ঢাকা ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফজলুর রহমান, ওদের সবার আতঙ্কের নাম: রাশেদ পাচার হওয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি দেশে ফিরিয়ে এনেছে সিআইডি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ভাইরাল হয়ে রাজনীতি হয় না : সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউমার্কেটে গুলিতে নিহত যুবক শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন: পুলিশ চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে গেল ছেলে, ঝাঁপ দিয়ে বাঁচালেন বাবা অবরোধের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিল রাশিয়ান নৌযান বিচার শেষ না হলে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সুযোগ নেই: আন্দালিভ রহমান পার্থ অতীতের ইতিহাস দিয়ে বর্তমান জামায়াতকে বিশ্লেষণ করবেন না: শাহজাহান চৌধুরী হরমুজ খুলে দেওয়ার দাবি কাতারের, ‘ফ্রোজেন কনফ্লিক্ট’ নিয়ে সতর্কতা মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা, বিপাকে শিক্ষার্থীরা

আটলান্টিক মহাসাগরের নীচ থেকে উঠে এল ৩০০ মূর্তি! কারা ওরা?

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সাগরের তলদেশে যাদুঘর তৈরি করছে স্পেন। আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের অন্যতম লানযারোতের উপকূলের কাছে এই যাদুঘর হবে সাগরতলে ইউরোপের প্রথম যাদুঘর। সাগরের ১৫ মিটার গভীরে ৩০০ ভাস্কর্য স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে। তৈরি করেছেন জেসন দ্য-কেয়ারস নামে একজন শিল্পী।

মূর্তিগুলোর সবই লানযারোতের বর্তমান বাসিন্দাদের। তাদের নিত্যদিনের কর্মকাণ্ডের ওপর এই ভাস্কর্যগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, যেসব পদার্থ এই ভাস্কর্য তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে, তাতে সাগরের জলের বা জীব বৈচিত্র্যের কোনও ক্ষতি হবেনা। জলের নীচে এগুলো তিনশ বছর পর্যন্ত টিকবে বলে দাবি করা হচ্ছে। অভিনব এই যাদুঘর দেখতে হলে পিঠে অক্সিজেনের টিউব নিয়ে ডুবুরির পোশাকে সাগরতলে নামতে হবে।

আফ্রিকার মূল ভূখণ্ডের খুব কাছে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে সারা বছরই লাখ লাখ পর্যটক যায়। তাদের জন্য সাগর তলের এই যাদুঘর নতুন আকর্ষণ হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ফজলুর রহমান, ওদের সবার আতঙ্কের নাম: রাশেদ

আটলান্টিক মহাসাগরের নীচ থেকে উঠে এল ৩০০ মূর্তি! কারা ওরা?

আপডেট সময় ১০:৩২:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সাগরের তলদেশে যাদুঘর তৈরি করছে স্পেন। আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের অন্যতম লানযারোতের উপকূলের কাছে এই যাদুঘর হবে সাগরতলে ইউরোপের প্রথম যাদুঘর। সাগরের ১৫ মিটার গভীরে ৩০০ ভাস্কর্য স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে। তৈরি করেছেন জেসন দ্য-কেয়ারস নামে একজন শিল্পী।

মূর্তিগুলোর সবই লানযারোতের বর্তমান বাসিন্দাদের। তাদের নিত্যদিনের কর্মকাণ্ডের ওপর এই ভাস্কর্যগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, যেসব পদার্থ এই ভাস্কর্য তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে, তাতে সাগরের জলের বা জীব বৈচিত্র্যের কোনও ক্ষতি হবেনা। জলের নীচে এগুলো তিনশ বছর পর্যন্ত টিকবে বলে দাবি করা হচ্ছে। অভিনব এই যাদুঘর দেখতে হলে পিঠে অক্সিজেনের টিউব নিয়ে ডুবুরির পোশাকে সাগরতলে নামতে হবে।

আফ্রিকার মূল ভূখণ্ডের খুব কাছে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে সারা বছরই লাখ লাখ পর্যটক যায়। তাদের জন্য সাগর তলের এই যাদুঘর নতুন আকর্ষণ হবে।