আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় জালিয়াতি করে যারা চাকরি পেয়েছে, তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আজম খান।
বুধবার সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, যেসব অমুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরসূরিরা জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিভিন্ন চাকরিতে নিয়োগ পেয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। যেসব অমুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সুবিধাভোগীরা রাষ্ট্রের সুবিধা গ্রহণ করেছে তাদের বিষয়েও সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে ৭১ বিধিতে নোটিশে আখতার হোসেন বলেন, বিগত দেড় দশকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটার মাধ্যমে প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ পেয়েছেন। তাদের একটি অংশ বর্তমানে ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আবার ক্ষমতায় আনতে ষড়যন্ত্রে জড়িত। কোটায় ৯০ হাজার ৫২৭ জনের সনদ যাচাই বাছাইয়ে অন্তত ৮ হাজার জনের সনদে জালিয়াতির প্রমাণ মিলেছে। প্রতি ১০০ জনের মধ্যে সাত-আটজনের তথ্যে গুরুতর গরমিল পাওয়া যাচ্ছে।
প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, একটি পত্রিকায় প্রকাশিত ৭৯ হাজার অমুক্তিযোদ্ধার তথ্যও চূড়ান্ত বা নির্ভুল নয়; প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
আহমেদ আযম খান বলেন, আমাদের সরকার মুক্তিযুদ্ধের সরকার। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 


















