ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদাবাজির মামলায় খালাস পেলেন আ.লীগের সাবেক এমপি মোজাম্মেল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে করা এক মামলায় শরীয়তপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হককে খালাস দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার ১৪ নম্বর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহমুদা আক্তার এ আদেশ দেন।

গত ১ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ মামলার বিচার শুরু হয়। তবে ওইদিন মামলার বাদী, ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান আদালতকে বলেন, মোজাম্মেল হক খালাস পেলে তার আপত্তি নেই। পরে আদালত রায়ের জন্য ৫ এপ্রিল দিন রাখেন। সে অনুযায়ী রোববার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তার উপস্থিতিতে আদালত রায় ঘোষণা করেন।

তবে বিএম মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে আরও মামলা থাকায় এখনই তার মুক্তি মিলছে না বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী মো. লিটন মিয়া। রায় ঘোষণার পরে তাকে আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ মামলায় অভিযোগ করা হয়েছিল, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে মোজাম্মেল হক আওয়ামী ও ছাত্রলীগের লোকজন দিয়ে খলিলুর রহমানকে ধানমন্ডির অফিসে ডেকে নেন। নির্বাচনি খরচ বাবদ তার কাছে ‘২৫ লাখ টাকা চাঁদা’ দাবি করেন।

ওই টাকা দেওয়ার জন্য খলিলুর রহমানকে তিন দিন সময় দেওয়া হয়। টাকা না দিলে ‘গুম করার’ হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয় মামলায়। খলিলের অভিযোগ ছিল, শরীয়তপুরে ব্যবসায়ী সমিতির কাছে নানা অভিযোগ দিয়ে তার ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য করেন মোজাম্মেলের লোকজন।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২৪ অগাস্ট খলিলুর রহমান আদালতে মামলা দায়ের করেন। গত বছরের ৫ অক্টোবর ঢাকার নিকেতন থেকে মোজাম্মেল হককে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদাবাজির মামলায় খালাস পেলেন আ.লীগের সাবেক এমপি মোজাম্মেল

আপডেট সময় ০২:২০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে করা এক মামলায় শরীয়তপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হককে খালাস দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার ১৪ নম্বর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহমুদা আক্তার এ আদেশ দেন।

গত ১ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ মামলার বিচার শুরু হয়। তবে ওইদিন মামলার বাদী, ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান আদালতকে বলেন, মোজাম্মেল হক খালাস পেলে তার আপত্তি নেই। পরে আদালত রায়ের জন্য ৫ এপ্রিল দিন রাখেন। সে অনুযায়ী রোববার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তার উপস্থিতিতে আদালত রায় ঘোষণা করেন।

তবে বিএম মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে আরও মামলা থাকায় এখনই তার মুক্তি মিলছে না বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী মো. লিটন মিয়া। রায় ঘোষণার পরে তাকে আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ মামলায় অভিযোগ করা হয়েছিল, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে মোজাম্মেল হক আওয়ামী ও ছাত্রলীগের লোকজন দিয়ে খলিলুর রহমানকে ধানমন্ডির অফিসে ডেকে নেন। নির্বাচনি খরচ বাবদ তার কাছে ‘২৫ লাখ টাকা চাঁদা’ দাবি করেন।

ওই টাকা দেওয়ার জন্য খলিলুর রহমানকে তিন দিন সময় দেওয়া হয়। টাকা না দিলে ‘গুম করার’ হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয় মামলায়। খলিলের অভিযোগ ছিল, শরীয়তপুরে ব্যবসায়ী সমিতির কাছে নানা অভিযোগ দিয়ে তার ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য করেন মোজাম্মেলের লোকজন।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২৪ অগাস্ট খলিলুর রহমান আদালতে মামলা দায়ের করেন। গত বছরের ৫ অক্টোবর ঢাকার নিকেতন থেকে মোজাম্মেল হককে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।