ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ভারতের এই ১০ সেক্স স্ক্যান্ডেল প্রকাশ্যে আসতেই কেঁপে উঠেছিল দেশ

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

যৌনতা সবসময়ই হট টপিক৷ হট কেক-ও৷ তাই তো যৌন মধুর দিকে ছুটে যায় ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি৷ রাজনীতিবিদ থেকে ফিল্ম জগতের তারকা, অনেকেই এই মৌমাছিদের মধ্যে পড়েন৷ তবে তার মধ্যে কয়েকজনই নিজেদের সাক্ষ্য রেখে যান৷ তাদের স্ক্যান্ডেলই জায়গা করে নেয় ‘ইতিহাসে’৷

বাবুলাল নাগর

রাজস্থানের প্রাক্তন মন্ত্রী তিনি৷ ২০১৩ সালে এক মহিলা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন, বাবুলাল নাগর তাঁর শ্লীলতাহানি করেন৷ তাঁকে সরকারি চাকরি দেবেন বলে কথা দিয়েছিলেন বাবুলাল৷ তারপরেই তাঁর সঙ্গে শ্লীলতাহানি করেন৷ এই অভিযোগের পর বিরোধীদের মধ্যে বাবুলালকে নিয়ে চর্চা শুরু হয়৷ অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছয়, যে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন মন্ত্রী৷

রাঘবজি লক্ষ্মী সাভালা

মধ্যপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রী ছিলেন তিনি৷ তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনেন তাঁরই বাড়ির পরিচারিকা৷ এরপর তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন৷

গোপাল কান্ডা

এক বিমানসেবিকা তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনেছিলেন৷ ঘটনার এখানেই শেষ নয়৷ এরপর আত্মহত্যা করেন সেই বিমানসেবিকা৷ সুইসাইড নোটে তিনি গোপালের বিরুদ্ধে লিখেও যান৷ এরপর গোপাল কান্ডাকে পদত্যাগপত্র দিতে বাধ্য করা হয়৷

এন ডি তিওয়ারি

উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি৷ ২০০৯ সালে অন্ধ্রপ্রদেশের রাজ্যপাল থাকাকালীন তিনি সেক্স স্ক্যান্ডেলে জড়িয়ে পড়েছিলেন৷ অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি পদ থেকে সরে যান৷

মাহিপাল মদেরনা

২০১১ সালে রাজস্থান সরকারের মন্ত্রী ছিলেন তিনি৷ ভবানী দেবী সেক্স স্ক্যান্ডেলে তাঁর নাম জড়িয়েছিল৷ অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর মহিলা নিরুদ্দেশ হয়ে যান৷ তাঁর স্বামী মন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শ্লীলতাহানি ও অপহরণের অভিযোগ তোলেন৷

পি কে কুনহালিকুট্টি

১৯৯৭ সালে কেরালা সরকারের মন্ত্রী ছিলেন তিনি৷ কুনহালিকুট্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, কোজিকোডের একটি আইসক্রিম পার্লারে জোর করে যৌনকর্মের ব্যবসা চালাতেন তিনি৷ তিনি মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেন৷

অমরমণি ত্রিপাঠি

মধুমিতা শুক্লা নামে এক মহিলা কবিকে হত্যার অপরাধে তাঁকে জেলে পাঠানো হয়৷ তখন ত্রিপাঠি উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী৷ অভিযোগ, মধুমিতা গর্ভবতী ছিলেন৷ ত্রিপাঠির সন্তানের মা হতে চলেছিলেন তিনি৷ বলা সত্ত্বেও তিনি গর্ভপাত করতে রাজি হননি৷ বহুবার তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়৷কিন্তু তাতেও মধুমিতার ‘টনক নড়েনি’৷ তাই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়৷

সুরেশ রাম

স্বাধীনতা সংগ্রামী জগজীবন রামের ছেলে সুরেশ রাম৷ ১৯৭৮ সালে তিনি সেক্স স্ক্যান্ডেলে জড়িয়ে পড়েন৷ এক মহিলার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ছড়িয়ে পড়ে৷ সূর্য নামের এক ম্যাগাজিনেও ছাপা হয় সেই ছবি৷ সেই ম্যাগাজিনের এডিটর ছিলেন মানেকা গান্ধি৷

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ভারতের এই ১০ সেক্স স্ক্যান্ডেল প্রকাশ্যে আসতেই কেঁপে উঠেছিল দেশ

আপডেট সময় ১১:৩৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

যৌনতা সবসময়ই হট টপিক৷ হট কেক-ও৷ তাই তো যৌন মধুর দিকে ছুটে যায় ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি৷ রাজনীতিবিদ থেকে ফিল্ম জগতের তারকা, অনেকেই এই মৌমাছিদের মধ্যে পড়েন৷ তবে তার মধ্যে কয়েকজনই নিজেদের সাক্ষ্য রেখে যান৷ তাদের স্ক্যান্ডেলই জায়গা করে নেয় ‘ইতিহাসে’৷

বাবুলাল নাগর

রাজস্থানের প্রাক্তন মন্ত্রী তিনি৷ ২০১৩ সালে এক মহিলা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন, বাবুলাল নাগর তাঁর শ্লীলতাহানি করেন৷ তাঁকে সরকারি চাকরি দেবেন বলে কথা দিয়েছিলেন বাবুলাল৷ তারপরেই তাঁর সঙ্গে শ্লীলতাহানি করেন৷ এই অভিযোগের পর বিরোধীদের মধ্যে বাবুলালকে নিয়ে চর্চা শুরু হয়৷ অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছয়, যে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন মন্ত্রী৷

রাঘবজি লক্ষ্মী সাভালা

মধ্যপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রী ছিলেন তিনি৷ তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনেন তাঁরই বাড়ির পরিচারিকা৷ এরপর তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন৷

গোপাল কান্ডা

এক বিমানসেবিকা তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনেছিলেন৷ ঘটনার এখানেই শেষ নয়৷ এরপর আত্মহত্যা করেন সেই বিমানসেবিকা৷ সুইসাইড নোটে তিনি গোপালের বিরুদ্ধে লিখেও যান৷ এরপর গোপাল কান্ডাকে পদত্যাগপত্র দিতে বাধ্য করা হয়৷

এন ডি তিওয়ারি

উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি৷ ২০০৯ সালে অন্ধ্রপ্রদেশের রাজ্যপাল থাকাকালীন তিনি সেক্স স্ক্যান্ডেলে জড়িয়ে পড়েছিলেন৷ অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি পদ থেকে সরে যান৷

মাহিপাল মদেরনা

২০১১ সালে রাজস্থান সরকারের মন্ত্রী ছিলেন তিনি৷ ভবানী দেবী সেক্স স্ক্যান্ডেলে তাঁর নাম জড়িয়েছিল৷ অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর মহিলা নিরুদ্দেশ হয়ে যান৷ তাঁর স্বামী মন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শ্লীলতাহানি ও অপহরণের অভিযোগ তোলেন৷

পি কে কুনহালিকুট্টি

১৯৯৭ সালে কেরালা সরকারের মন্ত্রী ছিলেন তিনি৷ কুনহালিকুট্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, কোজিকোডের একটি আইসক্রিম পার্লারে জোর করে যৌনকর্মের ব্যবসা চালাতেন তিনি৷ তিনি মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেন৷

অমরমণি ত্রিপাঠি

মধুমিতা শুক্লা নামে এক মহিলা কবিকে হত্যার অপরাধে তাঁকে জেলে পাঠানো হয়৷ তখন ত্রিপাঠি উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী৷ অভিযোগ, মধুমিতা গর্ভবতী ছিলেন৷ ত্রিপাঠির সন্তানের মা হতে চলেছিলেন তিনি৷ বলা সত্ত্বেও তিনি গর্ভপাত করতে রাজি হননি৷ বহুবার তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়৷কিন্তু তাতেও মধুমিতার ‘টনক নড়েনি’৷ তাই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়৷

সুরেশ রাম

স্বাধীনতা সংগ্রামী জগজীবন রামের ছেলে সুরেশ রাম৷ ১৯৭৮ সালে তিনি সেক্স স্ক্যান্ডেলে জড়িয়ে পড়েন৷ এক মহিলার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ছড়িয়ে পড়ে৷ সূর্য নামের এক ম্যাগাজিনেও ছাপা হয় সেই ছবি৷ সেই ম্যাগাজিনের এডিটর ছিলেন মানেকা গান্ধি৷