ঢাকা ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংবিধান সংশোধনের আগে বিএনপির সংশোধন দরকার: নাহিদ ইসলাম ঢাকাজুড়ে ‘ফুটবল জ্বর’, বড় পর্দার খোঁজে সমর্থকরা জুলাই চেতনা সবচেয়ে বেশি ধারণ করে বিএনপি: খায়রুল কবির খোকন ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ধানাই-পানাই মানব না’:শফিকুর রহমান তরুণদের মাদক নয়, খেলাধুলায় মনোযোগী হতে হবে: মির্জা ফখরুল পেরুতে ৫.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ৫ নেতানিয়াহুকে গ্রেফতার করাতে পারেন মামদানি শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দিয়ে জুলাইয়ের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি: চরমোনাই পীর ব্যালট বাক্স চুরি করতে এলে বিষখালি নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হবে: হাসনাত আবদুল্লাহ নির্ভুল পূর্বাভাসে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার আহ্বান

মাদারীপুরে হাউসদী বাজারে সংঘবদ্ধ ডাকাতি, ৬ স্বর্ণের দোকানে লুট

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুর সদর উপজেলার হাউসদী বাজারে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার মধ্যরাতে একদল মুখোশধারী ডাকাত বাজারের ছয়টি স্বর্ণের দোকানসহ মোট সাতটি দোকান লুট করেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গৌতম মালোর শ্রী শ্রী জগদীশ ঠাকুর জুয়েলার্স থেকে প্রায় ৫৫ ভরি রুপা লুট করা হয়েছে। বিদ্যুৎ মণ্ডলের নিউ নারান জুয়েলার্স থেকে আনুমানিক সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায় ডাকাতরা। সেন্টু মালোর ভাগ্যশ্রী জুয়েলার্স থেকে ৩০ ভরি স্বর্ণ, প্রায় ৫০০ ভরি রুপা এবং ১ লাখ টাকা নগদ লুট হয়েছে। পরিমল মালোর নিউ প্রিয়াঙ্কা জুয়েলার্স থেকে আড়াই ভরি স্বর্ণ, প্রায় ১ কেজি রুপা ও ৯৫ হাজার টাকা নগদ নিয়ে যায় তারা। স্বদেব মণ্ডলের নিউ কনিকা জুয়েলার্স থেকে ১ ভরি স্বর্ণ, ৭০ ভরি রুপা ও ৪০ হাজার টাকা নগদ লুট করা হয়। ভরত মালোর মা লক্ষ্মী গহনালয় থেকেও প্রায় ৭ ভরি রুপা নিয়ে যায় ডাকাত দল।

এছাড়াও জিয়া হাওলাদারের জিয়া স্টোর নামের মুদি দোকান থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার সিগারেট ও ৫০ হাজার টাকা নগদ লুট হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত নিউ কণিকা জুয়েলার্সের মালিক স্বদেব মন্ডল বলেন, “রাতে আমরা দোকান বন্ধ করে বাসায় যাই। সকালে হঠাৎ করে শুনি আমাদের দোকানে ডাকাতি হয়েছে। দোকানে থাকা সব মালপত্র ও নগদ টাকা নিয়ে গেছে ডাকাতরা।”

অন্যদিকে নিউ প্রিয়াঙ্কা জুয়েলার্সের মালিক পরিমল মালো বলেন, “শুধু আমার দোকান নয়, আরও ৬টি স্বর্ণের দোকান ও একটি মুদির দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের টহল অব্যাহত থাকলে এমন ঘটনা ঘটত না। এখন আমরা বাজারের ব্যবসায়ীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি।”

এ ঘটনায় পুরো হাউসদী বাজারে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়ীরা দ্রুত ডাকাতদের গ্রেফতার ও বাজারে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

মাদারীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ডাকাতির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুরে হাউসদী বাজারে সংঘবদ্ধ ডাকাতি, ৬ স্বর্ণের দোকানে লুট

আপডেট সময় ১১:২৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুর সদর উপজেলার হাউসদী বাজারে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার মধ্যরাতে একদল মুখোশধারী ডাকাত বাজারের ছয়টি স্বর্ণের দোকানসহ মোট সাতটি দোকান লুট করেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গৌতম মালোর শ্রী শ্রী জগদীশ ঠাকুর জুয়েলার্স থেকে প্রায় ৫৫ ভরি রুপা লুট করা হয়েছে। বিদ্যুৎ মণ্ডলের নিউ নারান জুয়েলার্স থেকে আনুমানিক সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায় ডাকাতরা। সেন্টু মালোর ভাগ্যশ্রী জুয়েলার্স থেকে ৩০ ভরি স্বর্ণ, প্রায় ৫০০ ভরি রুপা এবং ১ লাখ টাকা নগদ লুট হয়েছে। পরিমল মালোর নিউ প্রিয়াঙ্কা জুয়েলার্স থেকে আড়াই ভরি স্বর্ণ, প্রায় ১ কেজি রুপা ও ৯৫ হাজার টাকা নগদ নিয়ে যায় তারা। স্বদেব মণ্ডলের নিউ কনিকা জুয়েলার্স থেকে ১ ভরি স্বর্ণ, ৭০ ভরি রুপা ও ৪০ হাজার টাকা নগদ লুট করা হয়। ভরত মালোর মা লক্ষ্মী গহনালয় থেকেও প্রায় ৭ ভরি রুপা নিয়ে যায় ডাকাত দল।

এছাড়াও জিয়া হাওলাদারের জিয়া স্টোর নামের মুদি দোকান থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার সিগারেট ও ৫০ হাজার টাকা নগদ লুট হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত নিউ কণিকা জুয়েলার্সের মালিক স্বদেব মন্ডল বলেন, “রাতে আমরা দোকান বন্ধ করে বাসায় যাই। সকালে হঠাৎ করে শুনি আমাদের দোকানে ডাকাতি হয়েছে। দোকানে থাকা সব মালপত্র ও নগদ টাকা নিয়ে গেছে ডাকাতরা।”

অন্যদিকে নিউ প্রিয়াঙ্কা জুয়েলার্সের মালিক পরিমল মালো বলেন, “শুধু আমার দোকান নয়, আরও ৬টি স্বর্ণের দোকান ও একটি মুদির দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের টহল অব্যাহত থাকলে এমন ঘটনা ঘটত না। এখন আমরা বাজারের ব্যবসায়ীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি।”

এ ঘটনায় পুরো হাউসদী বাজারে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়ীরা দ্রুত ডাকাতদের গ্রেফতার ও বাজারে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

মাদারীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ডাকাতির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।