ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তালিকায় ১ নম্বরে আমার নাম, আমি মরলে তোমরাও মরবে: ট্রাম্প সিরাজগঞ্জে নিখোঁজের দুইদিন পর যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার স্পেনে ভয়াবহ দাবানল : মৃত বেড়ে ১২, তাপপ্রবাহে বাড়ছে ইউরোপজুড়ে বিপর্যয় পাকিস্তানে পিপিপি নেতার বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিহত ১৭ রাজধানীতে গোডাউনে বিস্ফোরণ, ব্যবসায়ী নিহত বন্যাকবলিত চট্টগ্রামে জামায়াত আমির, দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ আমাকে থামাতে হলে হত্যা করতে হবে: মমতা রাজধানীর পোস্তগোলা ব্রিজে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় একজন নিহত কক্সবাজারে বন্যায় ৪০টি ইউনিয়ন প্লাবিত, সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি বিএনপি সরকার হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিয়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

সিরাজগঞ্জে নিখোঁজের দুইদিন পর যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সিরাজগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর মো. সবুজ (৩৫) নামে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে শাহজাদপুর থানা পুলিশ। শুক্রবার সকালে শাহজাদপুর উপজেলার হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নের হাসাকোলা গ্রামের নান্নুর বাড়ির রাস্তা উত্তর পাশে মরদেহটি স্থানীয়রা দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।

নিহত মো. সবুজ উপজেলার রতনকান্দি উত্তরপাড়া গ্রামের রহিম সরকারের ছেলে।

শাহজাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজুর রহমান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, হাসাকোলা গ্রামের নান্নুর বাড়ির রাস্তা উত্তর পাশে মরদেহটি স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে আমি ও শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে নিহতের মরদেহটি উদ্ধার করি।

উদ্ধারের সময় পরনে একটি ধূসর রঙের গেঞ্জি এবং নেভী ব্লু কালারের হাফ প্যান্ট ছিল। এছাড়াও নিহতের চোখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের সুনির্দিষ্ট চিহ্ন রয়েছে, যা থেকে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি হত্যাকাণ্ড।

তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এদিকে নিহতের স্ত্রী মোছা. মিতু খাতুন জানান, গত বুধবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ফুটবল খেলা দেখার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন সবুজ। এরপর তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি। সকালে তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়েছি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত সবুজ এলাকায় মাঝেমধ্যে বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন এবং এলাকার বিভিন্ন নামকরা চোর ও অপরাধী চক্রের সঙ্গে তার ওঠাবসা ছিল। অভ্যন্তরীণ কোনো কোন্দল বা চুরির ঘটনার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা করছে এলাকাবাসী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তালিকায় ১ নম্বরে আমার নাম, আমি মরলে তোমরাও মরবে: ট্রাম্প

সিরাজগঞ্জে নিখোঁজের দুইদিন পর যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০১:৩০:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সিরাজগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর মো. সবুজ (৩৫) নামে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে শাহজাদপুর থানা পুলিশ। শুক্রবার সকালে শাহজাদপুর উপজেলার হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নের হাসাকোলা গ্রামের নান্নুর বাড়ির রাস্তা উত্তর পাশে মরদেহটি স্থানীয়রা দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।

নিহত মো. সবুজ উপজেলার রতনকান্দি উত্তরপাড়া গ্রামের রহিম সরকারের ছেলে।

শাহজাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজুর রহমান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, হাসাকোলা গ্রামের নান্নুর বাড়ির রাস্তা উত্তর পাশে মরদেহটি স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে আমি ও শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে নিহতের মরদেহটি উদ্ধার করি।

উদ্ধারের সময় পরনে একটি ধূসর রঙের গেঞ্জি এবং নেভী ব্লু কালারের হাফ প্যান্ট ছিল। এছাড়াও নিহতের চোখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের সুনির্দিষ্ট চিহ্ন রয়েছে, যা থেকে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি হত্যাকাণ্ড।

তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এদিকে নিহতের স্ত্রী মোছা. মিতু খাতুন জানান, গত বুধবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ফুটবল খেলা দেখার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন সবুজ। এরপর তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি। সকালে তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়েছি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত সবুজ এলাকায় মাঝেমধ্যে বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন এবং এলাকার বিভিন্ন নামকরা চোর ও অপরাধী চক্রের সঙ্গে তার ওঠাবসা ছিল। অভ্যন্তরীণ কোনো কোন্দল বা চুরির ঘটনার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা করছে এলাকাবাসী।