ঢাকা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিড-ডে মিলের খাবার খেয়ে শিক্ষার্থীদের অসুস্থতার অভিযোগ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মাদারীপুরের সদরে মিড ডে মিল প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিভিন্ন স্কুলে পরিবেশন করা খাবার খেয়ে অন্তত ১৫ শিক্ষার্থী বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে মেয়াদোত্তীর্ণ রুটি ও পচা ডিম বিতরণ করা হচ্ছিল। অনেক ক্ষেত্রে রুটি থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল এবং সিদ্ধ ডিম থেকে পানি পড়ছিল। এসব খাবার খাওয়ার পরই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ করা হলেও, কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

প্রকল্পের স্থানীয় ঠিকাদার রঞ্জু মুন্সি ও হান্নান কাজী নিম্মমানের খাবার সরবরাহ করেছেন অভিযোগ করেছেন তারা। তবে এ বিষয়ে তারা মুখ খুলতে রাজি হননি।

এই বিষয় ১৬৫ নম্বর পোকরারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেরুন চৌধুরী বলেন, বাচ্চাদের নিম্নমানের খাবার দেওয়া হয়েছিল। তখন আমরা আপত্তি জানিয়েছিলাম, কিন্তু আমাদের কথা শোনা হয়নি। এখন ওই নিম্নমানের রুটি খেয়ে বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার বলেন, বিষয়টি দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসাররা আমাকে অবহিত করেছে। বাচ্চাদের খাবার সরবরাহে কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে দিয়ে পরীক্ষা করানো হবে। যারা নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করেছে তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মিড-ডে মিলের খাবার খেয়ে শিক্ষার্থীদের অসুস্থতার অভিযোগ

আপডেট সময় ০৬:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মাদারীপুরের সদরে মিড ডে মিল প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিভিন্ন স্কুলে পরিবেশন করা খাবার খেয়ে অন্তত ১৫ শিক্ষার্থী বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে মেয়াদোত্তীর্ণ রুটি ও পচা ডিম বিতরণ করা হচ্ছিল। অনেক ক্ষেত্রে রুটি থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল এবং সিদ্ধ ডিম থেকে পানি পড়ছিল। এসব খাবার খাওয়ার পরই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ করা হলেও, কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

প্রকল্পের স্থানীয় ঠিকাদার রঞ্জু মুন্সি ও হান্নান কাজী নিম্মমানের খাবার সরবরাহ করেছেন অভিযোগ করেছেন তারা। তবে এ বিষয়ে তারা মুখ খুলতে রাজি হননি।

এই বিষয় ১৬৫ নম্বর পোকরারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেরুন চৌধুরী বলেন, বাচ্চাদের নিম্নমানের খাবার দেওয়া হয়েছিল। তখন আমরা আপত্তি জানিয়েছিলাম, কিন্তু আমাদের কথা শোনা হয়নি। এখন ওই নিম্নমানের রুটি খেয়ে বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার বলেন, বিষয়টি দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসাররা আমাকে অবহিত করেছে। বাচ্চাদের খাবার সরবরাহে কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে দিয়ে পরীক্ষা করানো হবে। যারা নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করেছে তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।