যান সৌম্য সরকার। রাবাদার বলে স্লিপে ক্যাচ নেন মার্করাম। এর পর সাজ ঘরে ফিরেছেন মুশফিকুর রহিম এবং মাহমুদউল্লাহও।

আগের দুই ম্যাচে দারুণ ব্যাটিং করা মুশফিক আউট হন ৮ রান করে। আগের দুটি ম্যাচের মতো আজো বাজে ব্যাটিং করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দলের যখন তাঁকে খুব বেশি প্রয়োজন ঠিক সেই সময় মুল্ডারের বলে লেগ বিফোর হন তিনি। পাঁচ উইকেট পরার পর অবশ্য সাকিব আল হাসান ও সাব্বির রহমান ইনিংসটাকে মেরামতের বেশ চেষ্টা করেন। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ৬৭ রান যোগ করেন তাঁরা। হাফ সেঞ্চুরির পর বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন সাকিব। সেটার খেসারতও দেন তিনি। ৬৩ রান করার পর মার্করামের বলে ডুমিনিকে ক্যাচ দিয়ে বসেন এই অলরাউন্ডার।

সাব্বিরও বেশিক্ষণ টিকেননি। ৩৯ রান কবরে মার্করামের দ্বিতীয় শিকার হন তিনি। এরপর অধিনায়ক মাশরাফি, তাসকিন ও মিরাজরা মিলেও পরাজয়ের ব্যবধানটা খুব বেশি কমাতে পারেননি।

টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে আগের দুটি ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও শুরুটা ভালো করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। উদ্বোধনী জুটিতে ১১৯ রান তুলে নেন কুইন্টন ডি কক ও টিম্বা বাভুমা। জোড়া আঘাত করে টাইগারদের মনে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৪৭ বলে ৪৮ রান করেন বাভুমা। ৬৮ বলে ৭৩ রান করেন ডি কক। এরপর তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১৫১ রান যোগ করেন অধিনায়ক ফাফ দু প্লেসি ও এইডেন মার্করাম। ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়েন দু প্লেসি। ৬৭ বলে ৯১ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হন প্রোটিয়া দলনেতা।

খানিকবাদে দারুণ এক থ্রোয়ে মার্করামকে ফেরান ইমরুল কায়েস। ৬৬ রান করেন এই ব্যাটসম্যান। শেষ পর্যন্ত ফারহান বেহারডিন ও কাগিসো রাবাদার দারুণ কিছু শটে ৩৬৯ রানের বিশাল স্কোর সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা।