ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

তালেবানও এখন ক্রিকেট খেলে, কারণ আফগানিস্তান

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শরণার্থীশিবিরের দিনগুলো বহু আগেই পেরিয়ে এসেছেন মোহাম্মদ নবী কিংবা আসগর স্টানিকজাইরা। পাকিস্তানের পেশোয়ারে ধুঁকে ধুঁকে পার করা সেই সময় পেরিয়ে এখন আভিজাত্যের দেখা পেয়েছেন আফগান ক্রিকেটাররা। একের পর এক বাধা ডিঙিয়ে টেস্ট মর্যাদা এনে দিয়েছেন দেশকে। তাঁদের এই ক্রিকেট বিপ্লব শুধু সাধারণ মানুষ নয়, মুগ্ধ করেছে উগ্র সংগঠক তালেবানকেও!

কদিন আগেই শঙ্কা জাগানো এক খবর প্রকাশিত হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়াতে তালেবানের প্রভাব নাকি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। ১৬ বছর আগে আফগানিস্তানে এই উগ্র সংগঠনকে ক্ষমতা ছাড়া করা হয়েছিল। এরপর মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে আইএসের মতো আরেকটি ভয়ংকর সংগঠন। আর সবার দৃষ্টি যখন আইএসের দিকে, তখন তালেবানও ধীরে ধীরে শীতনিদ্রা কাটিয়ে ফণা তুলতে শুরু করেছে। আফগানিস্তানের জন্য এ খবরটি ছিল ভয়ংকর।

দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ ও তালেবান শাসনের দাগ মুছে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে আফগানিস্তান। হাঁটতে শুরু করেছে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে। খেলার মাধ্যমে নিজেদের হারিয়ে ফেলা গৌরব ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে তারা। ফুটবলে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব পেয়েছে। খেলছে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়ার জন্য। ক্রিকেটের সাফল্য আরও বড়। অভিজাত শ্রেণিতে ঢুকে পড়েছে কদিন আগে।। এমন সুসময়ে তালেবান-উত্থান ভয় জাগানোর জন্য যথেষ্টই। কারণ, তালেবানের চোখে খেলাধুলা যে ধর্ম থেকে নজর অন্যদিকে নিয়ে যায়!

ক্রিকেট কিংবা ফুটবলের মতো খেলাকে তাই তারা দেখে ‘শয়তানের প্ররোচনা’ হিসেবেই। আইএস তো কিছুদিন আগে ইরাকের মসুল শহরে ফুটবল খেলাই নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। অথচ, এই ইরাক এশীয় ফুটবলের অন্যতম বড় শক্তি। ১৯৮৬ সালে এশিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বকাপের মূল পর্বেও খেলেছে তারা।
তবে ক্রিকেট নিয়ে তালেবান মনোভাব বেশ উদার। খুব সম্ভবত আফগানিস্তানের ক্রিকেট-সাফল্যই তাদের মনোভাবে পরিবর্তন এনেছে। তারা খেলাটিকে রীতিমতো ভালোবাসতে শুরু করেছে। অনেক তালেবান যোদ্ধাই নাকি সময় পেলেই ব্যাট-বল নিয়ে নেমে পড়ছে মাঠে।

কদিন আগেই বার্তা সংস্থা এএফপিকে এক তালেবান কমান্ডার জানিয়েছেন, ‘ইদানীং অনেক তালেবান রেডিওতে শুধু ক্রিকেট শোনেই না, যখনই সময় পায় নিজেরাও খেলে!’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সিরিয়ায় ইসরায়েলি সামরিক অবকাঠামো নির্মাণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ কাতার-জর্ডান

তালেবানও এখন ক্রিকেট খেলে, কারণ আফগানিস্তান

আপডেট সময় ০৪:১৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুলাই ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শরণার্থীশিবিরের দিনগুলো বহু আগেই পেরিয়ে এসেছেন মোহাম্মদ নবী কিংবা আসগর স্টানিকজাইরা। পাকিস্তানের পেশোয়ারে ধুঁকে ধুঁকে পার করা সেই সময় পেরিয়ে এখন আভিজাত্যের দেখা পেয়েছেন আফগান ক্রিকেটাররা। একের পর এক বাধা ডিঙিয়ে টেস্ট মর্যাদা এনে দিয়েছেন দেশকে। তাঁদের এই ক্রিকেট বিপ্লব শুধু সাধারণ মানুষ নয়, মুগ্ধ করেছে উগ্র সংগঠক তালেবানকেও!

কদিন আগেই শঙ্কা জাগানো এক খবর প্রকাশিত হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়াতে তালেবানের প্রভাব নাকি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। ১৬ বছর আগে আফগানিস্তানে এই উগ্র সংগঠনকে ক্ষমতা ছাড়া করা হয়েছিল। এরপর মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে আইএসের মতো আরেকটি ভয়ংকর সংগঠন। আর সবার দৃষ্টি যখন আইএসের দিকে, তখন তালেবানও ধীরে ধীরে শীতনিদ্রা কাটিয়ে ফণা তুলতে শুরু করেছে। আফগানিস্তানের জন্য এ খবরটি ছিল ভয়ংকর।

দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ ও তালেবান শাসনের দাগ মুছে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে আফগানিস্তান। হাঁটতে শুরু করেছে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে। খেলার মাধ্যমে নিজেদের হারিয়ে ফেলা গৌরব ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে তারা। ফুটবলে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব পেয়েছে। খেলছে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়ার জন্য। ক্রিকেটের সাফল্য আরও বড়। অভিজাত শ্রেণিতে ঢুকে পড়েছে কদিন আগে।। এমন সুসময়ে তালেবান-উত্থান ভয় জাগানোর জন্য যথেষ্টই। কারণ, তালেবানের চোখে খেলাধুলা যে ধর্ম থেকে নজর অন্যদিকে নিয়ে যায়!

ক্রিকেট কিংবা ফুটবলের মতো খেলাকে তাই তারা দেখে ‘শয়তানের প্ররোচনা’ হিসেবেই। আইএস তো কিছুদিন আগে ইরাকের মসুল শহরে ফুটবল খেলাই নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। অথচ, এই ইরাক এশীয় ফুটবলের অন্যতম বড় শক্তি। ১৯৮৬ সালে এশিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বকাপের মূল পর্বেও খেলেছে তারা।
তবে ক্রিকেট নিয়ে তালেবান মনোভাব বেশ উদার। খুব সম্ভবত আফগানিস্তানের ক্রিকেট-সাফল্যই তাদের মনোভাবে পরিবর্তন এনেছে। তারা খেলাটিকে রীতিমতো ভালোবাসতে শুরু করেছে। অনেক তালেবান যোদ্ধাই নাকি সময় পেলেই ব্যাট-বল নিয়ে নেমে পড়ছে মাঠে।

কদিন আগেই বার্তা সংস্থা এএফপিকে এক তালেবান কমান্ডার জানিয়েছেন, ‘ইদানীং অনেক তালেবান রেডিওতে শুধু ক্রিকেট শোনেই না, যখনই সময় পায় নিজেরাও খেলে!’