ঢাকা ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করেছেন পোশাকশ্রমিকেরা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে তাঁরা বিমানবন্দরের এয়ারপোর্ট গোলচত্বরে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করলে ঢাকার অন্যতম এই প্রবেশপথে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। এই কর্মসূচির ফলে যান চলাচল স্থবির হয়ে পড়ায় বিমানবন্দরমুখী যাত্রীসহ সাধারণ মানুষেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। ফলে কর্মস্থল, বাসা কিংবা অন্যান্য গন্তব্যে যাওয়ার পথে আটকে পড়েন অসংখ্য মানুষ। বিভিন্ন ফ্লাইট ধরতে বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেওয়া যাত্রীদেরও যানজটে আটকে থাকতে হয়। এতে সড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।

জাগোনিউজ২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, শ্রমিকদের এই অবরোধের কারণে বিমানবন্দর সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। যানজট ছড়িয়ে পড়েছে আশপাশের সড়কেও। গন্তব্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়ে বাসে থাকা অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে নেমে হেঁটে গন্তব্যের দিকে রওনা দিয়েছেন। বিশেষ করে বিমানবন্দরের ফ্লাইটের যাত্রীদের নির্ধারিত সময়ে পৌঁছাতে না পারার শঙ্কা ও উদ্বেগ তীব্র হয়েছে।

পরিস্থিতি সম্পর্কে বিমানবন্দর পুলিশ বক্সের ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. আবু সাঈদ জানান, দুপুর থেকেই শ্রমিকেরা বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। সড়কটি প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যানবাহনের প্রধান রুট হওয়ায় এর প্রভাব পুরো রাজধানীর যাতায়াত ব্যবস্থায় পড়েছে। দীর্ঘ সময় সড়ক বন্ধ থাকায় কর্মজীবী মানুষ ও ফ্লাইট ধরতে যাওয়া যাত্রীরা ব্যাপক দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে বিমানবন্দরে যাতায়াতকারী যাত্রীরা বেশি দুর্ভোগে পড়েন। যাঁদের নির্দিষ্ট সময়ে ফ্লাইট ধরার কথা, তাঁদের জন্য পরিস্থিতি বিশেষভাবে দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

অবরোধ কর্মসূচি চলমান থাকলেও শ্রমিকরা এটি কখন প্রত্যাহার করবেন বা তাঁদের দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া গেছে কি না—সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য জানা যায়নি। শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবি আদায়ের এই কর্মসূচিতে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে এবং সড়কে যান চলাচল কখন স্বাভাবিক হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ

আপডেট সময় ০৮:০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করেছেন পোশাকশ্রমিকেরা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে তাঁরা বিমানবন্দরের এয়ারপোর্ট গোলচত্বরে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করলে ঢাকার অন্যতম এই প্রবেশপথে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। এই কর্মসূচির ফলে যান চলাচল স্থবির হয়ে পড়ায় বিমানবন্দরমুখী যাত্রীসহ সাধারণ মানুষেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। ফলে কর্মস্থল, বাসা কিংবা অন্যান্য গন্তব্যে যাওয়ার পথে আটকে পড়েন অসংখ্য মানুষ। বিভিন্ন ফ্লাইট ধরতে বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেওয়া যাত্রীদেরও যানজটে আটকে থাকতে হয়। এতে সড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।

জাগোনিউজ২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, শ্রমিকদের এই অবরোধের কারণে বিমানবন্দর সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। যানজট ছড়িয়ে পড়েছে আশপাশের সড়কেও। গন্তব্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়ে বাসে থাকা অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে নেমে হেঁটে গন্তব্যের দিকে রওনা দিয়েছেন। বিশেষ করে বিমানবন্দরের ফ্লাইটের যাত্রীদের নির্ধারিত সময়ে পৌঁছাতে না পারার শঙ্কা ও উদ্বেগ তীব্র হয়েছে।

পরিস্থিতি সম্পর্কে বিমানবন্দর পুলিশ বক্সের ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. আবু সাঈদ জানান, দুপুর থেকেই শ্রমিকেরা বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। সড়কটি প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যানবাহনের প্রধান রুট হওয়ায় এর প্রভাব পুরো রাজধানীর যাতায়াত ব্যবস্থায় পড়েছে। দীর্ঘ সময় সড়ক বন্ধ থাকায় কর্মজীবী মানুষ ও ফ্লাইট ধরতে যাওয়া যাত্রীরা ব্যাপক দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে বিমানবন্দরে যাতায়াতকারী যাত্রীরা বেশি দুর্ভোগে পড়েন। যাঁদের নির্দিষ্ট সময়ে ফ্লাইট ধরার কথা, তাঁদের জন্য পরিস্থিতি বিশেষভাবে দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

অবরোধ কর্মসূচি চলমান থাকলেও শ্রমিকরা এটি কখন প্রত্যাহার করবেন বা তাঁদের দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া গেছে কি না—সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য জানা যায়নি। শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবি আদায়ের এই কর্মসূচিতে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে এবং সড়কে যান চলাচল কখন স্বাভাবিক হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।