ঢাকা ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

প্রধান বিচারপতির কাজে ফেরার বিষয়টি সুদূরপরাহত: খসরু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা তার কাজে আর ফিরতে পারবেন না বলে মনে করেন আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুল মতিন খসরু।

তিনি বলেন, বিচারক যদি কখনও বিতর্কিত হন, দুর্নীতির অভিযোগ থাকে, ওনার সঙ্গে সঙ্গে পদত্যাগ করতে হয়। অন্যান্য বিচারপতির কাছে বিচারপতি এসকে সিনহা বলেছেন- উনি রিজাইন করবেন। রিজাইন করার পরিবর্তে উনি একটা স্টেটমেন্ট দিয়ে চলে গেলেন। আবার এসে চেয়ারে বসতে চাচ্ছেন। অন্য বিচারপতিরা বলেছেন, আমরা ওনার সঙ্গে আর বসব না। ওনার আসার আর সুযোগ নেই। আমার মনে হয় এটি সুদূরপরাহত।

বৃহস্পতিবার রাতে চ্যানেল আই টেলিভিশনে প্রচারিত ‘বিবিসি প্রবাহ’ অনুষ্ঠানে মতিন খসরু এসব কথা বলেন।

তবে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আগে এক লিখিত বিবৃতিতে প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, বিচার বিভাগ যাতে ‘কলুষিত’ না হয় সে জন্য তিনি ‘সাময়িকভাবে’ দেশ ছেড়ে যাচ্ছেন।

প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার বিরুদ্ধে ‘দুর্নীতির’ গুরুতর অভিযোগ তোলেন এই আওয়ামী লীগ নেতা।

প্রবাহ অনুষ্ঠানে খসরু দাবি করেন, সিনহার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়েছে।

তিনি বলেন, ব্যাংকে পাঁচ কোটি-১০ কোটি টাকার লেনদেন- এটি কোত্থেকে হল?

কিন্তু প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে যদি দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তা হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হল না কেন?

এমন প্রশ্নের জবাবে খসরু বলেন, আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার সময় চলে যায়নি। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ অনেকেই মনে করে, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী রায়ের মাধ্যমে বাতিল করে দেয়ার কারণে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার ওপর সরকার অসন্তুষ্ট ছিল।

তবে খসরু দাবি করেন, ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের সঙ্গে সিনহার ছুটির কোনো সম্পর্ক নেই। কারণ ষোড়শ সংশোধনীর রায় প্রধান বিচারপতি একা দেননি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

প্রধান বিচারপতির কাজে ফেরার বিষয়টি সুদূরপরাহত: খসরু

আপডেট সময় ০৭:০৫:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা তার কাজে আর ফিরতে পারবেন না বলে মনে করেন আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুল মতিন খসরু।

তিনি বলেন, বিচারক যদি কখনও বিতর্কিত হন, দুর্নীতির অভিযোগ থাকে, ওনার সঙ্গে সঙ্গে পদত্যাগ করতে হয়। অন্যান্য বিচারপতির কাছে বিচারপতি এসকে সিনহা বলেছেন- উনি রিজাইন করবেন। রিজাইন করার পরিবর্তে উনি একটা স্টেটমেন্ট দিয়ে চলে গেলেন। আবার এসে চেয়ারে বসতে চাচ্ছেন। অন্য বিচারপতিরা বলেছেন, আমরা ওনার সঙ্গে আর বসব না। ওনার আসার আর সুযোগ নেই। আমার মনে হয় এটি সুদূরপরাহত।

বৃহস্পতিবার রাতে চ্যানেল আই টেলিভিশনে প্রচারিত ‘বিবিসি প্রবাহ’ অনুষ্ঠানে মতিন খসরু এসব কথা বলেন।

তবে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আগে এক লিখিত বিবৃতিতে প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, বিচার বিভাগ যাতে ‘কলুষিত’ না হয় সে জন্য তিনি ‘সাময়িকভাবে’ দেশ ছেড়ে যাচ্ছেন।

প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার বিরুদ্ধে ‘দুর্নীতির’ গুরুতর অভিযোগ তোলেন এই আওয়ামী লীগ নেতা।

প্রবাহ অনুষ্ঠানে খসরু দাবি করেন, সিনহার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়েছে।

তিনি বলেন, ব্যাংকে পাঁচ কোটি-১০ কোটি টাকার লেনদেন- এটি কোত্থেকে হল?

কিন্তু প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে যদি দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তা হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হল না কেন?

এমন প্রশ্নের জবাবে খসরু বলেন, আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার সময় চলে যায়নি। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ অনেকেই মনে করে, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী রায়ের মাধ্যমে বাতিল করে দেয়ার কারণে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার ওপর সরকার অসন্তুষ্ট ছিল।

তবে খসরু দাবি করেন, ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের সঙ্গে সিনহার ছুটির কোনো সম্পর্ক নেই। কারণ ষোড়শ সংশোধনীর রায় প্রধান বিচারপতি একা দেননি।