ঢাকা ০৪:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানি গণমাধ্যমে ১৩ বিদেশি নেতার ছবি প্রকাশ

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে ‘টার্গেট’ বা লক্ষ্যবস্তুর তালিকা প্রকাশ করেছে ইরানের একটি গণমাধ্যম। এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের নেতার ছবি আছে।

ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিও তাঁর বাবার হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। এমন সময়ে ‘হামশাহরি’ নামের গণমাধ্যমটি লক্ষ্যবস্তুদের তালিকা প্রকাশ করল। এএফপি লিখেছে, পত্রিকাটি রক্ষণশীল ও উসকানিমূলক সুরের জন্য বেশি পরিচিত।

শনিবার এক বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি বলেন, ‘প্রতিশোধ আমাদের জাতির ইচ্ছা এবং এটি অবশ্যই বাস্তবায়ন করা হবে। তালিকায় নাম থাকা এই অপরাধীরা বিছানায় শান্তিতে মৃত্যুবরণ করার ইচ্ছা মনে নিয়েই কবরে যাবে।’ মোজতবা তাঁর বিবৃতিতে তালিকা শব্দটি বললেও কারও নাম উল্লেখ করেননি।

হামশাহরির অনলাইন সংস্করণে শনিবার গভীর রাতে মোজতবার ওই বিবৃতির পাশাপাশি একটি ইনফোগ্রাফিক প্রকাশ করা হয়। সেখানে ১৩ জন বিদেশি নেতার ছবি প্রদর্শন করা হয়েছে। প্রকাশিত এই তালিকাটি ইরানের শাসকদের দ্বারা অনুমোদিত কি না তা জানা যায়নি। তবে গণমাধ্যমটি তেহরানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ।

হামশাহরির ইনফোগ্রাফিকটিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আছেন। অন্যদের মধ্যে আছেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস।

এএফপির প্রতিবেদনে বাকিদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তারা লিখেছে, হামশাহরির ইনফোগ্রাফিকটি অনলাইনে প্রকাশ হলেও রোববারের প্রিন্ট সংস্করণে দেখা যায়নি। পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ চলাকালে ইরান অভিযোগ করেছিল, ইউরোপীয় দেশগুলো মার্কিন বাহিনীকে নিজেদের ভূখণ্ড ও আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। ফলে তারাও এই যুদ্ধে ওয়াশিংটনের সহযোগী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানি গণমাধ্যমে ১৩ বিদেশি নেতার ছবি প্রকাশ

আপডেট সময় ০৬:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে ‘টার্গেট’ বা লক্ষ্যবস্তুর তালিকা প্রকাশ করেছে ইরানের একটি গণমাধ্যম। এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের নেতার ছবি আছে।

ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিও তাঁর বাবার হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। এমন সময়ে ‘হামশাহরি’ নামের গণমাধ্যমটি লক্ষ্যবস্তুদের তালিকা প্রকাশ করল। এএফপি লিখেছে, পত্রিকাটি রক্ষণশীল ও উসকানিমূলক সুরের জন্য বেশি পরিচিত।

শনিবার এক বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি বলেন, ‘প্রতিশোধ আমাদের জাতির ইচ্ছা এবং এটি অবশ্যই বাস্তবায়ন করা হবে। তালিকায় নাম থাকা এই অপরাধীরা বিছানায় শান্তিতে মৃত্যুবরণ করার ইচ্ছা মনে নিয়েই কবরে যাবে।’ মোজতবা তাঁর বিবৃতিতে তালিকা শব্দটি বললেও কারও নাম উল্লেখ করেননি।

হামশাহরির অনলাইন সংস্করণে শনিবার গভীর রাতে মোজতবার ওই বিবৃতির পাশাপাশি একটি ইনফোগ্রাফিক প্রকাশ করা হয়। সেখানে ১৩ জন বিদেশি নেতার ছবি প্রদর্শন করা হয়েছে। প্রকাশিত এই তালিকাটি ইরানের শাসকদের দ্বারা অনুমোদিত কি না তা জানা যায়নি। তবে গণমাধ্যমটি তেহরানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ।

হামশাহরির ইনফোগ্রাফিকটিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আছেন। অন্যদের মধ্যে আছেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস।

এএফপির প্রতিবেদনে বাকিদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তারা লিখেছে, হামশাহরির ইনফোগ্রাফিকটি অনলাইনে প্রকাশ হলেও রোববারের প্রিন্ট সংস্করণে দেখা যায়নি। পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ চলাকালে ইরান অভিযোগ করেছিল, ইউরোপীয় দেশগুলো মার্কিন বাহিনীকে নিজেদের ভূখণ্ড ও আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। ফলে তারাও এই যুদ্ধে ওয়াশিংটনের সহযোগী।