ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের অর্থনীতি গভীর চাপে রয়েছে : নাহিদ ইসলাম শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: আইনমন্ত্রী আদ-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী নৌ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ১০ ‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই: প্রধানমন্ত্রী পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের ১০ জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে রোববার

ভোলায় ১১৭ জেলের জেল, জরিমানা আড়াই লাখ টাকা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জেলায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের দায়ে গত ৭ দিনে (১ অক্টোবর থেকে ৭ তারিখ পর্যন্ত) ১১৭ জেলেকে জেল দেয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে জরিমানা আদায় করা হয়েছে ২ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। এ ছাড়া অবৈধ জাল উদ্ধার করা হয়েছে ৩ লাখ ১৮ হাজার ৯০০ মিটার। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা। জেলার ৭ উপজেলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব জেলেদের আটক করা হয়।

মৎস্য বিভাগ সূত্র জানায়, গত ৭দিনে জেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে ৭৮টি। ইলিশ সংরক্ষণে অভিযান চালানো হয়েছে ১৫৭টি। একইসাথে ২৫৭টি মাছ ঘাট, ৩০২টি আড়ৎ ও ১৪৬টি ইলশের বাজার পরিদর্শন করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে নৌকা জব্দ করা হয়েছে ১৯টি ও ইলিশ উদ্ধার হয়েছে ১ হাজার ৩৭১ কেজি। এ ছাড়া মামলা দায়ের হয়েছে ৬১টি। জব্দ ইলিশ অসহায়দের মাঝে বিতরণ ও জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে বলে সূত্র জানায়।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: রেজাউল করিম সকালে বাসস’কে বলেন, ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। তাই ইলিশ রক্ষায় আমরা সর্বাত্বক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। অভিযানে আটক জেলেদের বিভিন্ন মেয়াদে জেল ও অর্থদন্ড করা হয়েছে। এ বছর পেশাদার জেলেরা ইলিশ শিকার করতে নদীতে নামছেনা। তবে অসাধু জেলেদের একটি চক্র ইলিশ ধরতে চাচ্ছে। তাদের দমনে মৎস্য দফতরের সাথে স্থানীয় প্রশাসন, কোষ্টগার্ড ও পুলিশ সদস্যরা তৎপর রয়েছে।

মৎস্য কর্মকর্তা আরো বলেন, জেলায় নিবন্ধিত জেলে রয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার। গত বছর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ৮৮ হাজার ১১১ জেলেকে সরকারিভাবে চাল দিয়ে সহায়তা করা হয়েছিল। এবারো সরকারিভাবে জেলেদের সহায়তা করা হবে।

উল্লেখ্য, ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এ সময় ইলিশ আহরোন, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরন ও বিক্রি দন্ডনীয় অপরাধ। আইন অমান্যকারীকে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদন্ড অথবা ৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করার বিধান রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের অর্থনীতি গভীর চাপে রয়েছে : নাহিদ ইসলাম

ভোলায় ১১৭ জেলের জেল, জরিমানা আড়াই লাখ টাকা

আপডেট সময় ০২:২৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জেলায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের দায়ে গত ৭ দিনে (১ অক্টোবর থেকে ৭ তারিখ পর্যন্ত) ১১৭ জেলেকে জেল দেয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে জরিমানা আদায় করা হয়েছে ২ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। এ ছাড়া অবৈধ জাল উদ্ধার করা হয়েছে ৩ লাখ ১৮ হাজার ৯০০ মিটার। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা। জেলার ৭ উপজেলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব জেলেদের আটক করা হয়।

মৎস্য বিভাগ সূত্র জানায়, গত ৭দিনে জেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে ৭৮টি। ইলিশ সংরক্ষণে অভিযান চালানো হয়েছে ১৫৭টি। একইসাথে ২৫৭টি মাছ ঘাট, ৩০২টি আড়ৎ ও ১৪৬টি ইলশের বাজার পরিদর্শন করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে নৌকা জব্দ করা হয়েছে ১৯টি ও ইলিশ উদ্ধার হয়েছে ১ হাজার ৩৭১ কেজি। এ ছাড়া মামলা দায়ের হয়েছে ৬১টি। জব্দ ইলিশ অসহায়দের মাঝে বিতরণ ও জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে বলে সূত্র জানায়।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: রেজাউল করিম সকালে বাসস’কে বলেন, ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। তাই ইলিশ রক্ষায় আমরা সর্বাত্বক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। অভিযানে আটক জেলেদের বিভিন্ন মেয়াদে জেল ও অর্থদন্ড করা হয়েছে। এ বছর পেশাদার জেলেরা ইলিশ শিকার করতে নদীতে নামছেনা। তবে অসাধু জেলেদের একটি চক্র ইলিশ ধরতে চাচ্ছে। তাদের দমনে মৎস্য দফতরের সাথে স্থানীয় প্রশাসন, কোষ্টগার্ড ও পুলিশ সদস্যরা তৎপর রয়েছে।

মৎস্য কর্মকর্তা আরো বলেন, জেলায় নিবন্ধিত জেলে রয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার। গত বছর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ৮৮ হাজার ১১১ জেলেকে সরকারিভাবে চাল দিয়ে সহায়তা করা হয়েছিল। এবারো সরকারিভাবে জেলেদের সহায়তা করা হবে।

উল্লেখ্য, ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এ সময় ইলিশ আহরোন, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরন ও বিক্রি দন্ডনীয় অপরাধ। আইন অমান্যকারীকে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদন্ড অথবা ৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করার বিধান রয়েছে।