আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
আলমডাঙ্গায় দিয়াশলাই কাঠির বারুদ দিয়ে পটকা ফোটাতে গিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় তিন শিশু আহত হয়েছে। এর মধ্যে গুরুতর আহত এক শিশুর হাতের পাঁচ আঙুল উড়ে গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রোববার সকালে উপজেলার ভাংবাড়ীয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত তিন শিশু হলো- ভাংবাড়ীয়া গ্রামের জাকিরুল হোসেনের ছেলে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রনক হোসেন, উজ্জ্বল হোসেনের ছেলে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র হুসাইন ও আহম্মদ আলীর ছেলে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র লাল মিয়া।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আসমত উল্লাহ জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কয়েকজন শিশু গ্রামের মসজিদের ছাদে ওঠে। তারা সেখানে দিয়াশলাই কাঠির বারুদ দিয়ে লোহার তৈরি একটি বস্তুতে ভরে ফোটানোর চেষ্টা করছিল। এ সময় হঠাৎ বিকট শব্দে সেটি বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণে রনক হোসেন (১২) গুরুতর আহত হয়। তার বাম হাতের পাঁচটি আঙুল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অন্য দুই শিশু সামান্য আহত হলে তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা রক্তাক্ত অবস্থায় রনককে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডা. ইসরাত জেরিন জেসি জানান, বিস্ফোরণে রনকের বাম হাতের পাঁচটি আঙুল ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। হাতের কব্জিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ওসি বানী ইসরাইল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, শিশুরা দিয়াশলাইয়ের কাঠি সাইকেলের স্পোকের মধ্যে ঢুকিয়ে পটকা ফোটানোর চেষ্টা করছিল। অসাবধানতাবশত সেটি বিস্ফোরিত হয় এবং তিন শিশু আহত হয়। এর মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















