ঢাকা ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গরুর মাংস বলে ঘোড়ার মাংস বিক্রি, জীবিত ১১টি ও জবাই করা ৯টি ঘোড়া উদ্ধার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে প্রতারণার মাধ্যমে ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস বলে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। জবাই করা ৯টি এবং জীবিত ১১টি ঘোড়া উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

শুক্রবার সকালে উপজেলার পূর্বাচল উপশহরের ১০ নম্বর সেক্টরের হারার বাড়ি এলাকার একটি প্লট থেকে ঘোড়াগুলো উদ্ধার করা হয়।

পূর্বাচল পুলিশ ফাঁড়ি ক্যাম্পের ইনচার্জ হারুন অর রশিদ জানান, পূর্বাচল ১০ নং সেক্টর হারার বাড়ি এলাকার একটি প্লটে ২০টি ঘোড়া জবাই করার উদ্দেশ্যে নিয়ে আসে একদল অসাধু ব্যবসায়ী। পরবর্তীতে তারা ৯টি ঘোড়া জবাই করে ফেলেন। শুক্রবার ভোরে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশের হট লাইন ৯৯৯তে ফোন দেন। পরে পূর্বাচল পুলিশ ফাঁড়ি ক্যাম্পের পুলিশ সদস্যসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যদের আসার বিষয়টি টের পেয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা ঘোড়াগুলো রেখে পালিয়ে যায়। এ সময় ১১টি জীবিত ঘোড়া এবং ৯টি জবাই করা ঘোড়া উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো জানান, পূর্বাচল উপশহরের নির্জন স্থানে রাতের আঁধারে অসাধু ব্যবসায়ীরা ঘোড়া এনে জবাই করে গরুর মাংস বলে কম দামে উপজেলার বিভিন্ন মাংসের দোকানে বিক্রি করেন। আর ওই মাংস গরুর মাংস হিসেবে মানুষ ক্রয় করে খাচ্ছেন। এ ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

গরুর মাংস বলে ঘোড়ার মাংস বিক্রি, জীবিত ১১টি ও জবাই করা ৯টি ঘোড়া উদ্ধার

আপডেট সময় ১০:০০:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে প্রতারণার মাধ্যমে ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস বলে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। জবাই করা ৯টি এবং জীবিত ১১টি ঘোড়া উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

শুক্রবার সকালে উপজেলার পূর্বাচল উপশহরের ১০ নম্বর সেক্টরের হারার বাড়ি এলাকার একটি প্লট থেকে ঘোড়াগুলো উদ্ধার করা হয়।

পূর্বাচল পুলিশ ফাঁড়ি ক্যাম্পের ইনচার্জ হারুন অর রশিদ জানান, পূর্বাচল ১০ নং সেক্টর হারার বাড়ি এলাকার একটি প্লটে ২০টি ঘোড়া জবাই করার উদ্দেশ্যে নিয়ে আসে একদল অসাধু ব্যবসায়ী। পরবর্তীতে তারা ৯টি ঘোড়া জবাই করে ফেলেন। শুক্রবার ভোরে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশের হট লাইন ৯৯৯তে ফোন দেন। পরে পূর্বাচল পুলিশ ফাঁড়ি ক্যাম্পের পুলিশ সদস্যসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যদের আসার বিষয়টি টের পেয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা ঘোড়াগুলো রেখে পালিয়ে যায়। এ সময় ১১টি জীবিত ঘোড়া এবং ৯টি জবাই করা ঘোড়া উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো জানান, পূর্বাচল উপশহরের নির্জন স্থানে রাতের আঁধারে অসাধু ব্যবসায়ীরা ঘোড়া এনে জবাই করে গরুর মাংস বলে কম দামে উপজেলার বিভিন্ন মাংসের দোকানে বিক্রি করেন। আর ওই মাংস গরুর মাংস হিসেবে মানুষ ক্রয় করে খাচ্ছেন। এ ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।