ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রূপগঞ্জে পাওনা টাকা আদায়ে ৯ মাসের শিশুকে অপহরণ ক্রীড়াঙ্গনকে পেশাদার রূপ দিতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর সৌদি আরবে স্ট্রোক করে বাংলাদেশির মৃত্যু বিএনপি জনগণের অধিকার বাস্তবায়নে বিশ্বাস করে: মঈন খান আলোচনায় না এলে ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়বে ইরান: ট্রাম্প বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ নিহত ৫ ৫৫ বছর পরও স্বাধীনতার প্রকৃত লক্ষ্য অর্জন হয়নি: চরমোনাই পীর ভিয়েতনামের কাছে তিন গোলে হারল বাংলাদেশ স্নাতক পাস ছাড়া স্কুল-কলেজের সভাপতি নয়, কঠোরভাবে পরিপত্র অনুসরণের নির্দেশ কোনো দেশের ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়নি : বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিএমইউতে সফল কিডনি প্রতিস্থাপন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) নেফ্রোলজি ও ইউরোলজি বিভাগের তত্ত্বাবধানে সফলভাবে একটি কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। সফল অস্ত্রোপচারের পর বুধবার রোগীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। নেফ্রোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলামের অধীনে ভর্তি এই রোগীর কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগ। দাতা (ডোনার) থেকে কিডনি অপসারণ দলের নেতৃত্বে ছিলেন ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. তৌহিদ মো. সাইফুল ইসলাম দিপু। অন্যদিকে, গ্রহীতার শরীরে কিডনি প্রতিস্থাপন দলের নেতৃত্ব দেন অধ্যাপক ডা. একেএম খুরশিদুল আলম ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, দেশের এক প্রত্যন্ত অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে আক্রান্ত এই রোগী সম্পূর্ণভাবে ডায়ালাইসিসের ওপর নির্ভরশীল ছিল, যা রোগী ও তার পরিবারের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে রোগীর মায়ের আকুতিতে বর্তমান জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সহায়তায় কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য এ বছরের ২২ জানুয়ারি রোগী বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।

২৮ জানুয়ারি মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কিডনি প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ২ মার্চ রোগীর কিডনি প্রতিস্থাপনের সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন হয়, যেখানে সন্তানকে সুস্থ করে তুলতে কিডনি দান করেন তার মা।

রোগীকে ছাড়পত্র দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন রোগীকে আর্থিকভাবে সার্বিক সহযোগিতা করা জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ধন্যবাদ জানান এবং দেশে এ ধরনের জটিল চিকিৎসা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের চিকিৎসকরা অত্যন্ত দক্ষ এবং তারা বিভিন্ন জটিল অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিকমানে উন্নীত করতে সক্ষম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বিএমইউতে সফল কিডনি প্রতিস্থাপন

আপডেট সময় ০৮:১০:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) নেফ্রোলজি ও ইউরোলজি বিভাগের তত্ত্বাবধানে সফলভাবে একটি কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। সফল অস্ত্রোপচারের পর বুধবার রোগীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। নেফ্রোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলামের অধীনে ভর্তি এই রোগীর কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগ। দাতা (ডোনার) থেকে কিডনি অপসারণ দলের নেতৃত্বে ছিলেন ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. তৌহিদ মো. সাইফুল ইসলাম দিপু। অন্যদিকে, গ্রহীতার শরীরে কিডনি প্রতিস্থাপন দলের নেতৃত্ব দেন অধ্যাপক ডা. একেএম খুরশিদুল আলম ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, দেশের এক প্রত্যন্ত অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে আক্রান্ত এই রোগী সম্পূর্ণভাবে ডায়ালাইসিসের ওপর নির্ভরশীল ছিল, যা রোগী ও তার পরিবারের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে রোগীর মায়ের আকুতিতে বর্তমান জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সহায়তায় কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য এ বছরের ২২ জানুয়ারি রোগী বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।

২৮ জানুয়ারি মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কিডনি প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ২ মার্চ রোগীর কিডনি প্রতিস্থাপনের সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন হয়, যেখানে সন্তানকে সুস্থ করে তুলতে কিডনি দান করেন তার মা।

রোগীকে ছাড়পত্র দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন রোগীকে আর্থিকভাবে সার্বিক সহযোগিতা করা জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ধন্যবাদ জানান এবং দেশে এ ধরনের জটিল চিকিৎসা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের চিকিৎসকরা অত্যন্ত দক্ষ এবং তারা বিভিন্ন জটিল অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিকমানে উন্নীত করতে সক্ষম।