ঢাকা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমরা সরকার গঠন করে শেখ হাসিনাকে ফাঁসিতে ঝুলাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দরজা খুলেই দেখলেন শাশুড়ির রক্তাক্ত লাশ, পাশের কক্ষে কাঁদছিল দুই বছরের মেয়ে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল মা ও দুই সন্তানসহ ৪ জনের দেশে ফেরা মাত্রই শেখ হাসিনা কারাগারে যাবেন: চিফ প্রসিকিউটর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানি গণমাধ্যমে ১৩ বিদেশি নেতার ছবি প্রকাশ হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু অতীতের ভুল থেকে বেরিয়ে মানসম্মত পাঠ্যবই তৈরির আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় সংসদ সদস্যদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: স্পিকার ‘বন্যা কবলিত মানুষের পুনর্বাসনে রাষ্ট্রকে দায়িত্ব নিতে হবে’:গাজী আতাউর রহমান ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত

খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানি গণমাধ্যমে ১৩ বিদেশি নেতার ছবি প্রকাশ

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে ‘টার্গেট’ বা লক্ষ্যবস্তুর তালিকা প্রকাশ করেছে ইরানের একটি গণমাধ্যম। এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের নেতার ছবি আছে।

ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিও তাঁর বাবার হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। এমন সময়ে ‘হামশাহরি’ নামের গণমাধ্যমটি লক্ষ্যবস্তুদের তালিকা প্রকাশ করল। এএফপি লিখেছে, পত্রিকাটি রক্ষণশীল ও উসকানিমূলক সুরের জন্য বেশি পরিচিত।

শনিবার এক বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি বলেন, ‘প্রতিশোধ আমাদের জাতির ইচ্ছা এবং এটি অবশ্যই বাস্তবায়ন করা হবে। তালিকায় নাম থাকা এই অপরাধীরা বিছানায় শান্তিতে মৃত্যুবরণ করার ইচ্ছা মনে নিয়েই কবরে যাবে।’ মোজতবা তাঁর বিবৃতিতে তালিকা শব্দটি বললেও কারও নাম উল্লেখ করেননি।

হামশাহরির অনলাইন সংস্করণে শনিবার গভীর রাতে মোজতবার ওই বিবৃতির পাশাপাশি একটি ইনফোগ্রাফিক প্রকাশ করা হয়। সেখানে ১৩ জন বিদেশি নেতার ছবি প্রদর্শন করা হয়েছে। প্রকাশিত এই তালিকাটি ইরানের শাসকদের দ্বারা অনুমোদিত কি না তা জানা যায়নি। তবে গণমাধ্যমটি তেহরানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ।

হামশাহরির ইনফোগ্রাফিকটিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আছেন। অন্যদের মধ্যে আছেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস।

এএফপির প্রতিবেদনে বাকিদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তারা লিখেছে, হামশাহরির ইনফোগ্রাফিকটি অনলাইনে প্রকাশ হলেও রোববারের প্রিন্ট সংস্করণে দেখা যায়নি। পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ চলাকালে ইরান অভিযোগ করেছিল, ইউরোপীয় দেশগুলো মার্কিন বাহিনীকে নিজেদের ভূখণ্ড ও আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। ফলে তারাও এই যুদ্ধে ওয়াশিংটনের সহযোগী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১০০ কোটির ক্লাবে সামান্থার সিনেমা, গড়ল নতুন ইতিহাস

খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানি গণমাধ্যমে ১৩ বিদেশি নেতার ছবি প্রকাশ

আপডেট সময় ০৬:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে ‘টার্গেট’ বা লক্ষ্যবস্তুর তালিকা প্রকাশ করেছে ইরানের একটি গণমাধ্যম। এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের নেতার ছবি আছে।

ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিও তাঁর বাবার হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। এমন সময়ে ‘হামশাহরি’ নামের গণমাধ্যমটি লক্ষ্যবস্তুদের তালিকা প্রকাশ করল। এএফপি লিখেছে, পত্রিকাটি রক্ষণশীল ও উসকানিমূলক সুরের জন্য বেশি পরিচিত।

শনিবার এক বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি বলেন, ‘প্রতিশোধ আমাদের জাতির ইচ্ছা এবং এটি অবশ্যই বাস্তবায়ন করা হবে। তালিকায় নাম থাকা এই অপরাধীরা বিছানায় শান্তিতে মৃত্যুবরণ করার ইচ্ছা মনে নিয়েই কবরে যাবে।’ মোজতবা তাঁর বিবৃতিতে তালিকা শব্দটি বললেও কারও নাম উল্লেখ করেননি।

হামশাহরির অনলাইন সংস্করণে শনিবার গভীর রাতে মোজতবার ওই বিবৃতির পাশাপাশি একটি ইনফোগ্রাফিক প্রকাশ করা হয়। সেখানে ১৩ জন বিদেশি নেতার ছবি প্রদর্শন করা হয়েছে। প্রকাশিত এই তালিকাটি ইরানের শাসকদের দ্বারা অনুমোদিত কি না তা জানা যায়নি। তবে গণমাধ্যমটি তেহরানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ।

হামশাহরির ইনফোগ্রাফিকটিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আছেন। অন্যদের মধ্যে আছেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস।

এএফপির প্রতিবেদনে বাকিদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তারা লিখেছে, হামশাহরির ইনফোগ্রাফিকটি অনলাইনে প্রকাশ হলেও রোববারের প্রিন্ট সংস্করণে দেখা যায়নি। পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ চলাকালে ইরান অভিযোগ করেছিল, ইউরোপীয় দেশগুলো মার্কিন বাহিনীকে নিজেদের ভূখণ্ড ও আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। ফলে তারাও এই যুদ্ধে ওয়াশিংটনের সহযোগী।