ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

শেরেবাংলা নগরের বাণিজ্য মেলার মাঠে স্থানান্তর হচ্ছে সচিবালয়

রাজধানীর আব্দুল গনি রোডে অবস্থিত বর্তমান সচিবালয় সরিয়ে শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তর করা হবে। গত বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এ সংক্রান্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সচিবালয়কে কোথায় স্থানান্তর করা যায়, তা নিয়ে গত পাঁচ মাসে অংশীজনদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরদিন বৃহস্পতিবারই গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে পরিকল্পনা কমিশনকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে নতুন সচিবালয় নির্মাণের প্রকল্পটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ প্রকল্পের ওপর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সরকারের মেয়াদে প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে দ্রুত কাজ শুরুর নির্দেশনা রয়েছে সংশ্লিষ্টদের প্রতি। বলা হয়, ২০১৮ সালের জুন মাসের মধ্যে কাজ শেষ হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে সচিবালয়কে সরানো নিয়ে আলোচনা হয়নি।

স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি আসিফুর রহমান ভূঁইয়া জানিয়েছেন, সভায় সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের বিষয়ে তিনটি আলাদা নকশা উপস্থাপন করা হয়েছিল। এর মধ্য থেকে একটি নকশা চূড়ান্ত করা হয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য ওই নকশা উপস্থাপন করা হবে। নতুন এই সচিবালয়ে প্রতিটি ভবন ১২ তলাবিশিষ্ট হবে এবং জাতীয় সংসদের স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে মিল রেখেই তা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সেখান থেকে একটি নকশা চূড়ান্তে সবাই একমত হন। গত ২৬ এপ্রিল একনেক সভায় এ প্রকল্পটি উত্থাপন করা হলে তা অনুমোদন না দিয়ে ফেরত পাঠানো হয়।

প্রস্তাবিত নকশা অনুযায়ী, সচিবালয়ের চারপাশে একটি চক্রাকার বা সার্কুলার সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পেছন দিয়ে নির্মিতব্য এই সড়কটি জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের পাশ ঘেঁষে মিরপুর সড়কে সংযুক্ত হবে। তবে এই সড়ক নির্মাণ করতে গিয়ে জাদুঘরের পাশের স্কুল, হাসপাতাল ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কিছু স্থাপনা স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়া বিজয় সরণি থেকে মিরপুর ১০ নম্বরগামী সড়কের নিচ দিয়ে একটি পাতাল সড়ক তৈরির বিষয়টিও পর্যালোচনায় রয়েছে, যা দিয়ে সরাসরি সচিবালয়ে প্রবেশ ও মিরপুর সড়কে যাতায়াত করা যাবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। সচিবালয়ের বর্তমান আয়তন ১৭ লাখ বর্গফুট, যা নতুন নকশায় ৩১ লাখ বর্গফুটে উন্নীত হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাপ্তরিক কাজের সুবিধার্থে এবং বর্তমান সচিবালয় এলাকার যানজট নিরসনেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরনো সচিবালয়ের জায়গাটিতে পরবর্তীতে ঢাকা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়সহ অন্যান্য সরকারি দপ্তর স্থানান্তর করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

বাণিজ্য মেলার পুরনো মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকায় জায়গাটি দখলের ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। সচিবালয় এখানে স্থানান্তরিত হলে ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত হবে। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২১ সালে বাণিজ্য মেলা পূর্বাচলে সরিয়ে নেওয়া হয়। চার বছর আগে এই মাঠে পার্ক নির্মাণের একটি ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।

শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তর নিয়ে বিতর্কও রয়েছে। স্থপতি ইকবাল হাবিবের মতে, ১৯৬৯ সালে লুই আই কানের করা নকশার ওপর ভিত্তি করে ২০২৬ সালে শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় নির্মাণ করা যৌক্তিক হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, ওই এলাকায় ইতিমধ্যে প্রচুর সরকারি স্থাপনা গড়ে ওঠায় যানজটের পরিস্থিতি আগে থেকেই নাজুক। নতুন করে সচিবালয় স্থাপিত হলে যানজট ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। তার মতে, মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ার মতো ভিন্ন কোনো স্থানে সচিবালয় সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা বেশি দূরদর্শী হতো।

উল্লেখ্য, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বেশ কয়েকবার সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। ২০১৫ সালে শেরেবাংলা নগরে ৩২ একর জমির ওপর ২ হাজার ২০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে সচিবালয় নির্মাণের একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। এছাড়া বর্তমান সরকারের আমলেও সচিবালয়ের ভেতরে ২১ তলা ভবন নির্মাণের ৬৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প একনেকে নাকচ করে দেওয়া হয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছিলেন, যা এখন বাস্তবায়নের পথে। জিয়া উদ্যানের উত্তর ও বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পশ্চিম দিকে, যেখানে প্রতিবছর বাণিজ্য মেলা হয়, সেখানেই ৩২ একর জমির ওপর সচিবালয় তৈরি করার কথা তখন বলা হয়েছিল। নকশা অনুযায়ী, শেরেবাংলা নগরে ১৪ তলা ভিতের ওপর ৯ তলাবিশিষ্ট ৪টি মূল ভবন করার কথা ছিল। নতুন বিএনপি সরকারের আমলে সচিবালয়ের ভেতর ২১ তলা একটি ভবন করতে সাড়ে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প নেওয়া হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ভায়োলেন্স’ সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ালেন চিত্রনায়িকা অধরা খান

শেরেবাংলা নগরের বাণিজ্য মেলার মাঠে স্থানান্তর হচ্ছে সচিবালয়

আপডেট সময় ০৫:৪৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর আব্দুল গনি রোডে অবস্থিত বর্তমান সচিবালয় সরিয়ে শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তর করা হবে। গত বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এ সংক্রান্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সচিবালয়কে কোথায় স্থানান্তর করা যায়, তা নিয়ে গত পাঁচ মাসে অংশীজনদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরদিন বৃহস্পতিবারই গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে পরিকল্পনা কমিশনকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে নতুন সচিবালয় নির্মাণের প্রকল্পটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ প্রকল্পের ওপর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সরকারের মেয়াদে প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে দ্রুত কাজ শুরুর নির্দেশনা রয়েছে সংশ্লিষ্টদের প্রতি। বলা হয়, ২০১৮ সালের জুন মাসের মধ্যে কাজ শেষ হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে সচিবালয়কে সরানো নিয়ে আলোচনা হয়নি।

স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি আসিফুর রহমান ভূঁইয়া জানিয়েছেন, সভায় সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের বিষয়ে তিনটি আলাদা নকশা উপস্থাপন করা হয়েছিল। এর মধ্য থেকে একটি নকশা চূড়ান্ত করা হয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য ওই নকশা উপস্থাপন করা হবে। নতুন এই সচিবালয়ে প্রতিটি ভবন ১২ তলাবিশিষ্ট হবে এবং জাতীয় সংসদের স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে মিল রেখেই তা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সেখান থেকে একটি নকশা চূড়ান্তে সবাই একমত হন। গত ২৬ এপ্রিল একনেক সভায় এ প্রকল্পটি উত্থাপন করা হলে তা অনুমোদন না দিয়ে ফেরত পাঠানো হয়।

প্রস্তাবিত নকশা অনুযায়ী, সচিবালয়ের চারপাশে একটি চক্রাকার বা সার্কুলার সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পেছন দিয়ে নির্মিতব্য এই সড়কটি জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের পাশ ঘেঁষে মিরপুর সড়কে সংযুক্ত হবে। তবে এই সড়ক নির্মাণ করতে গিয়ে জাদুঘরের পাশের স্কুল, হাসপাতাল ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কিছু স্থাপনা স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়া বিজয় সরণি থেকে মিরপুর ১০ নম্বরগামী সড়কের নিচ দিয়ে একটি পাতাল সড়ক তৈরির বিষয়টিও পর্যালোচনায় রয়েছে, যা দিয়ে সরাসরি সচিবালয়ে প্রবেশ ও মিরপুর সড়কে যাতায়াত করা যাবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। সচিবালয়ের বর্তমান আয়তন ১৭ লাখ বর্গফুট, যা নতুন নকশায় ৩১ লাখ বর্গফুটে উন্নীত হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাপ্তরিক কাজের সুবিধার্থে এবং বর্তমান সচিবালয় এলাকার যানজট নিরসনেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরনো সচিবালয়ের জায়গাটিতে পরবর্তীতে ঢাকা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়সহ অন্যান্য সরকারি দপ্তর স্থানান্তর করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

বাণিজ্য মেলার পুরনো মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকায় জায়গাটি দখলের ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। সচিবালয় এখানে স্থানান্তরিত হলে ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত হবে। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২১ সালে বাণিজ্য মেলা পূর্বাচলে সরিয়ে নেওয়া হয়। চার বছর আগে এই মাঠে পার্ক নির্মাণের একটি ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।

শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তর নিয়ে বিতর্কও রয়েছে। স্থপতি ইকবাল হাবিবের মতে, ১৯৬৯ সালে লুই আই কানের করা নকশার ওপর ভিত্তি করে ২০২৬ সালে শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় নির্মাণ করা যৌক্তিক হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, ওই এলাকায় ইতিমধ্যে প্রচুর সরকারি স্থাপনা গড়ে ওঠায় যানজটের পরিস্থিতি আগে থেকেই নাজুক। নতুন করে সচিবালয় স্থাপিত হলে যানজট ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। তার মতে, মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ার মতো ভিন্ন কোনো স্থানে সচিবালয় সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা বেশি দূরদর্শী হতো।

উল্লেখ্য, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বেশ কয়েকবার সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। ২০১৫ সালে শেরেবাংলা নগরে ৩২ একর জমির ওপর ২ হাজার ২০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে সচিবালয় নির্মাণের একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। এছাড়া বর্তমান সরকারের আমলেও সচিবালয়ের ভেতরে ২১ তলা ভবন নির্মাণের ৬৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প একনেকে নাকচ করে দেওয়া হয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছিলেন, যা এখন বাস্তবায়নের পথে। জিয়া উদ্যানের উত্তর ও বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পশ্চিম দিকে, যেখানে প্রতিবছর বাণিজ্য মেলা হয়, সেখানেই ৩২ একর জমির ওপর সচিবালয় তৈরি করার কথা তখন বলা হয়েছিল। নকশা অনুযায়ী, শেরেবাংলা নগরে ১৪ তলা ভিতের ওপর ৯ তলাবিশিষ্ট ৪টি মূল ভবন করার কথা ছিল। নতুন বিএনপি সরকারের আমলে সচিবালয়ের ভেতর ২১ তলা একটি ভবন করতে সাড়ে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প নেওয়া হয়।