ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের স্টোরে ধোঁয়া

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভেতর অবস্থিত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি স্টোর ভবনে আগুনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কয়েক মিনিটের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার বিকেলে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম সময়ের আলো।

ঘটনাটি নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন বিমানবন্দরের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন। তিনি দাবি করেছেন, প্রকৃতপক্ষে ওই ভবনে কোনো আগুনের ঘটনা ঘটেনি, বরং সেখানে হঠাৎ ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর তৎপরতায় দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

শাহজালালের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই ঘটনা অগ্নিনিরাপত্তা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতির বিষয়টিকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী ও বিভিন্ন সংস্থার কর্মী চলাচল করা এই স্থানে উড়োজাহাজ পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও কার্গো ব্যবস্থাপনার মতো সংবেদনশীল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। স্টোর ভবনে সাধারণত মূল্যবান সরঞ্জাম ও উপকরণ সংরক্ষিত থাকায় এ ধরনের ঘটনায় সতর্কতা জরুরি হয়ে পড়ে। এ ধরনের স্থাপনায় ধোঁয়া বা আগুনের ঘটনা ঘটলে দ্রুত পরিস্থিতি শনাক্ত করা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

তবে ঠিক কী কারণে ওই স্টোর ভবনে ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখনো অস্পষ্ট। ভবনের কোন অংশে ধোঁয়া দেখা দিয়েছিল কিংবা ভেতরে রক্ষিত কোনো সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে এই ঘটনার কারণে কোনো বিঘ্ন ঘটেছিল কি না, সে বিষয়েও কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেনি। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তদন্তের পর আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রবাসীদের মেধাবী সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি: আবেদন শুরু ২৫ অক্টোবর

শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের স্টোরে ধোঁয়া

আপডেট সময় ১১:২৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভেতর অবস্থিত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি স্টোর ভবনে আগুনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কয়েক মিনিটের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার বিকেলে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম সময়ের আলো।

ঘটনাটি নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন বিমানবন্দরের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন। তিনি দাবি করেছেন, প্রকৃতপক্ষে ওই ভবনে কোনো আগুনের ঘটনা ঘটেনি, বরং সেখানে হঠাৎ ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর তৎপরতায় দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

শাহজালালের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই ঘটনা অগ্নিনিরাপত্তা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতির বিষয়টিকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী ও বিভিন্ন সংস্থার কর্মী চলাচল করা এই স্থানে উড়োজাহাজ পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও কার্গো ব্যবস্থাপনার মতো সংবেদনশীল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। স্টোর ভবনে সাধারণত মূল্যবান সরঞ্জাম ও উপকরণ সংরক্ষিত থাকায় এ ধরনের ঘটনায় সতর্কতা জরুরি হয়ে পড়ে। এ ধরনের স্থাপনায় ধোঁয়া বা আগুনের ঘটনা ঘটলে দ্রুত পরিস্থিতি শনাক্ত করা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

তবে ঠিক কী কারণে ওই স্টোর ভবনে ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখনো অস্পষ্ট। ভবনের কোন অংশে ধোঁয়া দেখা দিয়েছিল কিংবা ভেতরে রক্ষিত কোনো সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে এই ঘটনার কারণে কোনো বিঘ্ন ঘটেছিল কি না, সে বিষয়েও কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেনি। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তদন্তের পর আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।