ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী

সংসদ অধিবেশনের চেয়ে কোনো রাষ্ট্রীয় কাজই গুরুত্বপূর্ণ নয়: স্পিকার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কোনো রাষ্ট্রীয় কাজ সংসদ অধিবেশনের চাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয় বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সকল রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের মধ্যে সংসদ অধিবেশন সবচাইতে বেশি গুরুত্ব পায়।

মঙ্গলবার সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিরোধীদলীয় নেতার উত্থাপিত মন্ত্রীদের অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে এ মন্তব্য করেন তিনি।

স্পিকার বলেন, বাজেট অধিবেশনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিয়ে সংসদ সদস্যরা বক্তব্য দেন। তাই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের উপস্থিত থেকে সেসব বক্তব্য শোনা এবং সম্ভব হলে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

চিফ হুইপকে উদ্দেশ্য করে স্পিকার বলেন, ‘আপনি মন্ত্রীদেরকে বলবেন তারা যেন সংসদে যথাসময় আসেন। সংসদ সদস্যের যেসব বক্তব্য তাদের মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কথা তারা বলেন, সেগুলোর ব্যাপারে তারা অন্তত শুনবেন এবং যদি সম্ভব হয় তার প্রতিকার করার চেষ্টা করবেন।’

পয়েন্ট অব অর্ডারে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, সংসদকে প্রাণবন্ত রাখতে শুরু থেকেই স্পিকারকে আহ্বান জানিয়ে আসছেন। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, যে মন্ত্রণালয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, সেই মন্ত্রণালয়ের কোনো প্রতিনিধি কক্ষে উপস্থিত থাকেন না। তিনি বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের কথাগুলো তাদের নিজের কানে সরাসরি শোনা দরকার, বিশেষ করে মন্ত্রিপরিষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, অনেক সময় দেখেছি যে মন্ত্রণালয় সম্পর্কে কথা বলছি, সেই মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কেউ এখানে উপস্থিত নেই।’ এ ধরনের অনুপস্থিতি সংসদের পরিবেশের সঙ্গে যায় কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

জবাবে স্পিকার বলেন, বিষয়টি আগের দিনও আলোচনায় এসেছিল। তখন সরকারদলীয় চিফ হুইপ জানিয়েছিলেন, মন্ত্রীরা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকেন। তবে সংসদ অধিবেশনের গুরুত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি মন্ত্রীদের নিয়মিত উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান।

এদিকে সংসদের বৈঠক বিকাল ৩টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও মঙ্গলবার তা মিনিট কয়েক মিনিট পরে শুরু হয়। বৈঠকের শুরুতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। সোয়া ৩টার দিকে দেখা যায় সরকারি দলের প্রথমসারিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, সমাজকল্যাণমন্ত্রী সহ ৬ জন সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রীদের মধ্যে আইনমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ, পানি সম্পদ মন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রী, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন সংসদ কক্ষে। পরে যোগ দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। সাড়ে তিনটা পর্যন্ত অধিবেশেনে যোগ দেননি অর্থমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় বিরোধী দলের প্রথম সারিতে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা তারেক রহমান বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে রয়েছেন। এর আগে তিনি মালয়েশিয়ায় ছিলেন সেখানে তার সফর সঙ্গী হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাজ্যে মানব পাচারকারী চক্রের ২১ সদস্যের কারাদণ্ড

সংসদ অধিবেশনের চেয়ে কোনো রাষ্ট্রীয় কাজই গুরুত্বপূর্ণ নয়: স্পিকার

আপডেট সময় ০৮:২৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কোনো রাষ্ট্রীয় কাজ সংসদ অধিবেশনের চাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয় বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সকল রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের মধ্যে সংসদ অধিবেশন সবচাইতে বেশি গুরুত্ব পায়।

মঙ্গলবার সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিরোধীদলীয় নেতার উত্থাপিত মন্ত্রীদের অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে এ মন্তব্য করেন তিনি।

স্পিকার বলেন, বাজেট অধিবেশনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিয়ে সংসদ সদস্যরা বক্তব্য দেন। তাই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের উপস্থিত থেকে সেসব বক্তব্য শোনা এবং সম্ভব হলে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

চিফ হুইপকে উদ্দেশ্য করে স্পিকার বলেন, ‘আপনি মন্ত্রীদেরকে বলবেন তারা যেন সংসদে যথাসময় আসেন। সংসদ সদস্যের যেসব বক্তব্য তাদের মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কথা তারা বলেন, সেগুলোর ব্যাপারে তারা অন্তত শুনবেন এবং যদি সম্ভব হয় তার প্রতিকার করার চেষ্টা করবেন।’

পয়েন্ট অব অর্ডারে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, সংসদকে প্রাণবন্ত রাখতে শুরু থেকেই স্পিকারকে আহ্বান জানিয়ে আসছেন। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, যে মন্ত্রণালয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, সেই মন্ত্রণালয়ের কোনো প্রতিনিধি কক্ষে উপস্থিত থাকেন না। তিনি বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের কথাগুলো তাদের নিজের কানে সরাসরি শোনা দরকার, বিশেষ করে মন্ত্রিপরিষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, অনেক সময় দেখেছি যে মন্ত্রণালয় সম্পর্কে কথা বলছি, সেই মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কেউ এখানে উপস্থিত নেই।’ এ ধরনের অনুপস্থিতি সংসদের পরিবেশের সঙ্গে যায় কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

জবাবে স্পিকার বলেন, বিষয়টি আগের দিনও আলোচনায় এসেছিল। তখন সরকারদলীয় চিফ হুইপ জানিয়েছিলেন, মন্ত্রীরা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকেন। তবে সংসদ অধিবেশনের গুরুত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি মন্ত্রীদের নিয়মিত উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান।

এদিকে সংসদের বৈঠক বিকাল ৩টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও মঙ্গলবার তা মিনিট কয়েক মিনিট পরে শুরু হয়। বৈঠকের শুরুতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। সোয়া ৩টার দিকে দেখা যায় সরকারি দলের প্রথমসারিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, সমাজকল্যাণমন্ত্রী সহ ৬ জন সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রীদের মধ্যে আইনমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ, পানি সম্পদ মন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রী, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন সংসদ কক্ষে। পরে যোগ দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। সাড়ে তিনটা পর্যন্ত অধিবেশেনে যোগ দেননি অর্থমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় বিরোধী দলের প্রথম সারিতে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা তারেক রহমান বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে রয়েছেন। এর আগে তিনি মালয়েশিয়ায় ছিলেন সেখানে তার সফর সঙ্গী হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত ছিলেন।