ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বর্তমান সরকার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে ৯০.৬৬ মিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ব্লক রেইড জোরদার চীনের ‘ওয়ান চায়না পলিসি’র প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত ফখরুলের ‘শিক্ষার মান নিশ্চিতের সঙ্গে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা বিস্তারে জোর দিতে হবে’ মসজিদে আগুন লাগানোর দায়ে ইরানে গুপ্তচরের ফাঁসি এসএসসি কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখলাম : মাহদী আমিন জ্বালানি দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ হবে: ডা. জাহেদ আশুলিয়ায় সাংবাদিককে ডেকে নিয়ে হত্যাচেষ্টা আলোচনায় বস, নাহলে কঠোর পরিণতি—ইরানকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

ভুলেও বিশ্বের এই ছ’টি জায়গায় যাওয়ার চেষ্টা করবেন না

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সারা বিশ্ব জুড়েই এদিক ওদিকে ছড়িয়ে রয়েছে নানা রহস্য৷ সেই সমস্ত রহস্যের সমাধান অনেকক্ষেত্রেই হয়ে ওঠেনি৷ এই সমস্ত জায়গাগুলিকে ঘিরে মানুষের মনে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে৷ যে জিনিসটির উপরই থাকে নিষেধাজ্ঞা সেই জিনসটির প্রতিই মানুষের কৌতুহল অপার৷ বিশ্বে রয়েছে এমনই আটটি জায়গা যেটিতে পর্যটকদের জন্যেও যাওয়া নিষিদ্ধ৷ এই ছয়টি জায়গা লুক্কায়িত থাকার পিছনে রহস্যের সমাধান করতে পারেনি কোনও গবেষকও৷ দেখে নিন সেই ছয়টি জায়গাগুলি কি কি?

১) উত্তর সেনটিনেল দ্বীপ: বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত এই দ্বীপটি৷ প্রায় ২৮ বর্গকিমি জুড়ে এই এলাকাটি অবস্থিত৷ আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত এই দ্বীপটি প্রবাল প্রাচীর দিয়ে ঘেরা৷ এই দ্বীপের জনবসতি মাত্র ৫০ থেকে ৪০০ সেন্টিনেলিসের৷ যারা সমগ্র দুনিয়া থেকেই বিচ্ছিন্ন৷ ১৯৭৫ সালে ন্যাশানাল জিওগ্রাফিকের একজন চিত্র পরিচালক তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চেয়েও ব্যর্থ হন৷ এরপর ১৯৯৬ সালে ভার সরকার এদের সঙ্গে যোগাযোগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে৷

২) লাসক্যাউক্স গুহা: ফ্রান্সের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এই বিশেষ গুহাটি৷ কথিত আছে, ২০ হাজার বছর আগে এই গুহাটি তৈরি হয়েছে৷ এই গুহার গায়ে চিত্রিত ছবিগুলি বেশিরভাগই পশুদের ছবি দিয়ে তৈরি৷ ১৮ বছর বয়সী এক যুবক এই গুহার দরজাটি আবিষ্কার করে৷ ১৯৪৮ সালে এই গুহাটি পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হলেও ১৯৬৩সালে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ কারণ এই গুহার গায়ে খোদাই করা শিল্পগুলি আসতে আসতে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল৷

৩) মেট্রো-২: মস্কোতে রয়েছে এই গোপন মেট্রো৷ জোসেফ স্ট্যালিন এই এই মেট্রোটির আবিষ্কার করে৷ ক্রেমলিন থেকে এফএসবি হেডকোয়ার্টার অবধি বিশাল রাস্তাকে যুক্ত করেছে এই মেট্রোর রাস্তাটি৷

৪) ইসে গ্র্যান্ড মন্দির: এটি জাপানে অবস্থিত৷ এটি পবিত্র ধর্মস্থান হিসেবে বিখ্যাত৷ এখানে আমাতেরাসুকে পূজা করা হয়৷ ৪ খ্রীষ্ট পূর্বাব্দে এই মন্দিরটি তৈরি করা হয়েছিল৷ একমাত্র ধর্মযাজক এবং ধর্মযাজিকারাই এই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারেন৷ যদি তারা জাপানের সাম্রাজ্যবাদী পরিবারের সদস্য হন৷

৫) পূর্ব রেনেল, সলোমন আইল্যান্ড: এই দ্বীপটিকে UNESCO-র তরফে হেরিটেজের তকমা দেওয়া হয়েছে৷ বিশ্বাস করা হয়, দৈত্যরা বাস করেন এখানে৷

৬) ইস্টার দ্বীপ: প্রশান্ত মহাসাগরের উপর চিলিতে অবস্থিত এই দ্বীপটি৷ এটি বিশ্বের অন্যতম প্রান্ত স্থান৷ সামান্য বেশ কিছু বাসিন্দাও এখানে বাস রয়েছে৷ কিন্তু তারা কারা সেই বিষয়ে কোনও তথ্য জানা যায়নি৷

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বর্তমান সরকার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে ৯০.৬৬ মিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী

ভুলেও বিশ্বের এই ছ’টি জায়গায় যাওয়ার চেষ্টা করবেন না

আপডেট সময় ১০:১৮:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সারা বিশ্ব জুড়েই এদিক ওদিকে ছড়িয়ে রয়েছে নানা রহস্য৷ সেই সমস্ত রহস্যের সমাধান অনেকক্ষেত্রেই হয়ে ওঠেনি৷ এই সমস্ত জায়গাগুলিকে ঘিরে মানুষের মনে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে৷ যে জিনিসটির উপরই থাকে নিষেধাজ্ঞা সেই জিনসটির প্রতিই মানুষের কৌতুহল অপার৷ বিশ্বে রয়েছে এমনই আটটি জায়গা যেটিতে পর্যটকদের জন্যেও যাওয়া নিষিদ্ধ৷ এই ছয়টি জায়গা লুক্কায়িত থাকার পিছনে রহস্যের সমাধান করতে পারেনি কোনও গবেষকও৷ দেখে নিন সেই ছয়টি জায়গাগুলি কি কি?

১) উত্তর সেনটিনেল দ্বীপ: বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত এই দ্বীপটি৷ প্রায় ২৮ বর্গকিমি জুড়ে এই এলাকাটি অবস্থিত৷ আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত এই দ্বীপটি প্রবাল প্রাচীর দিয়ে ঘেরা৷ এই দ্বীপের জনবসতি মাত্র ৫০ থেকে ৪০০ সেন্টিনেলিসের৷ যারা সমগ্র দুনিয়া থেকেই বিচ্ছিন্ন৷ ১৯৭৫ সালে ন্যাশানাল জিওগ্রাফিকের একজন চিত্র পরিচালক তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চেয়েও ব্যর্থ হন৷ এরপর ১৯৯৬ সালে ভার সরকার এদের সঙ্গে যোগাযোগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে৷

২) লাসক্যাউক্স গুহা: ফ্রান্সের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এই বিশেষ গুহাটি৷ কথিত আছে, ২০ হাজার বছর আগে এই গুহাটি তৈরি হয়েছে৷ এই গুহার গায়ে চিত্রিত ছবিগুলি বেশিরভাগই পশুদের ছবি দিয়ে তৈরি৷ ১৮ বছর বয়সী এক যুবক এই গুহার দরজাটি আবিষ্কার করে৷ ১৯৪৮ সালে এই গুহাটি পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হলেও ১৯৬৩সালে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ কারণ এই গুহার গায়ে খোদাই করা শিল্পগুলি আসতে আসতে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল৷

৩) মেট্রো-২: মস্কোতে রয়েছে এই গোপন মেট্রো৷ জোসেফ স্ট্যালিন এই এই মেট্রোটির আবিষ্কার করে৷ ক্রেমলিন থেকে এফএসবি হেডকোয়ার্টার অবধি বিশাল রাস্তাকে যুক্ত করেছে এই মেট্রোর রাস্তাটি৷

৪) ইসে গ্র্যান্ড মন্দির: এটি জাপানে অবস্থিত৷ এটি পবিত্র ধর্মস্থান হিসেবে বিখ্যাত৷ এখানে আমাতেরাসুকে পূজা করা হয়৷ ৪ খ্রীষ্ট পূর্বাব্দে এই মন্দিরটি তৈরি করা হয়েছিল৷ একমাত্র ধর্মযাজক এবং ধর্মযাজিকারাই এই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারেন৷ যদি তারা জাপানের সাম্রাজ্যবাদী পরিবারের সদস্য হন৷

৫) পূর্ব রেনেল, সলোমন আইল্যান্ড: এই দ্বীপটিকে UNESCO-র তরফে হেরিটেজের তকমা দেওয়া হয়েছে৷ বিশ্বাস করা হয়, দৈত্যরা বাস করেন এখানে৷

৬) ইস্টার দ্বীপ: প্রশান্ত মহাসাগরের উপর চিলিতে অবস্থিত এই দ্বীপটি৷ এটি বিশ্বের অন্যতম প্রান্ত স্থান৷ সামান্য বেশ কিছু বাসিন্দাও এখানে বাস রয়েছে৷ কিন্তু তারা কারা সেই বিষয়ে কোনও তথ্য জানা যায়নি৷