ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঈদের দিন রামিসার পরিবারের সঙ্গে রিজভীর সাক্ষাৎ, জানালেন সমবেদনা ট্রাম্পের হুমকির নিন্দা জানিয়ে ওমানের পাশে থাকার ঘোষণা ইরানের

বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়া হুমায়ুনকে ভারত ছাড়তে বললেন বিজেপি মন্ত্রী

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু কুরবানি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে উত্তেজনা বেড়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আচার নিয়ে বিতর্কের মাঝেই নওদার বিধায়ক ও মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়া হুমায়ুন কবীরকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন রাজ্যটির মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

তিনি বলেছেন, ভারতে থাকতে হলে দেশের নিয়ম মেনেই চলতে হবে। তা না হলে অন্য কোনো মুসলিম দেশে চলে যেতে পারেন হুমায়ুন কবীর।

রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে প্রকাশ্যে পশুবলি ও কুরবানির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়। গত ১৩ মে আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে এ সংক্রান্ত নির্দেশ জারি করা হয়। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়।

বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে এ নিয়ে অসন্তোষের খবর সামনে আসে। ঈদকে সামনে রেখে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। আগামী ২৭ মে মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব কোরবানির ঈদ পালিত হবে। এ উৎসবে পশু কুরবানি ধর্মীয় আচারের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

কিন্তু উৎসবের ঠিক আগেই প্রকাশ্যে কুরবানির ওপর বিধিনিষেধ জারি হওয়ায় আপত্তি তুলেছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশ। এই ইস্যুতে সরব হন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর।

তিনি দাবি করেন, রাজ্যের প্রায় ৩৭ শতাংশ মুসলিম গরুর মাংস খায়। কুরবানি বন্ধ করতে হলে সব কসাইখানাও বন্ধ করা উচিত। তার বক্তব্য, কুরবানি একটি ধর্মীয় প্রথা এবং তা হঠাৎ করে প্রশাসনিক নির্দেশে বন্ধ করা যায় না।

হুমায়ুন কবীরের এই বক্তব্যের পরই পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, হুমায়ুন কবীর যদি পশ্চিমবঙ্গে থাকতে চান, তাহলে তাকে সরকারি নিয়ম মেনে চলতে হবে। যদি সেই নিয়ম মানতে আপত্তি থাকে, তাহলে তিনি যেখানে খুশি চলে যেতে পারেন। এমনকি অন্য কোনো মুসলিম দেশেও যেতে পারেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। অগ্নিমিত্রা পালের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়া হুমায়ুনকে ভারত ছাড়তে বললেন বিজেপি মন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু কুরবানি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে উত্তেজনা বেড়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আচার নিয়ে বিতর্কের মাঝেই নওদার বিধায়ক ও মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়া হুমায়ুন কবীরকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন রাজ্যটির মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

তিনি বলেছেন, ভারতে থাকতে হলে দেশের নিয়ম মেনেই চলতে হবে। তা না হলে অন্য কোনো মুসলিম দেশে চলে যেতে পারেন হুমায়ুন কবীর।

রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে প্রকাশ্যে পশুবলি ও কুরবানির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়। গত ১৩ মে আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে এ সংক্রান্ত নির্দেশ জারি করা হয়। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়।

বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে এ নিয়ে অসন্তোষের খবর সামনে আসে। ঈদকে সামনে রেখে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। আগামী ২৭ মে মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব কোরবানির ঈদ পালিত হবে। এ উৎসবে পশু কুরবানি ধর্মীয় আচারের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

কিন্তু উৎসবের ঠিক আগেই প্রকাশ্যে কুরবানির ওপর বিধিনিষেধ জারি হওয়ায় আপত্তি তুলেছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশ। এই ইস্যুতে সরব হন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর।

তিনি দাবি করেন, রাজ্যের প্রায় ৩৭ শতাংশ মুসলিম গরুর মাংস খায়। কুরবানি বন্ধ করতে হলে সব কসাইখানাও বন্ধ করা উচিত। তার বক্তব্য, কুরবানি একটি ধর্মীয় প্রথা এবং তা হঠাৎ করে প্রশাসনিক নির্দেশে বন্ধ করা যায় না।

হুমায়ুন কবীরের এই বক্তব্যের পরই পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, হুমায়ুন কবীর যদি পশ্চিমবঙ্গে থাকতে চান, তাহলে তাকে সরকারি নিয়ম মেনে চলতে হবে। যদি সেই নিয়ম মানতে আপত্তি থাকে, তাহলে তিনি যেখানে খুশি চলে যেতে পারেন। এমনকি অন্য কোনো মুসলিম দেশেও যেতে পারেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। অগ্নিমিত্রা পালের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।