ঢাকা ০৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হামে মৃত্যু: ৩৫২ শিশুর প্রতি পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রিট ‘সোজা গুলি করার’ নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা: চিফ প্রসিকিউটর যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় প্রধান পোশাক রপ্তানিকারক এখন বাংলাদেশ ‘বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন, এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না’ জামিন পেলেন আসাদুজ্জামান নূর ইউক্রেন যুদ্ধ ‘শেষের পথে’ বলে ইঙ্গিত দিলেন পুতিন তামিলনাড়ু হবে ধর্মনিরপেক্ষ, আমি হবো ক্ষমতার কেন্দ্র: বিজয় গাজীপুরে গরুচোর সন্দেহে ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা, ট্রাকে আগুন নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধ শুধু রাজনীতিতে থাকলেই হবে না, অর্থনীতিতেও গণতন্ত্র থাকতে হবে: অর্থমন্ত্রী

হামে মৃত্যু: ৩৫২ শিশুর প্রতি পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রিট

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর প্রত্যেক পরিবারকে ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রবিবার (১০ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবীর পল্লব জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। স্বাস্থ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ৫৫ দিনে ৩৫২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সরকারি হিসাবেই গড়ে প্রতিদিন অন্তত ছয়জন করে শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। তবে গত এক সপ্তাহে সেই সংখ্যা গিয়ে ঠেকেছে গড়ে প্রতিদিন ১০ জনে। হামে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা কমে আসার আশ্বাস দেওয়ার মধ্যেই মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দেড়গুণ হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ঢাকা বিভাগ আর কম রংপুর। গতকাল আরও ৯ জন শিশু হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা সরকারি হিসাব সঠিক বলে ধরে নিলেও পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। প্রতিদিনই নতুন করে আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের হার বেশি হওয়ায় পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, টিকার সংকট এবং হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে সরকার। হামে কেন এতগুলো শিশুর মৃত্যু হলো, এ ক্ষেত্রে কারও কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে।

চিকিৎসকদের মতে, শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির বাইরে থাকা এবং গরমে ভাইরাসের দ্রুত বিস্তার এই প্রাদুর্ভাবের অন্যতম কারণ হতে পারে। শিশুর শরীরে জ্বর ও র‌্যাশ দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে। বিশেষ করে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হামে মৃত্যু: ৩৫২ শিশুর প্রতি পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রিট

আপডেট সময় ০৪:৫৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর প্রত্যেক পরিবারকে ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রবিবার (১০ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবীর পল্লব জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। স্বাস্থ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ৫৫ দিনে ৩৫২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সরকারি হিসাবেই গড়ে প্রতিদিন অন্তত ছয়জন করে শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। তবে গত এক সপ্তাহে সেই সংখ্যা গিয়ে ঠেকেছে গড়ে প্রতিদিন ১০ জনে। হামে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা কমে আসার আশ্বাস দেওয়ার মধ্যেই মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দেড়গুণ হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ঢাকা বিভাগ আর কম রংপুর। গতকাল আরও ৯ জন শিশু হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা সরকারি হিসাব সঠিক বলে ধরে নিলেও পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। প্রতিদিনই নতুন করে আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের হার বেশি হওয়ায় পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, টিকার সংকট এবং হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে সরকার। হামে কেন এতগুলো শিশুর মৃত্যু হলো, এ ক্ষেত্রে কারও কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে।

চিকিৎসকদের মতে, শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির বাইরে থাকা এবং গরমে ভাইরাসের দ্রুত বিস্তার এই প্রাদুর্ভাবের অন্যতম কারণ হতে পারে। শিশুর শরীরে জ্বর ও র‌্যাশ দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে। বিশেষ করে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।