ঢাকা ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

বিএনপির অঙ্গসংগঠনে নতুন মুখ খুঁজছে হাইকমান্ড

দুই দশক পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফেরার পরপরই বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দলের হাইকমান্ড যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল এবং ছাত্রদলের নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। নতুন কমিটির অপেক্ষায় থাকা এই চারটি সংগঠনে এখন স্থবিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যার ফলে অনেক সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ঝুলে আছে। বিশেষ করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষক দলের শীর্ষ নেতারা মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে একজন ব্যতীত প্রায় সবাই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা তীব্র হয়েছে। সংগঠনকে গতিশীল করা এবং ইতিবাচক ভাবমূর্তি ধরে রাখতে নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে সময় নিচ্ছেন বিএনপি’র হাইকমান্ড।

ছাত্রদলের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়া চলছে। বিএনপি প্রধান ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের ডেকে নতুন কমিটির বার্তা দিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে সেই ঘোষণার তিন মাস পেরিয়ে গেলেও নতুন কমিটি এখনও গঠন করা হয়নি। এছাড়া সম্প্রতি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি, যুবদল ও ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তিন সংগঠনের পক্ষ থেকেই জানানো হয়েছে যে শিগগিরই নতুন কমিটি আসবে। মূলত ক্লিন ইমেজের তরুণ ও মেধাবী নেতৃত্ব খুঁজে বের করতেই এই দেরি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

গত ৫ই আগস্টের পর থেকে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের অনেক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সারা দেশে চাঁদাবাজি ও দখলের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এখন নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির পাশাপাশি রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় নেতাদের মূল্যায়ন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড। কোনোভাবেই বিতর্কিতদের কমিটিতে জায়গা দেওয়া হবে না। স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, কমিটি গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্ভর করছে। পাশাপাশি আন্দোলন-সংগ্রামী রাজপথে থাকা নেতাদেরও মূল্যায়ন করা হবে। কাউন্সিলকে সামনে রেখে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড জোরদার করার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা চলছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে বিগত দিনে রাজপথের আন্দোলন ও সংগ্রামে ভূমিকাসহ দলের প্রতি নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন। একইসঙ্গে দখল, চাঁজাবাজি এবং বিতর্কিতরা কমিটিতে জায়গা পাবেন না বলেও সূত্রটি জানায়।

চলতি বছরের ডিসেম্বরে বিএনপির সপ্তম জাতীয় কাউন্সিল হওয়ার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সেটি আর হচ্ছে না। তবে আগামী জানুয়ারিতে এই কাউন্সিল হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এখনো নির্দিষ্ট কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। জাতীয় স্থায়ী কমিটির সাম্প্রতিক বৈঠকে দলের শূন্য পদ পূরণের সিদ্ধান্ত হলেও কাউন্সিল নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়নি। ২০১৬ সালের ১৯শে মার্চ সর্বশেষ ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিন বছর পর কাউন্সিল হওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও বিগত সরকারের সময়কার মামলা ও হামলার কারণে তা সম্ভব হয়নি। কাউন্সিলের বিষয়ে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপি’র জাতীয় কাউন্সিলের এখনো দিন ও তারিখ ঠিক হয়নি। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কাউন্সিলের উদ্বোধন করেছিলেন।

ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির মেয়াদ গত ১লা মার্চ শেষ হয়েছে। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির জানান, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখনই চাইবেন, তখনই কমিটি ঘোষণা করা হবে। অন্যদিকে যুবদলের দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম সোহেল জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ে তথ্য না থাকলেও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। ২০২২ সালের ৪ঠা সেপ্টেম্বর স্বেচ্ছাসেবক দলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল, যার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য হওয়ায় এখন নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায় রয়েছে সংগঠনটি। সব মিলিয়ে নতুন কাউন্সিল ও কমিটি পুনর্গঠনকে কেন্দ্র করে দলের ভেতর ও বাইরে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে এবার নেতৃত্ব বাছাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে, যা প্রচলিত ধারা থেকে দলকে বের করে আনবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তৎকালীন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একাধিকবার ডিসেম্বরে কাউন্সিল হবে বলে জানিয়েছেন। অন্যদিকে ২০২১ সালে ২০শে সেপ্টেম্বর হাসান জাফির তুহিনকে সভাপতি এবং শহিদুল ইসলাম বাবুলকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি গঠন করা হয়। এ ছাড়া ২০২৪ সালে ১লা মার্চ রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সভাপতি ও নাছির উদ্দিন নাছিরকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। আমরা আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যেই হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি চাকরিতে নিয়োগ ও ব্যয় সংকোচনে প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট নীতিমালা

বিএনপির অঙ্গসংগঠনে নতুন মুখ খুঁজছে হাইকমান্ড

আপডেট সময় ০৮:৩৬:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

দুই দশক পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফেরার পরপরই বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দলের হাইকমান্ড যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল এবং ছাত্রদলের নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। নতুন কমিটির অপেক্ষায় থাকা এই চারটি সংগঠনে এখন স্থবিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যার ফলে অনেক সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ঝুলে আছে। বিশেষ করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষক দলের শীর্ষ নেতারা মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে একজন ব্যতীত প্রায় সবাই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা তীব্র হয়েছে। সংগঠনকে গতিশীল করা এবং ইতিবাচক ভাবমূর্তি ধরে রাখতে নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে সময় নিচ্ছেন বিএনপি’র হাইকমান্ড।

ছাত্রদলের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়া চলছে। বিএনপি প্রধান ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের ডেকে নতুন কমিটির বার্তা দিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে সেই ঘোষণার তিন মাস পেরিয়ে গেলেও নতুন কমিটি এখনও গঠন করা হয়নি। এছাড়া সম্প্রতি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি, যুবদল ও ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তিন সংগঠনের পক্ষ থেকেই জানানো হয়েছে যে শিগগিরই নতুন কমিটি আসবে। মূলত ক্লিন ইমেজের তরুণ ও মেধাবী নেতৃত্ব খুঁজে বের করতেই এই দেরি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

গত ৫ই আগস্টের পর থেকে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের অনেক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সারা দেশে চাঁদাবাজি ও দখলের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এখন নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির পাশাপাশি রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় নেতাদের মূল্যায়ন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড। কোনোভাবেই বিতর্কিতদের কমিটিতে জায়গা দেওয়া হবে না। স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, কমিটি গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্ভর করছে। পাশাপাশি আন্দোলন-সংগ্রামী রাজপথে থাকা নেতাদেরও মূল্যায়ন করা হবে। কাউন্সিলকে সামনে রেখে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড জোরদার করার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা চলছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে বিগত দিনে রাজপথের আন্দোলন ও সংগ্রামে ভূমিকাসহ দলের প্রতি নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন। একইসঙ্গে দখল, চাঁজাবাজি এবং বিতর্কিতরা কমিটিতে জায়গা পাবেন না বলেও সূত্রটি জানায়।

চলতি বছরের ডিসেম্বরে বিএনপির সপ্তম জাতীয় কাউন্সিল হওয়ার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সেটি আর হচ্ছে না। তবে আগামী জানুয়ারিতে এই কাউন্সিল হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এখনো নির্দিষ্ট কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। জাতীয় স্থায়ী কমিটির সাম্প্রতিক বৈঠকে দলের শূন্য পদ পূরণের সিদ্ধান্ত হলেও কাউন্সিল নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়নি। ২০১৬ সালের ১৯শে মার্চ সর্বশেষ ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিন বছর পর কাউন্সিল হওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও বিগত সরকারের সময়কার মামলা ও হামলার কারণে তা সম্ভব হয়নি। কাউন্সিলের বিষয়ে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপি’র জাতীয় কাউন্সিলের এখনো দিন ও তারিখ ঠিক হয়নি। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কাউন্সিলের উদ্বোধন করেছিলেন।

ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির মেয়াদ গত ১লা মার্চ শেষ হয়েছে। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির জানান, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখনই চাইবেন, তখনই কমিটি ঘোষণা করা হবে। অন্যদিকে যুবদলের দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম সোহেল জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ে তথ্য না থাকলেও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। ২০২২ সালের ৪ঠা সেপ্টেম্বর স্বেচ্ছাসেবক দলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল, যার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য হওয়ায় এখন নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায় রয়েছে সংগঠনটি। সব মিলিয়ে নতুন কাউন্সিল ও কমিটি পুনর্গঠনকে কেন্দ্র করে দলের ভেতর ও বাইরে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে এবার নেতৃত্ব বাছাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে, যা প্রচলিত ধারা থেকে দলকে বের করে আনবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তৎকালীন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একাধিকবার ডিসেম্বরে কাউন্সিল হবে বলে জানিয়েছেন। অন্যদিকে ২০২১ সালে ২০শে সেপ্টেম্বর হাসান জাফির তুহিনকে সভাপতি এবং শহিদুল ইসলাম বাবুলকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি গঠন করা হয়। এ ছাড়া ২০২৪ সালে ১লা মার্চ রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সভাপতি ও নাছির উদ্দিন নাছিরকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। আমরা আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যেই হবে।