ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতি, দুই মামলায় শেখ হাসিনার ১০, টিউলিপের ৪ বছরের কারাদণ্ড জামায়াতে ইসলামী দেশকে আফগানিস্তান বানাতে চায়: মির্জা ফখরুল ৪.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জম্মু-কাশ্মীর তারেক রহমানের খুলনার সমাবেশে নেতাকর্মীদের ঢল বিএনপি জনগণের কাছে পরীক্ষিত দেশপ্রেমিক দল: ড. মোশাররফ হোসেন এমএ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নাহিদ ইসলামের রিট নারীদের অধিকার সমুন্নত রাখতে কাজ করবে বিএনপি: ইশরাক হোসেন খালেদা জিয়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে হিমালয়ের মত দাঁড়িয়েছিলেন: রিজভী নির্বাচিত হলে ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগের প্রতিশ্রুতি আমিনুল হকের জাতীয়তাবাদী শক্তি ও ভোটাররা সঙ্গে থাকলে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সময়ের ব্যাপার: পার্থ

যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান, ৮২ মেট্রো স্টেশনকে আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষণা

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের আশঙ্কা ঘিরে ইরানের রাজধানী তেহরানে নেয়া হচ্ছে ব্যাপক প্রস্তুতি। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে শহরজুড়ে মেট্রো স্টেশন, পার্কিং এলাকা ও ভূগর্ভস্থ স্থাপনাকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংকট ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। এ সব স্থানে খাদ্য মজুতসহ অন্যান্য সুবিধা ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং ২৫ লাখ মানুষের আশ্রয়ের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। সম্ভাব্য যুদ্ধের জল্পনা জোরালো হওয়ায় কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চাইছে না তেহরান। এমন পরিস্থিতিতে রাজধানীজুড়ে আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করছে ইরানের সংকট ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। শনিবার তেহরানে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান তেহরান সংকট ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান আলী নাসিরি।

সাধারণভাবে তেহরানের জনসংখ্যা এক থেকে এক কোটি ২০ লাখের মধ্যে ধরা হয়। তবে বৃহত্তর মহানগর এলাকা যুক্ত করলে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় এক কোটি ৫০ থেকে এক কোটি ৬০ লাখে। গত বছরের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ১২ দিনের সরাসরি সামরিক সংঘাতের সময় তেহরানের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা আশ্রয় নিতে মেট্রো স্টেশনগুলোতে ছুটে গিয়েছিলেন।

প্রাণঘাতী সেই সংঘাতের পর থেকেই তেহরানসহ বিভিন্ন এলাকায় মেট্রো স্টেশন, পার্কিং সুবিধা ও অন্যান্য স্থাপনাকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে উন্নত করার উদ্যোগ নেয় ইরানের সংকট ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

মূলত সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা ব্যাপকভাবে বেড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের দিকে বিশাল নৌবহর পাঠানোর ঘোষণা দেয়ার পর নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা বেড়েছে।

অন্যদিকে ইরান সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, দেশটির ওপর কোনো ধরনের হামলা হলে তার জবাব দেয়া হবে অত্যন্ত কঠোর ও শক্তভাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতি, দুই মামলায় শেখ হাসিনার ১০, টিউলিপের ৪ বছরের কারাদণ্ড

যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান, ৮২ মেট্রো স্টেশনকে আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষণা

আপডেট সময় ১০:৩০:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের আশঙ্কা ঘিরে ইরানের রাজধানী তেহরানে নেয়া হচ্ছে ব্যাপক প্রস্তুতি। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে শহরজুড়ে মেট্রো স্টেশন, পার্কিং এলাকা ও ভূগর্ভস্থ স্থাপনাকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংকট ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। এ সব স্থানে খাদ্য মজুতসহ অন্যান্য সুবিধা ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং ২৫ লাখ মানুষের আশ্রয়ের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। সম্ভাব্য যুদ্ধের জল্পনা জোরালো হওয়ায় কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চাইছে না তেহরান। এমন পরিস্থিতিতে রাজধানীজুড়ে আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করছে ইরানের সংকট ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। শনিবার তেহরানে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান তেহরান সংকট ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান আলী নাসিরি।

সাধারণভাবে তেহরানের জনসংখ্যা এক থেকে এক কোটি ২০ লাখের মধ্যে ধরা হয়। তবে বৃহত্তর মহানগর এলাকা যুক্ত করলে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় এক কোটি ৫০ থেকে এক কোটি ৬০ লাখে। গত বছরের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ১২ দিনের সরাসরি সামরিক সংঘাতের সময় তেহরানের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা আশ্রয় নিতে মেট্রো স্টেশনগুলোতে ছুটে গিয়েছিলেন।

প্রাণঘাতী সেই সংঘাতের পর থেকেই তেহরানসহ বিভিন্ন এলাকায় মেট্রো স্টেশন, পার্কিং সুবিধা ও অন্যান্য স্থাপনাকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে উন্নত করার উদ্যোগ নেয় ইরানের সংকট ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

মূলত সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা ব্যাপকভাবে বেড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের দিকে বিশাল নৌবহর পাঠানোর ঘোষণা দেয়ার পর নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা বেড়েছে।

অন্যদিকে ইরান সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, দেশটির ওপর কোনো ধরনের হামলা হলে তার জবাব দেয়া হবে অত্যন্ত কঠোর ও শক্তভাবে।